খেলা

শ্রীলংকাকে এগিয়ে রাখছেন কুশল

ক্রীড়া প্রতিবেদক | ২৩:১৫:০০ মিনিট, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৮

এখন পর্যন্ত এশিয়া কাপের ১৩টি ফাইনালের ১১টিতে খেলেছে শ্রীলংকা। পাঁচবার শিরোপা জয়ের বিপরীতে রানার্সআপ হয়েছে ছয়টিতে। তাই এশিয়া কাপ মানেই লংকানদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের মঞ্চ। গত এক দশকে ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালে পাঁচ আসরে ভারতের সমান দুবার শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছে দলটি। ২০১৬ সালে এশিয়া কাপ হয়েছে টি২০ ফরম্যাটে, যেখানে বিদায় নিতে হয়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকে। তবে ২০১৪ সালে সর্বশেষ ওয়ানডে ফরম্যাটের টুর্নামেন্টে এশিয়া মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের ট্রফি উঠেছিল তাদেরই হাতে। সেই শ্রীলংকা এবারো দুবাইয়ে আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু করছে এশিয়া কাপ মিশন। 

গতকাল বিকালে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারে টুর্নামেন্টের ম্যাচপূর্ব আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে বড় স্বপ্নের কথাই জানালেন লংকান ওপেনার কুশল পেরেরা। তার কথায়, ‘উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে আমরা আত্মবিশ্বাস নিয়েই খেলব। আমরা এগিয়ে থেকেই মাঠে নামব। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে আসার আগে আমরা বেশ ভালোভাবে প্রস্তুতি সেরেছি। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটাকে আমরা সাধারণ ম্যাচ হিসেবেই দেখছি।’

এদিকে এশিয়া কাপে খেলতে নামার আগে লংকানদের ওয়ানডে পারফরম্যান্স মাঝারি মানের। সর্বশেষ ১০ ওয়ানডেতে তাদের জয় পাঁচটিতে। বোলিংয়ে লংকানদের শক্তির জায়গা তাদের স্পিন অ্যাটাক। তবে পেস বোলিংয়েও তারা কম যায় না? সুরাঙ্গা লাকমাল ও লাসিথ মালিঙ্গার মতো প্রমাণিত পেসার আছে দলটিতে। ব্যাটিংয়ে টপঅর্ডারে হাল ধরবেন উপুল থারাঙ্গা ও কুশল মেন্ডিসের মতো মারকুটে ব্যাটসম্যান। তবে এবারের আসরে ইনজুরি সংকট প্রবল হয়ে উঠেছে লংকান শিবিরে। চোটের কারণে দলে নেই রান মেশিন দিনেশ চান্দিমাল। নতুন করে ইনজুরির খাতায় নাম লিখিয়েছেন দানুশকা গুনাথিলকা। বুধবার সন্ধ্যায় অনুশীলনের সময় পিঠের চোটে শেষ হয়ে গেছে তার এশিয়া কাপ। বাঁহাতি গুনাথিলকার জায়গায় ডাক পেয়েছেন আরেক বাঁহাতি শিহান জয়সুরিয়া। আর সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর কারণে প্রথম দুই ম্যাচে থাকছেন না আকিলা ধনঞ্জয়া। পরে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। এদিকে লংকানদের মতোই ইনজুরির হানা বাংলাদেশ শিবিরেও। আঙুলের চোটের সঙ্গে লড়াই করছেন ওপেনার তামিম ইকবাল ও সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তবে এ দুজনই আজ ম্যাচ খেলার ব্যাপারে আশাবাদী। ফলে ইনজুরিকে পেছনে ফেলে আজ দুবাইয়ে কোন দল জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।