রবিবার| এপ্রিল ০৫, ২০২০| ২১চৈত্র১৪২৬

সংকেত

গেল সপ্তাহে প্রকাশিত

ঘোষিত লভ্যাংশ ও আর্থিক ফলাফল

ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড

 

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৬৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ৪০ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত) ৩১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৪৬ টাকা ১৭ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত) আগামী ২৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ এপ্রিল।

২০১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। ২০১৭ ও ২০১৬ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি।

 

বিজিআইসি

 

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিজিআইসি) আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৯ টাকা ৬৩ পয়সা। আগামী ২২ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডে অবস্থিত ঢাকা লেডিস ক্লাবে কোম্পানিটির ৩৫তম এজিএম আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ এপ্রিল।

২০১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় বিজিআইসি। ২০১৭ হিসাব বছরের জন্যও একই হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

 

ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড

 

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছে ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ৯ কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত) ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৮৭ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩১ টাকা ১০ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত) আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১০টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডে অবস্থিত ঢাকা লেডিস ক্লাবে কোম্পানিটির ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ এপ্রিল।

২০১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৭ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স। তার আগে ২০১৭ ও ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ১১ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

আসন্ন পর্ষদ সভা

ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড

 

ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা আজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে কোম্পানিটির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংক এশিয়ার সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৪ পয়সা। এ সময়ে ব্যাংকটির একক ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে সম্মিলিত ও একক ইপিএস ছিল যথাক্রমে ১ টাকা ৭৩ পয়সা ও ১ টাকা ৭৫ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির সম্মিলিত ও একক ইপিএস হয়েছে ৮৮ পয়সা করে, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল যথাক্রমে ৬৮ পয়সা ও ৭০ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৩৪ পয়সা, এককভাবে যা ২১ টাকা ৪৭ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংক এশিয়া। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সম্মিলিত ইপিএস ছিল ২ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা।

 

মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড

 

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের লভ্যাংশ নির্ধারণী পর্ষদ সভা আজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ৩৫ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৫৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬৬ পয়সা।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয় ৩ টাকা ৫৯ পয়সা, আগের হিসাব বছর যা ছিল ৩ টাকা ৭১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত) ৩১ ডিসেম্বর সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২২ টাকা ৯১ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২২ টাকা ৭৪ পয়সা।

 

এশিয়া ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড

 

এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ নির্ধারণী পর্ষদ সভা ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ২৮ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৭ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৮ টাকা ৭৬ পয়সা।

২০১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এশিয়া ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয় ১ টাকা ৪১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৮ টাকা ৫২ পয়সা। ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।

 

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড

 

ব্র্যাক ব্যাংকের লভ্যাংশ নির্ধারণী পর্ষদ সভা ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ২৩ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৭০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৬ পয়সা। ৩০ জুন ব্যাংকটির সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩১ টাকা ৩৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৬ টাকা ৪৫ পয়সা।

২০১৮ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয় ৫ টাকা ১৭ পয়সা। ২০১৭ হিসাব বছরে সম্মিলিত ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৮৬ পয়সা। সে হিসাব বছরে ২৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। এছাড়া ২০১৬ হিসাব বছরে ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশের পাশাপাশি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি।

 

ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড

 

ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এতে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে ব্যাংকটির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) সম্মিলিতভাবে ইস্টার্ন ব্যাংকের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ২২ কোটি ৯৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৯ কোটি ৯৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ সময়ে ব্যাংকটির এককভাবে নিট মুনাফা হয়েছে ২৩ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২১ কোটি ৭২ লাখ ২০ হাজার টাকা। আলোচ্য নয় মাসে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে সম্মিলিতভাবে ২ টাকা ৮৩ পয়সা ও এককভাবে ২ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে সম্মিলিত ও একক ইপিএস ছিল যথাক্রমে ২ টাকা ৪৬ পয়সা ও ২ টাকা ৬৮ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির নিট মুনাফা হয়েছে সম্মিলিতভাবে ৭১ টাকা ৫৯ পয়সা ও এককভাবে ৭৯ টাকা ৪৭ পয়সা। সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৮৮ পয়সা। একক ইপিএস ৯৮ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ইস্টার্ন ব্যাংকের এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে সম্মিলিতভাবে ২৯ টাকা ৮১ পয়সা ও এককভাবে ২৯ টাকা ৩২ পয়সা।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয় ইস্টার্ন ব্যাংক। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। সমাপ্ত হিসাব বছরে ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ২২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩১ টাকা ৬৭ পয়সা। ২০১৭ হিসাব বছরে ব্যাংকটি ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল।

 

উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড

 

উত্তরা ব্যাংকের লভ্যাংশ নির্ধারণী পর্ষদ সভা ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৫৬ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ২১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৫ টাকা ৫৩ পয়সা।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় উত্তরা ব্যাংক। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয় ৪ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮৩ পয়সা। ২০১৭, ২০১৬, ২০১৫ ও ২০১৪ হিসাব বছরে ২০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

 

এবি ব্যাংক লিমিটেড

 

এবি ব্যাংকের লভ্যাংশ নির্ধারণী পর্ষদ সভা ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪১ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৬৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩২ টাকা ৭ পয়সা।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি এবি ব্যাংক। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩১ টাকা ৫১ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ৩১ টাকা ৬৫ পয়সা। ২০১৭ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি এবি ব্যাংক। তার আগের তিন হিসাব বছরে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

 

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড

 

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের পর্ষদ সভা ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সভায় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে ব্যাংকটির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

সমাপ্ত হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৪৫ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১১ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৩৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যাংকটির সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৮৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৪ টাকা ৩০ পয়সা।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয় ১ টাকা ৪৪ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ১ টাকা ৪২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭ টাকা ১ পয়সা। ২০১৭ হিসাব বছরেও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা।

ঋণমান

ডিবিএইচ

 

ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফিন্যান্স করপোরেশন লিমিটেডের (ডিবিএইচ) ঋণমান দীর্ঘমেয়াদেট্রিপল এ ও স্বল্পমেয়াদেএসটি-ওয়ান। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিংয়ের পরিচালনা পর্ষদ। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ও বাকি ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৮২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত) ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৪১ টাকা ৩৬ পয়সা।

 

ইফাদ অটোজ লিমিটেড

 

ইফাদ অটোজ লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদেডাবল এ প্লাস ও স্বল্পমেয়াদেএসটি-ওয়ান। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত ও গত বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ব্যাংক দায়সহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)

২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইফাদ অটোজ। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৫৯ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৬ টাকা ২৭ পয়সা। হিসাব বছর শেষে এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৯ টাকা ১৮ পয়সা।

এদিকে চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৭ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময় ছিল ৩ টাকা ১৮ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৯৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা ৬১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ২৭ পয়সা।

 

এমএল ডায়িং লিমিটেড

 

এমএল ডায়িংয়ের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদেএ মাইনাস ও স্বল্পমেয়াদেএসটি-টু। ২০১৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও হালনাগাদ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে এমএল ডায়িং। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও বাকি ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩৯ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৫ টাকা ৫ পয়সা।

 

 

বিএসইসির কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত

ইসলামী ব্যাংকের ইউনিট ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন

 

বেমেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডক্যাপিটেক আইবিবিএল শরিয়াহ ইউনিট ফান্ড’-এর খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে বিএসইসি। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির ৭২২তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। ফান্ডটির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা দেবে উদ্যোক্তা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। বাকি ২১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সব ধরনের বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে উত্তোলন করা হবে। ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করবে ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে রয়েছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) লিমিটেড।

 

ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট বিধিমালার খসড়া অনুমোদন

 

৭২২তম কমিশন সভায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট) বিধিমালা, ২০২০-এর খসড়া অনুমোদন করেছে বিএসইসি। এ বিষয়ে জনমত জরিপের জন্য শিগগিরই খসড়াটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে।