রবিবার | আগস্ট ১৪, ২০২২ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯  

স্বাস্থ্যযত্ন

ডায়াবেটিস প্রতিরোধের উপায় খাদ্যাভ্যাসে

ফিচার ডেস্ক

দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা। আক্রান্তদের সিংহভাগই রোগটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। তার মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে রোগীরা সঠিকভাবে খাবার না খাওয়া এবং কোন খাবারটি খাবেন বা খাবেন না, সেটি সম্পর্কে ধারণা না থাকা। ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হলে শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যেতে থাকে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তবেই রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি বিভিন্ন ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শসায় রয়েছে মাত্র ১৪ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স। যা মানবদেহে ইনসুলিন তৈরিতে সহায়তা করে। গাজরে গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ রয়েছে মাত্র ১৬। ডায়াবেটিস রোগীর প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ব্রকোলি রাখতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এতে রয়েছে আয়রন, ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামসহ একাধিক পুষ্টি উপাদান।

ঝুলন্ত সবজি করোলা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী খাবার। রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত করোলা খেতে পারেন।

বিষয়ে ডায়েট অ্যান্ড নিউট্রিশনিস্ট বিশেষজ্ঞ আয়েশা সিদ্দিকা বণিক বার্তাকে বলেন, ঝুলন্ত সব ধরনের সবজি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। যেমন লাউ, শসা, ঝিঙ্গা, পটল, চালকুমড়া, করোলা ইত্যাদি। এগুলো প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা উত্তম। এছাড়া মাটির একটু ওপরে কিছু সবজি রয়েছে এগুলো খেলেও উপকার রয়েছে। যেমন ক্যাপসিকাম, মটরশুঁটি, বাঁধাকপি, টমেটো, ঢেঁড়স, ব্রকোলি ইত্যাদি। এসব সবজি সপ্তাহে দুই একদিনের বেশি না রাখা ভালো। পাশাপাশি রয়েছে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য কয়েক রকমের শাক। যেগুলো খেলে নিয়ন্ত্রণে আসবে ডায়াবেটিস। তাছাড়া মাটির নিচের কিছু সবজি রয়েছে যেগুলো মাসে দুই একবার খাওয়া যেতে পারে। যেমন আলু, লতি ইত্যাদি।

তিনি বলেন, এখন অনেক মৌসুমি ফল পাওয়া যাচ্ছে। যেগুলো ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। রোগীদের ডায়াবেটিসের অবস্থা অনুযায়ী এসব ফল খেতে হবে। ফিচার ডেস্ক

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন