পণ্যবাজার

৪০ লাখ টন চিনি রফতানি করবে ভারত

বণিক বার্তা ডেস্ক | ০৩:৩২:০০ মিনিট, এপ্রিল ১৪, ২০১৯

টানা দুই বছরের মন্দাভাব কাটিয়ে ২০১৯ সালে ঘুরে দাঁড়াতে পারে ভারতের চিনি রফতানি খাত। এ সময় দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যটির রফতানি আগের তুলনায় বেড়ে ৪০ লাখ টনে পৌঁছে যেতে পারে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। খবর এগ্রিমানি ও বিজনেস রেকর্ডার।

ভারত বিশ্বের শীর্ষ চিনি উৎপাদনকারী দেশ। অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পর প্রতি বছর দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চিনি রফতানি হয়। খাদ্যপণ্যটির বৈশ্বিক রফতানিকারকদের তালিকায় ভারতের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। ইউএসডিএর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে ভারত থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৩৮ লাখ টন চিনি রফতানি হয়েছিল। পরের বছর দেশটি থেকে চিনি রফতানি ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ২১ লাখ ২৫ হাজার টনে নেমে আসে।

মন্দাভাবের ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ ২০১৮ সালে ভারত থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১৮ লাখ টন চিনি রফতানি হয়েছিল, যা আগের বছরের তুলনায় ১৫ দশমিক ২৯ শতাংশ কম। চলতি বছর শেষে ভারতীয় রফতানিকারকরা মোট ৪০ লাখ টন চিনি রফতানি করতে পারেন বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে দেশটি থেকে চিনি রফতানি বাড়তে পারে ২২ লাখ টন।

গত ১ অক্টোবর ভারতে চিনির ২০১৮-১৯ বিপণন মৌসুম শুরু হয়েছে। মৌসুম শুরুর পর থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত লক্ষ্য পূরণের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে ভারত। অল ইন্ডিয়ান সুগার ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট প্রফুল ভিটালানি জানান, ২০১৮-১৯ বিপণন মৌসুমে এখন পর্যন্ত ভারত থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে ১৭ লাখ টন চিনি রফতানি হয়েছে।

মূলত বাড়তি উৎপাদনের ওপর ভর করে দেশটি থেকে চিনির রফতানিও বাড়তে শুরু করেছে। রফতানি বাড়াতে বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, সোমালিয়া, ইরান ও সুদানের মতো প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি চিনির নতুন রফতানি গন্তব্য খুঁজছে ভারতীয় রফতানিকারকরা।