বুধবার | জুন ২৯, ২০২২ | ১৫ আষাঢ় ১৪২৯  

খবর

গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা

বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও এলডিসি উত্তরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, পণ্য সরবরাহ এলডিসি উত্তরণ। এসব মোকাবেলায় বাজেটে পণ্য উৎপাদন ব্যাহত, সরবরাহ বাধাগ্রস্ত এবং আমদানি ব্যয় বৃদ্ধিজনিত অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। বৈশ্বিক চাপ মোকাবেলায় অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি সামাজিক সুরক্ষা বাড়ানোসহ নানা সুবিধা থাকতে হবে।    

গতকাল রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইকোনমিক চ্যালেঞ্জ অ্যান্ড দ্য আপকামিং বাজেট ফর ফাইনান্স্যিয়াল ইয়ার-২০২৩ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকরা এসব কথা বলেন। ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস পোস্ট অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল আহসান অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বি মির্জা আজিজুল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মজিদ প্রমুখ।

বি মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, বাজেটের মূল চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। বর্তমান মূল্যস্ফীতির উৎস বৈশ্বিক পরিস্থিতি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দরবৃদ্ধি। যখন বৈশ্বিক কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ে, তখন অভ্যন্তরীণ পলিসি দিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। ক্ষেত্রে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের কতটা সুরক্ষা দিতে পারে বাজেটে তার প্রতিফলন থাকা উচিত। এজন্য সামাজিক নিরাপত্তা বাড়ানো যায়। কিন্তু যাদের প্রয়োজন তারা সঠিকভাবে তা পায় না। তহবিলের টাকা তছরুপ হয়। এটা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। সুতরাং খাতে আগামী বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো উচিত।

এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, আগামী বাজেটে করোনা, যুদ্ধ এলডিসি উত্তরণ তিনটি চ্যালেঞ্জ।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন


×