বুধবার | জুন ২৯, ২০২২ | ১৫ আষাঢ় ১৪২৯  

শিল্প বাণিজ্য

পদ্মা সেতুর ডরমিটরি ও সার্ভিস এরিয়ায় ব্যবহার হয়েছে গ্রী এসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

আকর্ষণীয় বেশকিছু ফিচারের মাধ্যমে দেশের বাজারে বড় জায়গা করে নিয়েছে ইলেকট্রো মার্টের গ্রী এয়ারকন্ডিশনার (এসি) পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজের শুরু থেকেও অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে গ্রী এসি। সেতুর সার্ভিস পয়েন্ট, মাল্টিপারপাস হল, রিসোর্ট, মোটেল ম্যাচ, সুপারভিশন অফিস, ডরমিটরিসহ সব জায়গায় ব্যবহার হচ্ছে এটি। পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণের মতো বড় চ্যালেঞ্জের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টিকে অত্যন্ত আনন্দ সম্মানের বলে মনে করছেন গ্রী এসি উৎপাদন বাজারজাত-সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্বের প্রথম বুস্ট ইনভার্টার কমপ্রেসারযুক্ত এয়ারকন্ডিশনারটি সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে সক্ষম। ভেতরে ২৭ ডিগ্রি বাইরে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় নামিয়ে আনতেও সক্ষম গ্রী এসি। এয়ারকন্ডিশনারটিতে রয়েছে ডানে বামে সুইং ফাংশনসমৃদ্ধ থ্রি ডি এয়ার ফ্লো। সাত ধাপে বাতাস প্রবাহ চার ধাপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতাস ক্লিন প্রবাহ করতে সক্ষম এটি। সর্বনিম্ন ভোল্টেজেও গ্রী এসি চলতে সক্ষম।

গ্রী এসির বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রোমার্ট লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল আফসার বলেন, বর্তমানে গ্রী এসিতে ব্যবহূত প্রযুক্তি যেমন বায়োলজিক্যাল ফিল্টার, ক্যাচেইন ফিল্টার, সিলভার আয়রন ফ্লিটার এবং ক্লোজসমা এয়ার পিউরিফিকেশন টেকনোলজি থাকার কারণে ঘরের বাতাসের ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে সম্পূর্ণরূপে বিশুদ্ধ করে করোনা প্রতিরোধে সক্ষম। সে কারণে এখন দ্রুত বিক্রি বাড়ছে। বর্তমানে দেশের এয়ারকন্ডিশনার চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ গ্রী এসি পূরণ করে যাচ্ছে।

গ্রী এসি এখন দেশেই তৈরি হচ্ছে। প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশে বাজারজাত হচ্ছে গ্রী এসি। দেশেই উৎপাদন হচ্ছে ২০২০ সাল থেকে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন


×