শুক্রবার | আগস্ট ১২, ২০২২ | ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯  

শেষ পাতা

গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকা

ভবিষ্যতে অতিবৃষ্টি ও বন্যার প্রাদুর্ভাব আরো বাড়বে

বণিক বার্তা ডেস্ক

ভয়াবহ বন্যায় মারাত্মক এক মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে সিলেট বিভাগভুক্ত জেলাগুলো। বন্যার ভোগান্তি এখন দেশের অন্যান্য স্থানেও। শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতেও মারাত্মক বন্যার কারণ হয়ে উঠেছে আসাম-মেঘালয়ের বৃষ্টিপাত পাহাড়ি ঢল। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, আগামী দিনগুলোয় ভয়াবহ এমন বন্যার পুনরাবৃত্তি দেখা যাবে বারবার। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি গবেষণায় এর সপক্ষে প্রমাণও মিলেছে।

এসব গবেষণার প্রতিটিরই ফলাফলে উঠে এসেছে, জলবায়ু পরিবর্তন বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অভিঘাতে সামনের বছরগুলোয় গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা (জিবিএম) অববাহিকা অঞ্চলে অতিবৃষ্টি বন্যার মাত্রা বাড়বে। প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলটির মানুষের ভোগান্তি বাড়ার পাশাপাশি বাড়বে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও।

যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া চীনের কয়েকজন বিজ্ঞানী সম্প্রতি ব্রহ্মপুত্র নদসংলগ্ন মরা গাছের বলিরেখা নিয়ে গবেষণা চালান। এতে পাওয়া তথ্যগুলোকে নদীর তলদেশের পানিপ্রবাহের তথ্য জলবায়ু মডেলভিত্তিক প্রক্ষেপণের সঙ্গে বিশ্লেষণ করে দেখা হয়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ব্রহ্মপুত্র নদের গত ৭০০ বছরের পানিপ্রবাহের গতিপ্রকৃতি জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। একই সঙ্গে এর ভিত্তিতে নদীটির ভবিষ্যৎ পানিপ্রবাহ আঞ্চলিক জলবায়ু নিয়েও প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।

গবেষণায় উঠে আসে, অতীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পানিপ্রবাহের মাত্রা ছিল এখনকার চেয়ে বেশি। জলবায়ু পরিবর্তন উষ্ণায়নের কারণে নদটিতে পানির প্রবাহ সামনের দিনগুলোয় আরো বাড়বে। নদসংলগ্ন এলাকাটিকে গত সাত শতকে বেশ কয়েকবার দীর্ঘ সময় ধরে শুষ্ক মৌসুম খরার মোকাবেলা করতে হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে শুষ্কতম সময়গুলোর অন্যতম হলো ১৯৫৬ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত তিন দশক। নদের তলদেশের পানিপ্রবাহের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ১৯৫০ সালের আগে এখান দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে তুলনামূলক বেশি। আবার সামনের দিনগুলোয় ব্রহ্মপুত্রের ঢলজনিত বন্যার ঝুঁকি বাড়তে যাচ্ছে এখনকার চেয়ে দেড় গুণ। সে হিসেবে নদের অববাহিকা অঞ্চলটিতে আরো ঘন ঘন বন্যার প্রাদুর্ভাব দেখা দেবে।

এতে আরো বলা হয়, গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ অব্যাহত থাকায় সামনের দিনগুলোয় ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা এলাকায় মৌসুমি বৃষ্টিপাতের মাত্রা অনেক বাড়বে। প্রায়ই তা রূপ নিতে পারে অতিবৃষ্টিপাতে, যা অঞ্চলটিতে বন্যার ঝুঁকি বাড়াতে যাচ্ছে। এলাকাটিকে আরো নাজুক অবস্থানের দিকে ঢেলে দিচ্ছে আঞ্চলিক নগরায়ণ, ভূমি ব্যবহার, জনঘনত্ব অন্যান্য আর্থসামাজিক প্রভাবক। ঝুঁকি মোকাবেলা করতে হলে কার্যকর নীতিমালা গ্রহণের পাশাপাশি এর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ঐতিহাসিক জলবায়ু মডেল তৈরি ভবিষ্যৎ প্রক্ষেপণের জন্য অন্যতম কার্যকর পন্থা হলো গাছের বলিরেখা বিশ্লেষণ। কাষ্ঠল বৃক্ষগুলো বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে প্রতি বছরই এর কাণ্ডের নতুন স্তর তৈরি হয়। স্থানীয় আবহাওয়া জলবায়ু স্তরগুলোর গঠনে ভূমিকা রাখে। পুরনো স্তরের কিনারগুলো নতুন স্তরের নিচে অনেকটা বলিরেখার মতো থেকে যায়। এসব বলিরেখা বিশ্লেষণের মাধ্যমে গাছের বয়স জলবায়ুর ইতিহাস পঠনের বিদ্যাকে বলা হয় ডেনড্রোক্রোনলজি।

বাংলাদেশের উজানে পূর্ব হিমালয় দক্ষিণ তিব্বতীয় মালভূমি অঞ্চলভুক্ত এলাকাগুলোয় যেসব বছরে মৌসুমি বৃষ্টিপাত বেশি হয়, সেসব বছর আবহাওয়া বেশ আর্দ্র থাকে। যেসব বছর আর্দ্রতা বেশি থাকে, সেসব বছর গাছের কাণ্ডে যুক্ত হওয়া নতুন স্তর বা বলয় বেশ হূষ্টপুষ্ট হয়। অন্যদিকে খরা বা কম বৃষ্টির বছরগুলোয় যুক্ত হওয়া বলয় বা স্তর একটু শীর্ণ প্রকৃতির হয়। ব্রহ্মপুত্র নদের জলপ্রবাহের অন্যতম প্রধান প্রভাবক হলো মৌসুমি বৃষ্টিপাত। নদের তটরেখায় অনেক শতবর্ষী বা তার চেয়েও বেশি বয়সী গাছের উপস্থিতি দেখা যায়। এসব গাছের বা গাছের দেহাবশেষ থেকে উদ্ধারকৃত কাণ্ডের বলিরেখা বিশ্লেষণের মাধ্যমে নদীর জলপ্রবাহ বৃষ্টিবহুল বা খরার বছরগুলোর তথ্য নির্ণয় করেছেন বিজ্ঞানীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ল্যামন্ট-ডোহারটি আর্থ অবজারভেটরির বিশেষজ্ঞ মুকুন্দ পালাত রাও, নাসা গডার্ড ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজ এবং কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ল্যামন্ট-ডোহারটি আর্থ অবজারভেটরির বিশেষজ্ঞ বেঞ্জামিন আই কুক যৌথভাবে গবেষণাটি পরিচালনা করেন।

ব্রহ্মপুত্রের উত্পত্তি দক্ষিণ তিব্বতের মানস সরোবরে। উত্পত্তিস্থল থেকে পূর্বে বহুদূর প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণ দিকে বাঁক নিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রবেশ করেছে নদটি। সেখান থেকে পশ্চিমে অনেকদূর এসে আবারো দক্ষিণে বাঁক নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ব্রহ্মপুত্র। এখানে এসে তিস্তার সঙ্গে মিলিত হয়ে তা প্রবাহিত হয়েছে যমুনা নদী নামে। প্রবাহ পরে পদ্মা মেঘনার সঙ্গে মিশে গিয়ে জন্ম দিয়েছে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম নদী ব্যবস্থা, যা পরিচিত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা (জিবিএম) নদী ব্যবস্থা নামে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় হিমালয় পর্বতমালার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার দক্ষিণাংশে অতিবৃষ্টির কারণে জিবিএম অববাহিকা অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এসব বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে। প্রাণহানি, ফসলহানি, গবাদিপশুর মৃত্যুর পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত হয়েছে অনেক মানুষ। ১৯৯৮ সালের বন্যায় বাংলাদেশের প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল। নানা মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কোটি ১০ লাখ মানুষ। মৃত্যু হয়েছে সহস্রাধিকের। ওই বন্যার কারণে দেশের আর্থিক ক্ষতি হয়েছিল প্রায় ২৫০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। ওই বছরের বন্যার পেছনেও প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল অতিবৃষ্টি পাহাড়ি ঢলকে। ২০২০ সালে সাইক্লোন আম্পান অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় বাংলাদেশের অন্তত এক-চতুর্থাংশ এলাকা নানা মাত্রায় প্লাবিত হয়ে পড়েছিল। ওই সময় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ৫০ লাখ মানুষ।

সামনের দিনগুলোয় জিবিএম অববাহিকায় ধরনের ভয়াবহ বন্যা অতিবৃষ্টির মাত্রা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিজ্ঞানীরা। ব্রহ্মপুত্র অঞ্চলের গাছের বলিরেখাভিত্তিক গবেষণাটি ছাড়া অন্যান্য আরো বেশকিছু গবেষণায় তাদের আশঙ্কার সপক্ষে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

গত বছর প্রকাশিত এমন আরেকটি গবেষণায়ও ঠিক একই কথা উঠে এসেছিল। উপমহাদেশে গত লাখ বছরের মৌসুমি বৃষ্টিপাতের মাত্রা বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের উপস্থিতি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির মাত্রা অনেকখানি বেড়ে যাবে। মৌসুমি বৃষ্টিপাতের মাত্রা বৃদ্ধির কারণে দেখা দেবে ফসলহানি, বন্যাসহ আরো অনেক বিপর্যয়।

গবেষণায় জিবিএম অববাহিকাসহ উপমহাদেশের বৃষ্টিবহুল এলাকাগুলোয় মৌসুমি বৃষ্টিপাতের মাত্রার সঙ্গে এখানকার বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের উপস্থিতির যোগসূত্র রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, শুরু থেকেই অনেক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়েছে উপমহাদেশের জলবায়ু। লাখ বছর ধরে এখানে মৌসুমি বৃষ্টিপাতের মাত্রা অনেকটাই নির্ভর করেছে বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের উপস্থিতি, পৃথিবীতে বরফের উপস্থিতি, আবহাওয়ার আর্দ্রতা, ভারত মহাসাগর থেকে ভেসে আসা আর্দ্রতা দক্ষিণ গোলার্ধের ভূগঠনের ওপর। এর ভিত্তিতে সম্ভাব্য জলবায়ু মডেল তৈরি করে দেখা গিয়েছে, বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সামনের দিনগুলোয় জিবিএম অববাহিকাসহ গোটা উপমহাদেশেই মৌসুমি বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডি ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওসায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক স্টিফেন ক্লিমেন্সের নেতৃত্বে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। সায়েন্স অ্যাডভান্সেস জার্নালে এর ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা গত লাখ বছরের বিভিন্ন সময়ে অঞ্চলে মৌসুমি বৃষ্টিপাতের পরিমাণের হেরফের বিশ্লেষণ করে দেখেন। একই সঙ্গে তারা সময় বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড পৃথিবীতে বরফের উপস্থিতি এবং ভারত মহাসাগর থেকে ভেসে আসা আর্দ্রতার মাত্রাও বিশ্লেষণ করে দেখেন। বিশ্লেষণে দক্ষিণ এশিয়ায় মৌসুমি বৃষ্টিপাতের মাত্রার সঙ্গে আবহাওয়াগত এসব উপাদানের সংযোগ খুঁজে পান বিজ্ঞানীরা।

প্রতি বছর উপমহাদেশের মৌসুমি বায়ুজনিত বৃষ্টির পানির বড় একটি অংশ এসে জমা হয় বঙ্গোপসাগরে। ভূ-উপরিভাগ থেকে আসা পানি সাগরের নোনাপানির সঙ্গে মিশে তুলনামূলক পাতলা একটি স্তর তৈরি করে। পাতলা স্তর থাকে সাগরের উপরিভাগে। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি লবণাক্ততা ঘনত্বের পানি থাকে তলদেশে। সাগরের পানিতে প্ল্যাংটোনিক ফোরামিনিফেরা নামে এক ধরনের অতিক্ষুদ্র অণুজীব পাওয়া যায়। পানি থেকে নেয়া পুষ্টিকে কাজে লাগিয়ে এসব অণুজীবের দেহে একধরনের খোলস তৈরি হয়। খোলসের প্রধান উপাদান হলো ক্যালসিয়াম কার্বনেট। অণুজীবটির মৃত্যুর পর খোলস ডুবে যায় এবং তলদেশের পলিতে আটকা পড়ে। এসব পলির নমুনা সংগ্রহের জন্য স্টিফেন ক্লিমেন্স তার সহযোগীরা ২০১৪ সালের নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে গবেষণা জাহাজ জয়েডস রিসলিউশনে চড়ে অনুসন্ধান চালান।

এসব পলির নমুনা থেকে বিজ্ঞানীরা শুরুতে অণুজীবগুলোর ফসিল সংগ্রহ করেন। এরপর এগুলোর অক্সিজেন আইসোটোপ বিশ্লেষণ করে দেখা হয়। এটি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তাদের পক্ষে অনুমান করা সম্ভব হয় জীবিতাবস্থায় এসব অণুজীব কতটা নোনা ঘন পানিতে বসবাস করেছে। লবণাক্ততা নির্ণয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞানীদের পক্ষে বিভিন্ন সময়ে ঘটা বৃষ্টিপাতের মাত্রা সম্পর্কেও জানা সম্ভব হয়।

ফোরামিনিফেরা ছাড়াও বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন সম্পর্কিত তথ্য যাচাইয়ের জন্য মূল ভূখণ্ড থেকে সাগরের তলদেশে এসে পড়া পলিতে আটকে থাকা উদ্ভিদ বা উদ্ভিদকণার জীবাশ্মের কার্বন বিশ্লেষণ করা হয়। এসব বিশ্লেষণের মাধ্যমে অঞ্চলে সময়ে সময়ে ঘটে যাওয়া বৃষ্টিপাতের মাত্রার পরিবর্তন সম্পর্কিত তথ্য বের করা হয়। এর সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গবেষণায় পাওয়া জলবায়ুগত পরিবর্তনের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে মৌসুমি বৃষ্টিপাতের মাত্রায় হেরফেরের মূল অনুঘটকগুলোকে চিহ্নিত করা হয়।

গবেষকরা দেখতে পান, বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রাবৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী বরফের পরিমাণ হ্রাসের ধারাবাহিকতায় মৌসুমি বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বেড়েছে। এছাড়া পৃথিবীর কক্ষপথে সাময়িক পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন গোলার্ধে সূর্যরশ্মির তীব্রতায়ও পরিবর্তন এসেছে। বিষয়ে তাদের বক্তব্য হলো উষ্ণায়িত পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের পরিমাণও হয় বেশি। বর্তমানে উপমহাদেশের যেসব এলাকায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়, সেগুলোয় ভবিষ্যতে বৃষ্টিপাত হবে আরো বেশি।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন