শনিবার | আগস্ট ১৩, ২০২২ | ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯  

খবর

মাদারীপুরে প্রস্তুত প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল

নিজস্ব প্রতিবেদক

বহুল আকাঙ্খিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন আগামীকাল শনিবার। এ উপলক্ষ্যে দুপু‌রে মাদারীপুরে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জনসভাকে কেন্দ্র জনসভাস্থলের সকল প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে।

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী এলাকায় জনসভাটি অনুষ্ঠিত হবে। পদ্মা নদীর পাড়ে তৈরি করা হয়েছে সভামঞ্চ।  সেটিও করা হয়েছে পদ্মা সেতুর আদলে। ১১টি পিলারের ওপর ১০টি স্প্যান বসিয়ে ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪০ ফুট প্রস্থের মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে জনসভাস্থল। সভামঞ্চের পাশেই তৈরি করা হয়েছে তিনটি অস্থায়ী হাসপাতাল। আগত মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এছাড়া রয়েছে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। 

জনসভার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে স্মরণকালে ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল। শেখ হাসিনাকে বরণ করার জন্য আমাদের সকল আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। 

তিনি বলেন, পদ্মাসেতুর উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশী বিদেশী সকল ষড়যেন্ত্রর মুখোশ উন্মোচিত হবে এবং নিজস্ব অর্থায়নে এই সেতু নির্মানে আমাদের নেত্রীর যে চ্যালেঞ্জ ছিল তার বিজয় হবে। আমরা সেই বিজয় উৎসবই পালন করতে যাচ্ছি। এই সেতু বাংলাদেশের আগামী সম্ভবনার নতুন দ্বার খুলে দেবে। এটি দেশের অর্থনীতিতে এক প্রাণবন্ত গতি সঞ্চার করবে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পুরো এলাকা ব্যানার, পোস্টার আর বিলবোর্ডে ছেয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন সড়কের ডিভাইডার, জনসভাস্থলসহ দুই পাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকায় আলোকসজ্জা করা হয়েছে। সরকারপ্রধানের আগমন ঘিরে মাদারীপুরবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।

জনসভার নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিপুল পরিমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। ওয়াচ টাওয়ার থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন তারা। সভাস্থলে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।

আজ বিকেলে জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে সেতু উদ্বোধনকে ঘিরে যে পরিমাণ উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখছি তাতে বৃষ্টি না হলে মানুষ ১০ লাখ ছাড়াবে। এখানে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কর্তব্য পালন করছেন। আমাদের দলীয় ভলান্টিয়ার টিমও কাজ করছে। প্রয়োজনে আমরা বিজিবি নিয়ে আসব। তাই মানুষের শঙ্কার কোনো কারণ নেই।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন