বুধবার | মে ২৭, ২০২০ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

সংকেত

গেল সপ্তাহে প্রকাশিত

লভ্যাংশ ও বার্ষিক ফলাফল

ফরচুন সুজ লিমিটেড

 

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য পূর্বঘোষিত ৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশের পরিবর্তে উদ্যোক্তা-পরিচালক বাদে অন্য শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ নগদ ও সব ধরনের শেয়ারহোল্ডারের ১৮ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেবে ফরচুন সুজ লিমিটেড। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির নবম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ লভ্যাংশের অনুমোদন দেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ও শেয়ারহোল্ডাররা।

গত ২৮ অক্টোবর ফরচুন সুজের পর্ষদ সভায় সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করা হয়। তবে এজিএমে এ লভ্যাংশ পরিকল্পনায় সংশোধন এনে ২ শতাংশ নগদ ও ১৮ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ অনুমোদিত হয়।

সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত) ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৫ টাকা ২৮ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৫ টাকা ৫৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ফরচুন সুজের ইপিএস হয়েছে ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ২৪ পয়সা।

 

 

ঋণমান

জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড

 

জিপিএইচ ইস্পাতের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদেডাবল এ ও স্বল্পমেয়াদেএসটি-টু। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও চলতি বছরের ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত হালনাগাদ প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফারেটিং)

সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে জিপিএইচ ইস্পাত। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত) ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৫৯ পয়সা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩ পয়সা।

 

ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড

 

ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদেডাবল এ প্লাস ও স্বল্পমেয়াদেএসটি-ওয়ান। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)

চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৪ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮১ টাকা ১৮ পয়সা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ১ পয়সা। ৩০ জুন কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮০ টাকা ৬৯ পয়সা।

 

স্কয়ার টেক্সটাইলস লিমিটেড

 

স্কয়ার টেক্সটাইলস লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদেডাবল এ ও স্বল্পমেয়াদেএসটি-ওয়ান। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে স্কয়ার টেক্সটাইলস লিমিটেড। সমাপ্ত হিসাব বছরে স্কয়ার টেক্সটাইলসের সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৮ পয়সা। এককভাবে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৬ পয়সা। ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির সম্মিলিত ও একক ইপিএস ছিল যথাক্রমে ২ টাকা ৩২ পয়সা ও ১ টাকা ৪৭ পয়সা। ৩০ জুন সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ২ পয়সা, এককভাবে যা ৩৬ টাকা ৬৩ পয়সা।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) স্কয়ার টেক্সটাইলসের সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৪১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৪২ পয়সা।

 

এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

 

এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদেডাবল এ ও স্বল্পমেয়াদেএসটি-টু। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত ও গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ হালনাগাদ প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এপেক্স ফুটওয়্যার। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ৯১ পয়সা। ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১১ টাকা ৫৪ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৪৯ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৪৪ টাকা ৪২ পয়সা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এপেক্স ফুটওয়্যারের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৯২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫০ টাকা ৮৮ পয়সা।

 

সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড

 

সিপিএ (ক্লেইম পেয়িং অ্যাবিলিটি) রেটিংয়ে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের অবস্থানডাবল এ মাইনাস। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৫ টাকা ৫৫ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৪ টাকা ৩৩ পয়সা।

এদিকে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭৫ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩০ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৯৫ পয়সা।

 

বিডি ল্যাম্পস

 

সার্ভিল্যান্স রেটিংয়ে বাংলাদেশ ল্যাম্পস লিমিটেডের (বিডি ল্যাম্পস) অবস্থান দীর্ঘমেয়াদেএ প্লাস ও স্বল্পমেয়াদেএসটি-টু। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে কোম্পানিটির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ হালনাগাদ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)

সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিডি ল্যাম্পস। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৩২ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৯২ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৮৮ টাকা ৫৯ পয়সা।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৪৮ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা।

 

বিবিএস কেবলস লিমিটেড

 

বিবিএস কেবলস লিমিটেডের সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদেএ প্লাস ও স্বল্পমেয়াদেএসটি-টু। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)

সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে বিবিএস কেবলস। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও বাকি ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ৮ পয়সা। ৩০ জুন কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বিবিএস কেবলসের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৬৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ১৯ পয়সা।

 

নতুন শেয়ার

 

এডিএন টেলিকম লিমিটেড

 

আগামীকাল থেকে পুঁজিবাজারে এডিএন টেলিকমের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ‘এন ক্যাটাগরির শেয়ারটির ট্রেডিং কোড হবেANDTEL আর ডিএসই কোম্পানি কোড হবে ২২৬৫১।

গত বছরের ৪ নভেম্বর এডিএন টেলিকমের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) আবেদনের চাঁদাগ্রহণ শুরু হয়। চলে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত। ২৮ নভেম্বর কোম্পানিটির আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। আর ১৯ ডিসেম্বর আইপিও লটারিতে বরাদ্দকৃত শেয়ার সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের বিও অ্যাকাউন্টে যোগ করা হয়।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৯৫তম কমিশন সভায় এডিএন টেলিকমের আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৯১ হাজার ৬৬৬টি সাধারণ শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাবনায় অনুমোদন দেয়া হয়। এডিএন টেলিকমকে ৩০ টাকা প্রান্তসীমা মূল্যে (কাট-অফ প্রাইস) ১ কোটি ১৮ লাখ ৭৫ হাজার সাধারণ শেয়ার যোগ্য বিনিয়োগকারী (এলিজিবল ইনভেস্টর) ও ২৭ টাকা মূল্যে (কাট-অফ প্রাইস থেকে ১০ শতাংশ বাট্টায়) ৭৯ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬টি সাধারণ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের (অনিবাসী বাংলাদেশীসহ) কাছে ইস্যুর অনুমোদন দেয় কমিশন।

এর আগে বিএসইসির ৬৫৫তম কমিশন সভায় এডিএন টেলিকম কর্তৃক আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ শেয়ার ইস্যু করে ৫৭ কোটি টাকা তহবিল উত্তোলনের লক্ষ্যে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ইস্যু মূল্য নির্ধারণের জন্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের বিডিংয়ের অনুমোদন দেয়া হয়। এরপর টানা ৭২ ঘণ্টার নিলামের মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা ৩০ টাকা কাট-অফ প্রাইস বা প্রান্তসীমা মূল্য নির্ধারণ করেন। বুক বিল্ডিংয়ের নিয়ম অনুসারে কাট-অফ প্রাইসের ১০ শতাংশ কমে অর্থাৎ ২৭ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির ২১ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার কেনার সুযোগ পান।

 

 

বিএসসির কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত

এমটিবির ৫০০ কোটি টাকার বন্ড প্রস্তাব অনুমোদন

 

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) লিমিটেডের ৫০০ কোটি টাকার রিডিমেবল নন-কনভার্টিবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির ৭১৩তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের বন্ডটির মেয়াদ হবে সাত বছর। অর্থাৎ সাত বছরে বন্ডটি পূর্ণ অবসায়ন হবে। এর বৈশিষ্ট্য হলো, এটি নন-কনভার্টিবল, ফুললি রিডিমেবল, আনসিকিউরড ও আনলিস্টেড সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। এ বন্ড বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে টিয়ার-টু মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করবে। বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১ কোটি টাকা। এর ট্রাস্টি হিসেবে রয়েছে ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। আর লিড অ্যারেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে আরএসএ অ্যাডভাইজরি লিমিটেড।

 

 

কোম্পানির মূলধন পরিকল্পনা ও ব্যবসা সম্প্রসারণ

এসএস স্টিল লিমিটেড

 

নিজেদের অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকায় উন্নীত করবে এসএস স্টিল। সম্প্রতি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ও শেয়ারহোল্ডাররা এ পরিকল্পনায় অনুমোদন দিয়েছেন। তবে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আগে কোম্পানিটিকে যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের (আরজেএসসি) অনুমোদন নিতে হবে। এছাড়া অনুমোদিত মূলধন বাড়াতে নিজেদের সংঘস্মারক ও সংঘবিধির ৫ নম্বর ধারায় সংশোধন আনবে প্রতিষ্ঠানটি।

গত মঙ্গলবার এসএস স্টিলের ১৮তম এজিএমে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের লভ্যাংশ পরিকল্পনায় সংশোধন আনা হয়। ২৮ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির পর্ষদ সভায় সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করা হয়। তবে এজিএমে কোম্পানিটির পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডাররা ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশের অনুমোদন দেন।

 

এসআইবিএল

 

বেমেয়াদি মুদারাবা বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বাজার থেকে ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) পরিচালনা পর্ষদ। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকের ব্যাসেল থ্রি কমপ্লায়েন্সকে জোরালো করতে অ্যাডিশনাল টিয়ার-১ ক্যাপিটাল হিসেবে বন্ডের মাধ্যমে এ অর্থ সংগ্রহ করা হবে। নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর এ বন্ড ইস্যু করতে পারবে ব্যাংকটি।

 

রূপালী ব্যাংক লিমিটেড

 

১ হাজার টাকার কুপন বিয়ারিং নন-কনভার্টিবল পারপেচুয়াল বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করবে রূপালী ব্যাংক লিমিটেড। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অনুমোদনসাপেক্ষে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ব্যাসেল-থ্রির অধীনে এ বন্ড ইস্যু করবে তারা। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি অ্যাডিশনাল টিয়ার-ওয়ান শর্ত প্রতিপালন ও নিজেদের মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করবে।

১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রূপলী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৭০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৪১৪ কোটি ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬২৭ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

 

সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

 

প্রেফারেন্স শেয়ারের পরিবর্তে বন্ড বা ডিবেঞ্চার ইস্যুর মাধ্যমে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। প্রতিটি ১০ টাকা দরে মোট পাঁচ কোটি বন্ড ছাড়বে তারা। এসব বন্ড হবে ফুললি রিডিমেবল, নন-কনভার্টিবল ও নন-ট্রেডেবল। কোম্পানিটির সপ্তম বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর স্টক এক্সচেঞ্জে দেয়া ঘোষণায় সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজ জানিয়েছিল, কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিচালনা পর্ষদ। এ বাড়তি ৫০ কোটি টাকা প্রতিটি ১০ টাকার পাঁচ কোটি প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলনের সিদ্ধান্তের কথা জানায় কোম্পানিটি। তবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে প্রতিষ্ঠানটিকে ইজিএমের মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে হতো। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির সপ্তম ইজিএমে প্রেফারেন্স শেয়ারের পরিবর্তে বন্ড ইস্যুর বিষয়টি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

 

গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

 

দেশের বাজারে বিপুল চাহিদার কারণে ভারতীয় কোম্পানি জুবিল্যান্ট ফুডওয়ার্কস লিমিটেডের সঙ্গে যৌথভাবে বৈশ্বিক ব্র্যান্ড ডোমিনোজ পিত্জার তৃতীয় আউটলেট চালু করেছে গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এর আগে ধানমন্ডিতে প্রথম ও উত্তরায় দ্বিতীয় আউটলেট চালু করা হয়।

বাংলাদেশে ডোমিনোজ পিত্জার ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে গোল্ডেন হারভেস্ট ও জুবিল্যান্ট গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে গঠিত জুবিল্যান্ট গোল্ডেন হারভেস্ট লিমিটেড। এতে জুবিল্যান্ট ফুডওয়ার্কস লিমিটেডের ৫১ শতাংশ ও গোল্ডেন হারভেস্ট কিউএসআর লিমিটেডের ৪৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। আর গোল্ডেন হারভেস্ট কিউএসআরে মূল প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের ৩০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ফলে বাংলাদেশে ডোমিনোজ পিত্জার ব্যবসায় তালিকাভুক্ত কোম্পানি গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের অংশীদারির পরিমাণ ১৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

 

বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড

 

চট্টগ্রামের ইচানগরে এস আলম রিফাইনড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের জন্য প্রি-ফ্যাব্রিকেটেড স্টিল বিল্ডিং নির্মাণ করবে বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস (বিবিএস) লিমিটেড। এ বিষয়ে সম্প্রতি উভয় কোম্পানির মধ্যে ২৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকার চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

 

সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড

 

কক্সবাজারে নিজেদের হোটেলসংলগ্ন ওয়াটার পার্কের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। আজ থেকে ওয়াটার পার্কটি বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।