শিল্প বাণিজ্য

মন্ত্রিসভায় নীতিমালা অনুমোদন

২০২৭ সাল নাগাদ দেশে ১০ লাখ মোটরসাইকেল উৎপাদনের লক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২:২৭:০০ মিনিট, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৮

২০২৭ সালের মধ্যে দেশে ১০ লাখ মোটরসাইকেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ‘মোটরসাইকেল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা-২০১৮’-এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেশীয় মোটরসাইকেল শিল্পের প্রসার ঘটাতে এ নীতিমালা করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে মোটরসাইকেল আমদানি করতে না হয়। বাংলাদেশে বিদ্যমান মোটরসাইকেল সংযোজন শিল্পের পরিবর্তে বিশ্বমানের মোটরসাইকেল উৎপাদন কারখানা সৃষ্টির জন্য উৎসাহিত করা হবে, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে এ খাতে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি। নীতিমালায় মোটরসাইকেল খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান পাঁচ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে ১৫ লাখে উন্নীতের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নীতিমালার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, নতুন করে মোটরসাইকেল তৈরি বা সংযোজন যেটাই করা হোক না কেন, তা যেন দেশীয় শিল্প-কারখানার মাধ্যমে করা হয়, এটা নিশ্চিত করতেই এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতিমালার মাধ্যমে বাংলাদেশে যন্ত্রাংশ এনে মোটরসাইকেল তৈরির পরিবর্তে বিশ্বমানের কারখানা সৃষ্টির জন্য সংশ্লিষ্টদের উৎসাহিত করা হবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

শফিউল আলম বলেন, দেশে মোটরসাইকেল তৈরি করে তা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করা হবে। দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে পাঁচ লাখ ও ২০২৭ সালের মধ্যে ১০ লাখ মোটরসাইকেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জিডিপিতে এখন মোটরসাইকেল শিল্পের অবদান শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। ২০২৫ সাল নাগাদ এটিকে আড়াই শতাংশে উন্নীতের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মোটরসাইকেলের বাজার প্রতি বছরই বাড়ছে। ২০১৬ সালেই দেশে বিক্রি হয়েছে দুই লাখ মোটরসাইকেল। আর পরের বছর তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় চার লাখ।