পণ্যবাজার

পাম অয়েল : মালয়েশিয়ায় মজুদ নেমেছে ৩০ লাখ টনের নিচে

বণিক বার্তা ডেস্ক    | ২০:৩৮:০০ মিনিট, এপ্রিল ১১, ২০১৯

মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদে টান পড়েছে। চলতি বছরের মার্চে দেশটিতে পাম অয়েলের সমাপনী মজুদ আগের মাসের তুলনায় সাড়ে ৪ শতাংশের বেশি কমে ৩০ লাখ টনের নিচে নেমে এসেছে। মূলত শীত মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ায় মালয়েশিয়া থেকে পাম অয়েলের রফতানি আগের তুলনায় বেড়েছে। মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর জের ধরেই দেশটিতে পণ্যটির মজুদ কমতে শুরু করেছে বলে জানান খাতসংশ্লিষ্টরা। খবর স্টার অনলাইন ও সিনহুয়া।

পাম অয়েল উৎপাদক ও রফতানিকারক দেশগুলোর তালিকায় মালয়েশিয়ার অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের মার্চ শেষে দেশটিতে পাম অয়েলের সমাপনী মজুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ লাখ ২০ হাজার টনে, যা আগের মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ৬ শতাংশ কম। এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে।

শীত মৌসুমে পাম অয়েল জমে যায়। এ কারণে প্রতি বছর অক্টোবর-নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি নাগাদ পণ্যটির চাহিদা তুলনামূলক কম থাকে। এ সময় মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির রফতানিও থাকে কমতির দিকে। শীতের শেষে মার্চে মালয়েশিয়ান পাম অয়েল রফতানি খাত চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। পণ্যটির রফতানি এক-পঞ্চমাংশের বেশি বেড়েছে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত পাম অয়েল বোর্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মার্চে মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১৬ লাখ ২০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি।

তবে কুয়ালালামপুরভিত্তিক পণ্যবহনকারী কার্গো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টারটেক টেস্টিং সার্ভিসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের মার্চে মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১৫ লাখ ২২ হাজার ২০৪ টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় ২২ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। গত ফেব্রুয়ারিতে দেশটি থেকে মোট ১২ লাখ ৪৩ হাজার ৩০৮ টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছিল।

রফতানি বৃদ্ধির পাশাপাশি গত মার্চে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল উৎপাদনের চাঙ্গাভাব বজায় ছিল। মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের মার্চে মালয়েশিয়ায় সব মিলিয়ে ১৬ লাখ ৭০ হাজার টন পাম অয়েল উৎপাদন হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ।