শুক্রবার | সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০ | ১০ আশ্বিন ১৪২৭

সংকেত

গেল সপ্তাহে প্রকাশিত

আসন্ন পর্ষদ সভা

মতিন স্পিনিং মিলস লিমিটেড

 

মতিন স্পিনিংয়ের পর্ষদ সভা ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সভায় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মতিন স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫৯ পয়সা। এ হিসাবে প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে প্রায় ৭০ শতাংশ। ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৮ পয়সা (রিজার্ভ পুনর্মূল্যায়নের পর)

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে মতিন স্পিনিং। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ১০ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪২ টাকা ৯০ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৪৩ টাকা ৬৩ পয়সা।

সর্বশেষ রেটিং অনুযায়ী, মতিন স্পিনিংয়ের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদেডাবল এ মাইনাস ও স্বল্পমেয়াদেএসটি-থ্রি। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত ও চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)

 

দ্য পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেড

 

পেনিনসুলা চিটাগংয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভা ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এতে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পেনিনসুলা চিটাগংয়ের ইপিএস হয়েছে ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৮০ পয়সা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে পেনিনসুলা চিটাগং। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৭ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৬৩ পয়সা।

সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং অনুসারে দ্য পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেডের ঋণমানডাবল এ থ্রি। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির ব্যাংক দায়সহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ (সিআরএবি)

 

অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

 

অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদের সভা ২৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সভায় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা।

এদিকে সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ৯৬ পয়সা। ৩০ জুন প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩১ টাকা ৫৩ পয়সা। সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।

 

 

ঋণমান

আইটি কনসালট্যান্টস লিমিটেড

 

এনটিটি রেটিংয়ে আইটি কনসালট্যান্টস লিমিটেডের অবস্থানএ টু। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকঋণের হিসাব ও হালনাগাদ প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)

চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আইটি কনসালট্যান্টস লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে যা ছিল ২৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪৬ পয়সা। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে আইটি কনসালট্যান্টস। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত) ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ২৭ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৪ টাকা ৬৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)

 

 

বিএসইসির কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত

ইসলামিক ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড

 

ইসলামিক ফিন্যান্সের ৩০০ কোটি টাকার বন্ড প্রস্তাবনায় অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির ৭১৪তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

ইসলামিক ফিন্যান্সের বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হলো, এটি নন-কনভার্টিবল, ফুললি রিডিমেবল, আনসিকিউরড ও অতালিকাভুক্ত মুদারাবা সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। মেয়াদি এ বন্ড সাত বছরে পূর্ণ অবসায়ন হবে। বন্ডটি বিভিন্ন ব্যাংক, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীর কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। এ বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ইসলামিক ফিন্যান্স বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ পরিশোধ ও বিভিন্ন খাতে ব্যয় করবে।

বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ২৫ লাখ টাকা। এ বন্ডের ট্রাস্টি হিসেবে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসেবে কাজ করবে ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

 

সাইবার সিকিউরিটি গাইডলাইনস অনুমোদিত

 

৭১৪তম কমিশন সভায় দেশের পুঁজিবাজারের জন্য সাইবার সুরক্ষাসংক্রান্ত গাইডলাইনের অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি।সাইবার সিকিউরিটি গাইডলাইনস ফর ক্যাপিটাল মার্কেট ইন বাংলাদেশ শীর্ষক এ বিধিমালায় কিছু সংশোধন ও পরিবর্তনসাপেক্ষে এতে অনুমোদন দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

 

স্টক ব্রোকার ও ডিলারদের সঞ্চিতি সংরক্ষণের মেয়াদ বেড়েছে

 

গ্রাহকের মার্জিন ঋণ হিসাবের পুনর্মূল্যায়নজনিত অনাদায়ী ক্ষতির বিপরীতে স্টক ব্রোকার ও ডিলারদের সঞ্চিতি সংরক্ষণসংক্রান্ত ঐচ্ছিক সুবিধার মেয়াদ ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বিএসইসি। ৭১৪তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিএসইসি জানিয়েছে, স্টক ব্রোকার ও ডিলারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সঞ্চিতি সংরক্ষণের সময়সীমা অতিরিক্ত দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে সপ্তম দফায় এ মেয়াদ বাড়াল বিএসইসি। ২০১০ সালের পুঁজিবাজার ধসে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ সুবিধা দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। ধসের পর আট বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এ কারণে আরো দুই বছরের জন্য সঞ্চিতি সংরক্ষণের মেয়াদ বাড়াল কমিশন।

 

কাট অফ প্রাইস নির্ধারণে বিডিংয়ের অনুমোদন পেয়েছে ওয়ালটন

 

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহে শেয়ারের কাট অফ প্রাইস বা প্রান্তসীমা নির্ধারণে বিডিংয়ের অনুমোদন পেয়েছে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। বিএসইসির ৭১৪তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও আইপিও খরচ নির্বাহ করবে।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী অনুসারে, পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ কোম্পানিটির এনএভিপিএস ২৪৩ টাকা ১৬ পয়সা, পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতি ছাড়া যা ১৩৮ টাকা ৫৩ পয়সা। গত পাঁচ বছরে কর-পরবর্তী নিট মুনাফার ভারিত গড় হারে কোম্পানিটির ইপিএস ২৮ টাকা ৪২ পয়সা।

গত বছরের ১৬ জানুয়ারি আইপিওতে আসার কারণ এবং কোম্পানির আর্থিক ও ব্যবসায়িক নানা দিক তুলে ধরতে রোড শোর আয়োজন করে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত ১০০ কোটি টাকার মধ্যে কোম্পানিটি ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিএমআরই, ৩৩ কোটি টাকা ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও সাড়ে ৪ কোটি টাকা আইপিও প্রক্রিয়ার ব্যয় নির্বাহ খাতে খরচ করবে। কোম্পানিটির ব্যবসা সম্প্রসারণ প্রকল্পে মোট ৬৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে আইপিও থেকে ৬২ কোটি ৫০ লাখ, নিজস্ব অর্থায়নে ২৭৭ কোটি ৫০ লাখ ও জার্মানির আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডিইজির কাছ থেকে ঋণ হিসেবে ৩৪০ কোটি টাকা সংস্থান করা হবে।

আইপিও প্রসপেক্টাস অনুসারে, কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছর শেষে ওয়ালটনের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা। দীর্ঘমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ৭২৪ কোটি টাকা ও স্বল্পমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ৭৮০ কোটি টাকা।

 

 

ইজিএম

হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড

 

হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী মেঘনা এনার্জি লিমিটেডকে একীভূতকরণের বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন গ্রহণের জন্য আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। সম্প্রতি সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির ২৫০তম পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মেঘনা এনার্জিকে একীভূতকরণের খসড়া স্কিমে বাংলাদেশ ব্যাংক ও কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন পাওয়ার পর শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে ইজিএম আয়োজনের নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্ট বরাবর আবেদন করে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট। এরই পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট কোম্পানিটিকে ইজিএম আহ্বানের নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তারাবোয় কোম্পানির ফ্যাক্টরি অফিসে ইজিএম আয়োজন করবে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ জানুয়ারি।

গত বছরের জানুয়ারিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহকারী কোম্পানি মেঘনা এনার্জি লিমিটেডকে একীভূত করার অনুমতি পায় হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ। মেঘনা এনার্জির ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার প্রিমিয়ামসহ ৯১ কোটি ৭ লাখ টাকায় কিনে নিতে হাইডেলবার্গের প্রস্তাবে সম্মতি জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মেঘনা এনার্জির ৪০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৭টি বা ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার ১০০ টাকা অভিহিত মূল্য ও ১২৪ টাকা ৫২ পয়সা প্রিমিয়ামে কেনার পরিকল্পনা অনুমোদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। উল্লিখিত শেয়ারের দাম হিসেবে মোট ৯১ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার ২২০ টাকা পরিশোধ করতে হবে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট কোম্পানিটিকে।

 

 

কোম্পানির মূলধন পরিকল্পনা ও ব্যবসা সম্প্রসারণ

এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

 

আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত তহবিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে পারেনি বস্ত্র খাতের কোম্পানি এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এজন্য সম্প্রতি কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিয়ে আইপিও তহবিল ব্যবহারের সময়সীমা আরো নয় মাস, অর্থাৎ চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

এসকে ট্রিমসের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন নির্মাণের কাজ শেষ করতে না পারায় যন্ত্রপাতি আনা সম্ভব হয়নি। তাই আইপিওর অর্থও ব্যয় করা যায়নি। এখন ভবনের কাজ প্রায় শেষ দিকে। এ মাসের মধ্যেই যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এলসি খোলা সম্ভব হবে। নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় সর্বশেষ এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিয়ে আইপিও তহবিল ব্যবহারের সময় নয় মাস বাড়ানো হয়েছে।

এসকে ট্রিমসের আইপিও তহবিল ব্যবহারের বিষয়ে নিরীক্ষক আর্টিসান চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৮ সালের ১৪ জুন আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত ৩০ কোটি টাকা কোম্পানিটির হাতে আসে। প্রসপেক্টাসে আইপিওর অর্থ হাতে পাওয়ার ১৮ মাসের মধ্যে তা ব্যবহারের কথা জানিয়েছিল কোম্পানিটি। সে হিসাবে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে আইপিওর অর্থ ব্যয় করার সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। কিন্তু গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটি আইপিও তহবিলের ১৩ কোটি ৯৫ লাখ ৪১ হাজার ৬৬৫ টাকা ব্যয় করেছে। অব্যবহূত রয়েছে ১৬ কোটি ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৩৩৫ টাকা। এর মধ্যে যন্ত্রপাতি বাবদ বরাদ্দকৃত ১২ কোটি ৭২ লাখ ৬৭ হাজার ৯৭২ টাকার পুরোটাই অব্যবহূত রয়েছে। আর ভবন নির্মাণ বাবদ বরাদ্দকৃত ১৪ কোটি ৮৯ লাখ ১২ হাজার ২৮ টাকার মধ্যে ২০ দশমিক ৩১ শতাংশ বা ৩ কোটি ২ লাখ ৪১ হাজার ২৮ টাকা এখনো ব্যয় করা হয়নি। এছাড়া আইপিওর খরচ খাতে বরাদ্দকৃত ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকার মধ্যে ১২ দশমিক ৩৮ শতাংশ অর্থ এখনো অব্যবহূত রয়েছে।

 

ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড

 

আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত ২০ কোটি টাকার মধ্যে ৫ কোটি ৮৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা কারখানা, প্রশাসনিক ভবন, গুদাম ও গ্যারেজ নির্মাণ খাতে ব্যয়ের প্রাথমিক পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস। বরং এ টাকা কোম্পানিটি যন্ত্রাংশ কেনার কাজে ব্যয় করবে। সম্প্রতি ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের পঞ্চম এজিএমে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ এ প্রস্তাবনা উত্থাপন করলে শেয়ারহোল্ডাররা সর্বসম্মতিক্রমে তাতে অনুমোদন দেন।

২০১৭ সালের ৩ অক্টোবর বিএসইসির ৬১৩তম কমিশন সভায় আইপিওর মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনমোদন পায় ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস। এর মধ্যে কারখানা, প্রশাসনিক ভবন, গুদাম ও গ্যারেজ নির্মাণ খাতে ৫ কোটি ৮৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছাড়াও যন্ত্রপাতি আমদানি ও স্থাপনে ১২ কোটি ৪৭ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং আইপিও খরচ খাতে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা ছিল কোম্পানিটির।

 

আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লিমিটেড

 

আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৫০ কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। এ লক্ষ্যে কোম্পানিটির সংঘস্মারক ও সংঘবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায়ও পরিবর্তন আনবে তারা। প্রতিষ্ঠানটির আসন্ন এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনসাপেক্ষে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন ১৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৪৫ লাখ ২০ হাজার। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে ৩৫ দশমিক ৩২, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৯০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ৪৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।