শুক্রবার | আগস্ট ১২, ২০২২ | ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯  

পণ্যবাজার

টানা ১১ মাসের মতো কমল ইস্পাতের বৈশ্বিক উৎপাদন

বণিক বার্তা ডেস্ক

অব্যাহতভাবে উৎপাদন কমতে থাকায় সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কায় ইস্পাতের বৈশ্বিক বাজার। সর্বশেষ গত মাসে শিল্প ধাতুটির বৈশ্বিক উৎপাদন ১১ মাসের মতো কমেছে। শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে নয়টিরই উৎপাদন ছিল নিম্নমুখী। এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে চীন। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড স্টিল অ্যাসোসিয়েশনের এক প্রতিবেদনে তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, ওই মাসে একমাত্র ভারতই ছিল ব্যতিক্রম। দেশটির অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন ১৭ দশমিক শতাংশ বেড়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে কোটি লাখ টনে।

৬৪টি শীর্ষ দেশের উৎপাদন নিয়ে প্রতি মাসেই প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়ার্ল্ড স্টিল। বৈশ্বিক উৎপাদনের ৮৫ শতাংশই আসে এসব দেশ থেকে। গত মাসের এসব দেশের উৎপাদন ২০২১ সালের একই সময়ের তুলনায় দশমিক শতাংশ কমেছে। মোট উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৯৫ লাখ টনে। তবে এপ্রিলের তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে। ওই মাসে বৈশ্বিক উৎপাদনের পরিমাণ ১৬ কোটি ২৭ লাখ টন।

অপরিশোধিত ইস্পাতের বৈশ্বিক উৎপাদন গত বছরের জুলাই থেকেই কমছে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে চীন। তথ্য বলছে, বৈশ্বিক ইস্পাত উৎপাদনের ৫০ শতাংশই আসে চীন থেকে। কিন্তু গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিক থেকে দেশটির উৎপাদন অব্যাহত কমছে। সর্বশেষ ইস্পাতের বৈশ্বিক উৎপাদন গত বছরের জুনে ১১ শতাংশ বেড়েছিল।

এদিকে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ইস্পাতের বৈশ্বিক উৎপাদন দশমিক শতাংশ কমেছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৯ কোটি ১৮ লাখ টনে। এটি বছরের প্রথম চার মাসের তুলনায় কিছুটা ভালো। কারণ জানুয়ারি-এপ্রিল পর্যন্ত উৎপাদন দশমিক শতাংশ কমে গিয়েছিল।

ওয়ার্ল্ড স্টিল জানায়, গত মাসে চীনে ইস্পাত উৎপাদন কোটি ৯৫ লাখ টন থেকে কমে কোটি ৬৬ লাখ টনে নেমেছে। জানুয়ারি-মে পর্যন্ত দেশটির উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টনে। গত বছরের একই সময় দেশটি উৎপাদন করেছিল ৪৭ কোটি ৩১ লাখ টন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে উৎপাদন দশমিক শতাংশ কমেছে। বছর উৎপাদন কমার পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে কভিডের চতুর্থ ঢেউ এবং তা প্রতিরোধে আরোপিত কঠোর লকডাউন।

যদিও মাসভিত্তিক উৎপাদনের দিক থেকে চীনের উৎপাদন বাড়ছে। জানুয়ারিতে দেশটি কোটি ১৭ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে কোটি ৩০ লাখ, মার্চে কোটি ৮৩ লাখ এপ্রিলে কোটি ২৮ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন করেছে। চলতি মাসে উৎপাদন আরো বাড়তে পারে। কারণ বেইজিং গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো থেকে লকডাউন উঠিয়ে নিয়েছে।

দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ভারত জানুয়ারিতে কোটি লাখ, ফেব্রুয়ারিতে কোটি লাখ, মার্চে কোটি লাখ এপ্রিলে কোটি লাখ টন অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন করে। অর্থাৎ মাসভিত্তিক উৎপাদনে উত্থান-পতন অব্যাহত ছিল। বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ভারতের উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক শতাংশ বেড়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে কোটি ৩২ লাখ টনে।

অন্য দেশগুলোর মধ্যে জাপানে দশমিক শতাংশ কমে ৮১ লাখ টন, যুক্তরাষ্ট্রে দশমিক শতাংশ কমে ৭২ লাখ রাশিয়ায় দশমিক শতাংশ কমে ৬৪ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন