বৃহস্পতিবার | অক্টোবর ২৮, ২০২১ | ১২ কার্তিক ১৪২৮

খবর

ব্লু ইকোনমি নিয়ে স্বাধীন গণ-আদালত

উপকূলীয় মানুষের অধিকার রক্ষাকে প্রাধান্য দিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্লু ইকোনমি সম্পর্কিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে উপকূলীয় মানুষের অধিকার, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য প্রতিবেশ এবং বিশেষ করে প্রাকৃতিক সম্পদনির্ভর প্রান্তিক মানুষের জীবন জীবিকার অধিকার রক্ষার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে একটি আন্তর্জাতিক গণ-আদালত। গত সোমবার আন্তর্জাতিক জুরি, বিশেষজ্ঞ এবং অধিকার কর্মীদের অংশগ্রহণে ভার্চুয়াল গণআদালত অনুষ্ঠিত হয়। ব্লু ইকোনমি টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মডেল হিসেবে আবির্ভূত হলেও গণআদালতটি দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় জন্য এই ব্লু ইকোনমি নব্য উদারতাবাদী অর্থনীতি সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখতে পারে বলে অভিমত প্রকাশ করা হয়।

পিআইপিএফপিডির (ভারত) সাধারণ সম্পাদক এমজে বিজয়ান এবং কোস্ট ট্রাস্টের (বাংলাদেশ) উপনির্বাহী পরিচালক সনাত কুমার ভৌমিক গণ-আদালত সঞ্চালনা করেন।

উদ্বোধনী অধিবেশনে ওয়ার্ল্ড ফোরাম অব ফিশারফোক পিপলের জেনারেল সেক্রেটারি নাদিন নেমবার্ড (জ্যামাইকা), ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যানিং কমিটি ফর ফিশারিজ ওয়ার্কিং গ্রুপের নাসিগ জাফর (দক্ষিণ আফ্রিকা), কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী (বাংলাদেশ), ন্যাশনাল ফিশারফোক ফোরামের চেয়ারম্যান নরেন্দ্র পাতিল (ভারত) বক্তৃতা করেন। জুরি ছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত পরিবেশ এবং খাদ্য অধিকার কর্মী ডক্টর বন্দনা শিবা, সিনিয়র অ্যাডভোকেট সাবেক ইউএন র্যাপোটিয়ার আনন্দ গ্রোভার, আবিকা উহাকি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ইজার এমবোগিরি (কেনিয়া), নারীপক্ষের নির্বাহী কমিটির সদস্য শিরিন পারভিন হক (বাংলাদেশ)

কোস্টের মো. শাহিনুর ইসলাম মহেশখালী দ্বীপের জেলে সম্প্রদায়ের নানা সমস্যা তুলে ধরেন। মহেশখালীর বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাছাকাছি বসবাসকারী মো. মামুনুল হক বলেন, স্থানীয় শ্রমিকদের অঞ্চলে নিয়োগ দেয়া উচিত। সরকারের উচিত, প্রকল্পের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা। গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা মো. আবদুল হালিম বলেন, বড় ট্রলারগুলো বেশির ভাগ মাছ ধরে নেয়ায় ছোট ছোট নৌকার জেলেরা এখন মাছ পাচ্ছেন না।

জুরি বোর্ড তাদের অন্তর্বর্তীকালীন পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, উপকূলীয় সম্প্রদায়ের মানুষজনকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করতে হবে। প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে সম্প্র্রীতি বজায় রাখা এবং উপকূলীয় সম্প্র্রদায়ের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে, লাভজনক উপার্জন নয়। অঞ্চলের পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা করে অঞ্চলের মানুষের অধিকারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, অন্ধভাবে বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফের চাপানো পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত নয়।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন