বৃহস্পতিবার | নভেম্বর ২৬, ২০২০ | ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

বিশেষ সংখ্যা

সেবা খাত: নিম্ন আয়ের অনানুষ্ঠানিক প্রাধান্য

মো. আবদুল লতিফ মন্ডল

স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রায় পাঁচ দশকে গ্রামপ্রধান বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে রূপান্তর ঘটেছে। এ রূপান্তরে দেশের সব সরকারের কমবেশি অবদান রয়েছে। দেশের প্রধান খাদ্য চালের উৎপাদন স্বাধীনতা-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় তিন গুণের বেশি বাড়ায় যেমন ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বহুলাংশে কমেছে, তেমনি রাস্তাঘাট ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, পল্লী বিদ্যুতায়ন, সেলফোন সেবা, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা, ই-বাণিজ্য ও ইন্টারনেট সেবার বিস্তৃতি, উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বল্প সুদে সরকার/ব্যাংক থেকে ঋণপ্রাপ্তি, রেমিট্যান্সপ্রবাহ ইত্যাদি গ্রামীণ জনগণের অর্থনৈতিক ও সামজিক বৈশিষ্ট্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। এখন গ্রামের মানুষ, বিশেষ করে শ্রমশক্তির চূড়ামণি যুবকরা তাদের বাপ-দাদার পেশা কৃষি থেকে সরে এসে জিডিপি সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা সেবা খাতের দিকে ঝুঁকছে।

দেশের অর্থনীতিতে সেবা খাতে অন্তর্ভুক্ত কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যবসা, পরিবহন, টেলিকম, আর্থিক সেবা, রিয়েল এস্টেট, জনপ্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক, ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত সেবা। রিয়েল এস্টেট ছাড়া অন্য সব সেবা কার্যক্রম গ্রামে কমবেশি চালু রয়েছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রেখে চলেছে। সরকারি তথ্যে দেখা যায়, ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরে জিডিপিতে সেবা খাতের ৩০.১ শতাংশ অবদান বেড়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫৫.৫৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। 

সপ্তম পঞ্চমবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৫-২০) অনুযায়ী ব্যবসা হলো প্রধান সেবা কার্যক্রম, যা ১৯৭৪ ও ১৯৮০ সালের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বাড়ে এবং পরে গতিপ্রকৃতির ভিত্তিতে সামগ্রিক জিডিপির চেয়ে খানিকটা উচ্চতর গতিতে প্রসারিত হয়। গ্রামগঞ্জে যেসব ব্যবসা লাভজনক হয়ে উঠেছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিলারশিপ নিয়ে সার ও কীটনশক বিক্রি, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে স্থাপন করে চাকরি প্রার্থীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদান, বিবাহ রেজিস্ট্রেশন, ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র মেরামত, নানা রঙের কাপড়ের ব্যাগ তৈরি করে গ্রাম ও শহরে বিক্রি, বেকারি, শিক্ষিত যুবকদের প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর পশু চিকিৎসা, নার্সারি ইত্যাদি। তাছাড়া ‘উন্নয়নের চাবিকাঠি’ বিদ্যুত্প্রাপ্তির সহজলভ্যতা আলু সংরক্ষণের জন্য গ্রামে কোল্ড স্টোরেজ ছাড়াও পাটকল স্থাপনে ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ এলাকায় প্রশিক্ষিত তরুণ ও যুবকদের আত্মকর্মসংস্থামমূলক কাজে উদ্যোগী হতে সরকারি প্রণোদনাও অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। যেমন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি ও কৃষিসংশ্লিষ্ট উৎপাদন ও সেবা, ক্ষুদ্র ব্যবসা, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প ইত্যাদি খাতে গ্রামের দরিদ্র কৃষক, বিদেশ ফেরত প্রবাসী শ্রমিক এবং প্রশিক্ষিত তরুণ ও বেকার যুবাদের গ্রামীণ এলাকায় ব্যবসা ও আত্মকর্মসংস্থানমূলক কাজে স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণ সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ কাজে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মোট ২ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণের কথা রয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটেও গ্রামীণ যুবকসহ দেশের যুবকদের মধ্যে সব ধরনের ব্যবসা উদ্যোগ সৃষ্টির জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। তবে এ উদ্যোগ কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে তা জানা যায়নি।

সেবা খাতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উত্স হলো ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত সেবা। শহরের মতো ব্যাপক আকারে না হলেও গঞ্জে ও উপজেলা সদরে যেসব সেবার জন্য চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে জুতা মেরামতকারী, বিদ্যুৎ মিস্ত্রি, পানি মিস্ত্রি, দর্জি, গৃহকর্মী, সেলুনসহ আরো কিছু সেবা।

তৃতীয় প্রধান সেবা কাজ হলো পরিবহন, সংরক্ষক্ষণ ও যোগাযোগ। এ খাতের আওতাভুক্ত কার্যক্রমগুলো হলো স্থলপথ পরিবহন, পানিপথ পরিবহন, আকাশপথ পরিবহন, সহযোগী পরিবহন সেবা ও সংরক্ষণ এবং ডাক ও তার যোগাযোগ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপিতে এ খাতের অবদান ১১.১৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে বেশি অবদান হলো স্থলপথ পরিবহনের, যা মোট অবদানের ৭.০৯ শতাংশ। পানিপথ পরিবহন, আকাশপথ পরিবহন, সহযোগী পরিবহন সেবা ও সংরক্ষণ এবং ডাক ও তার যোগাযোগের অবদান যথাক্রমে ০.৭১, ০.১১, ০.৬৪ ও ২.৫৮ শতাংশ (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯)। গ্রামীণ রাস্তা পাকা বা আধা-পাকা হওয়া এবং আন্তঃজেলা পর্যায়ে রাস্তাঘাট উন্নত মানের হওয়ায় বাস, সিএনজিচালিত থ্রি-হুইলার, বিদ্যুৎ চালিত মোটর রিকশা ইত্যাদির চলাচল বহুগুণ বেড়ে গেছে। একসময় দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রধান যানবাহন গরুর গাড়ি উধাও হয়ে গেছে। এতে একদিকে যেমন যাতায়াতে সময় কমেছে, তেমনি অন্যদিকে বাসচালক ও কন্ডাক্টর এবং সিএনজিচালিত থ্রি-হুইলারের চালক গ্রাম থেকে আসায় বেড়েছে কর্মসংস্থান ও তাদের পারিবারিক আয়।

সরকার থেকে উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করায় একদিকে যেমন গ্রামের মানুষের চিকিৎসা গ্রহণ সহজ হয়েছে, তেমনি মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণকর্মী নিয়োগের মাধ্যমে গ্রামে কর্মসংস্থান বেড়েছে। মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মী যেমন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, পরিবার কল্যাণ সহকারী, ফার্মাসিস্ট প্রমুখের বেশির ভাগই স্থানীয়দের মধ্য থেকে নিয়োগ পান। এতে তাদের পরিবারে আয় বেড়েছে এবং পরিবারের অবস্থানে শ্রেণীগত পরিবর্তন ঘটেছে। তাছাড়া বেড়েছে ফার্মেসির সংখ্যা, যা জনগণের ওষুধ প্রাপ্তি সহজ করেছে। বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত হয়েছে রোগ নিরীক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, যেখানে ব্লাড সুগার, থাইরয়েডসহ সাধারণ রোগের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এতে গ্রামের মানুষের শহরে যাওয়ার সময় ও অর্থের সাশ্রয় হয়।

সরকারি ও মান্থলি পে অর্ডার (এমপিও) ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শহরের মতো গ্রামগঞ্জে ও উপজেলা সদরে বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রাইমারী পর্যায়ে বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে ওঠা কিন্ডারগার্টেন স্কুল অনেকাংশে সরকারি প্রাইমারি স্কুলের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছে উঠেছে। ধনী ও মধ্যবিত্তদের ছেলেমেয়েরা এসব কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়াশোনা করে। এসব কিন্ডারগারটেনে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও গ্রামে এটি একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। তাছাড়া শহরের মতো গ্রামেও এখন স্কুল পর্যায়ে প্রাইভেট কোচিং বিস্তার লাভ করেছে। দশম শ্রেণীর এসএসসি, অষ্টম শ্রেণীর জেএসসি ও পঞ্চম শ্রেণীর পিইসি পরীক্ষার্থীদের প্রাইভেট কোচিং এখন শিক্ষা ব্যবস্থার একটি অংশ হয়ে উঠেছে। কোচিং সেন্টারগুলোয় চলছে রমরমা ব্যবসা।

উপজেলা সদর ও গঞ্জে সরকার নিয়ন্ত্রিত এবং বেসরকারি ব্যাংক স্থাপিত হওয়ায় গ্রামের মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ী প্রবণতা গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থা তাদের সঞ্চয়ী প্রবণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে। গ্রামের যেসব পরিবারের পুরুষ ও নারী বিদেশে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ও মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মী হিসেবে কর্মরত, তাদের প্রেরিত অর্থ জমা হচ্ছে এসব ব্যাংকে। উল্লেখ্য, অর্থমন্ত্রীর দেয়া তথ্যনুিযায়ী বর্তমানে বিশ্বের ১৭৪টি দেশে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি অভিবাসী কর্মী কর্মরত রয়েছেন (অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতা ২০২০-২১)। বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পে কমবেশি ৫০ লাখ কর্মী নিয়োজিত। এদের সিংহভাগই গ্রামীণ নারী। এরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তাদের পরিবারের কাছে টাকা পাঠাচ্ছে। অভিবাসী ও তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত কর্মীদের প্রেরিত অর্থ সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর অভাবই শুধু দূর করছে না, অনেকের বাড়িতে খড়ের ঘরের জায়গায় উঠেছে আধা-পাকা ও টিনের ঘর। এসব পরিবারের অনেকের বাড়িতে টেলিভিশনসহ ইলেকট্রনিক সরঞ্জামাদির আগমন ঘটেছে। এসব পরিবারের শ্রেণীগত পরিবর্তনও ঘটেছে। অনেক গরিব পরিবার নিম্নবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চলের অনেক স্বল্প পরিমাণ জমির মালিক ও বর্গাচাষী, বিশেষ করে বোরো চাষের মাঝে রাজধানী ঢাকায় এসে কিছুদিন রিকশা চালিয়ে বাড়তি আয় করে এবং গ্রামে ফিরে তা শস্য উৎপাদনসহ পরিবারের অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর কাজে ব্যয় করে।

সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ড গ্রামীণ অর্থনীতির বিবর্তনে ভূমিকা রাখছে। গ্রামের নির্মল বায়ু ও শ্যামল-সবুজ পরিবেশে বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন জেলায় গ্রামাঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত চিত্তবিনোদন পার্কগুলো সব বয়সের মানুষের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে। বেসরকারি উদ্যোগে অনেক উপজেলা সদর পর্যায়ে গড়ে উঠেছে সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী। এগুলো গ্রামীণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরে ভূমিকা রাখছে। প্রান্তিক পর্যায়ে সংস্কৃতিচর্চাকে ছড়াতে সরকার সব উপজেলায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানা যায়। এ পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ১০০ উপজেলায় নির্মিত হবে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। জানা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রে অন্যান্যের মধ্যে থাকবে মিলনায়তন, মুক্ত মঞ্চ, সেমিনার কক্ষ, লাইব্রেরি এবং নাচ-গান, আবৃত্তি, নাটকসহ সংস্কৃতির নানা বিষয়ে প্রশিক্ষক্ষণের জন্য পৃথক পৃথক কক্ষ। এগুলো নির্মিত ও চালু হলে প্রান্তিক পর্যায়ে দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে বিরাট ভূমিকা রাখবে। 

গ্রামীণ অর্থনীতিতে সেবা খাত যে অবদান রাখছে তা নিতান্তই অপ্রতুল। এজন্য যেসব কারণকে চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে এক. গ্রামীণ সেবা খাতে এখনো অনানুষ্ঠানিক কার্যাবলির প্রাধান্য রয়ে গেছে, যার উৎপাদনশীলতা ও আয় উভয়ই কম। গ্রামীণ এলাকায় এ ধরনের নিম্নোৎপাদনশীল ও নিম্ন আয়ের অনানুষ্ঠানিক সেবায় কৃষি থেকে বেরিয়ে আসা বেশির ভাগ গরিব শ্রমিকই নিয়োজিত। দুই. গ্রামীণ সেবা খাতের দক্ষতা ভিত্তি নিম্ন। এ কারণেই সেখানে নিম্নোৎপাদনশীল ও নিম্ন আয়ের অনানুষ্ঠানিক প্রাধান্য বজায় রয়েছে। তিন. শ্রমসেবার রফতানি আয় থেকে আয় বেশ ভালো হলেও অন্যান্য সেবা থেকে রফতানি আয়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ গ্রামকে শহরে রূপান্তর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়েছে, প্রতি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধার সম্প্রসারণ করা হবে। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে শতকরা ৭০ ভাগ মানুষের আবাসস্থল গ্রামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। অর্থনৈতিক বৈষম্যে ভোগা অঞ্চলের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। গ্রামীণ সেবা খাতের উন্নয়নে চিহ্নিত বাধাগুলো দূরীকরণে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। জিডিপিতে জাতীয় পর্যায়ে সেবা খাতের অবদান প্রায় ৫৬ শতাংশ হলেও এতে গ্রামীণ সেবা কর্মকাণ্ডের অংশ খুব বেশি নয়। জাতীয় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় গ্রামীণ সেবা কর্মকাণ্ডের বিস্তার ও উন্নতি হলে তা জিডিপিতে জাতীয় পর্যায়ে সেবা খাতের অবদান আরো বাড়াতে সহায়ক হবে।

মো. আবদুল লতিফ মন্ডল: সাবেক সচিব