অতিবেগুনি (ইউভি) রশ্মির সংস্পর্শ কমানো আপনার ত্বককে সুস্থ রাখতে এবং ভবিষ্যতে ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা কমাতে সাহায্য করতে পারে। বেশির ভাগ মানুষ যখন বাইরে সময় কাটায় তখন সূর্য থেকে আসা ইউভি রশ্মি ক্ষতি করে। সঠিক সানক্রিম ব্যবহার রোদে ত্বক পোড়া এড়াতে এবং ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
যাদের ঝুঁকি বেশি
যাদের গায়ের রঙ তুলনামূলক হালকা
যাদের সানবার্ন দ্রুত হয় বা সহজে লাল রঙ হয়ে যায় বা রোদে গেলে ত্বক জ্বালাপোড়া করে
যাদের চোখ নীল বা সবুজ রঙের
সোনালি বা লাল চুল
শরীরে তিলের সংখ্যা বাড়লে
বংশের কারো ত্বকের ক্যান্সার থাকলে
বয়স বেশি থাকলে
ঝুঁকি কমানোর উপায়
বেশির ভাগ স্কিন ক্যান্সারের কারণ হচ্ছে উচ্চমাত্রায় অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে আসা। অতিরিক্ত সূর্যালোকের কাছাকাছি না থাকা, ট্যানিং বেড ও সান ল্যাম্প ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে এ ঝুঁকি কমানো যায়। তবে কিছু ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করলে এ ঝুঁকি কমানো যায়। যেমন—
সরাসরি সূর্যের সংস্পর্শে না আসা
শুধু গ্রীষ্মকালেই না, সারা বছর অতিবেগেুনি রশ্মি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা, মেঘাচ্ছন্ন বা শীতের দিনেও অতিবেগেুনি রশ্মি ত্বকে প্রবেশ করতে পারে। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ইউভি রশ্মি শক্তিশালী থাকে। ত্বককে সুরক্ষিত রাখার বেশকিছু উপায় রয়েছে:
ছায়ার মধ্যে থাকা।
হাত ও পা সম্পূর্ণভাবে ঢেকে রাখে এমন পোশাক পরা
মাথায় এমন টুপি পরা যা রোদ থেকে মুখ, কান ও গলাকে সুরক্ষা দেয়।
রোদচশমা ব্যবহার করা
সানস্ক্রিন ব্যবহার করা। সানস্ক্রিন ব্যবহার করার ফলে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ত্বকে প্রবেশ করতে পারে না
ইনডোর ট্যানিং
ইনডোর ট্যানিং এমন একটি ডিভাইস ব্যবহার করে যা একটি প্রসাধনী ট্যান তৈরি করতে অতিবেগুনি বিকিরণ নির্গত করে। এটি একটি অনুভূমিক ট্যানিং বিছানা, যা একটি সানবেড বা সোলারিয়াম নামেও পরিচিত। কৃত্রিম এ সানবেড প্রাকৃতিক সূর্যরশ্মির তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি ইউভি-এ এবং ২ শতাংশ বেশি ইউভি-বি রশ্মি নির্গত হয়। ফলে ত্বকে ক্যান্সারের প্রবণতা থাকে অনেক বেশি। এছাড়া এর মাধ্যমে ত্বকে গুরুতর আঘাতেরও সৃষ্টি হতে পারে। ইনডোর ট্যানিং দুর্ঘটনায় প্রতি বছর তিন হাজারেরও বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সূত্র: সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)