শনিবার | মে ২১, ২০২২ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ 

খবর

সম্পূর্ণ ফিট না হলে সাকিবকে খেলাতে রাজি নন ডোমিঙ্গো

ক্রীড়া প্রতিবেদক

সাকিব আল হাসানকে নিয়ে নাটকীয়তার যেন শেষ নেই। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঈদের ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরে তার যোগ দেয়ার কথা ছিল দলের সঙ্গে। কিন্তু বিধি বাম, তিনি কভিড-১৯ পজিটিভ হন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তখন জানিয়ে দেয়, চট্টগ্রাম টেস্টে থাকছেন না সাকিব। সেভাবেই চট্টগ্রামে প্রস্তুত হচ্ছিল বাংলাদেশ দল।

কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ হন সাকিব। গতকাল বিসিবির উদ্যোগে আরেকবার করোনা পরীক্ষা করিয়ে তাতেও নেগেটিভ হন তিনি। করোনায় নেগেটিভ হওয়ায় শ্রীলংকার বিপক্ষে রোববার শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্টে সাকিব খেলতে পারেন কিনা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। যদিও দলের হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো জানিয়ে দিলেন, সম্পূর্ণ ফিট না হলে সাকিবকে খেলাতে রাজি নন তিনি।

গতকাল চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে ডোমিঙ্গো বলেছেন, যে কেউই সম্পূর্ণ ফিট সাকিবকে দলে পেতে চাইবে। কিন্তু ৫০ বা ৬০ ভাগ ফিট একজন খেলোয়াড়কে টেস্ট ম্যাচ খেলানো কঠিন। পারফর্ম করার সুযোগ দেয়ার জন্য একজন খেলোয়াড়কে পুরোপুরি ফিট হতে হবে।

ডমিঙ্গো জানালেন, করোনা থেকে সুস্থ হয়েই সাকিবের জন্য টেস্ট ক্রিকেটের চাপ নেয়া সহজ হবে না। প্রোটিয়া কোচ বলেন, টেস্ট ক্রিকেট কঠিন। খেলা এবং অনুশীলনের মধ্যে না থেকে হুট করে এসে খেলা আরো কঠিন। এর ওপর সে কভিড থেকে সেরে উঠেছে। আমারও কভিড হয়েছিল। আমি জানি কতটা খারাপ অভিজ্ঞতা হয় এতে। শরীরে শক্তি পাওয়া যায় না। এটা টি২০ বা ওয়ানডে ম্যাচ নয়। এখানে পাঁচদিন প্রায় ঘণ্টা করে মাঠে থাকতে হয়।

গতকাল সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে দলের সঙ্গে যোগ দেয়ার কথা করোনামুক্ত সাকিবের। আজ অনুশীলনও করবেন বলে জানা গেছে। তবে পরশু প্রথম টেস্টে সাকিবের খেলা না খেলা নির্ভর করবে ফিটনেস পরীক্ষার ওপর। ডমিঙ্গো বলেছেন, তার ফিটনেস পরীক্ষা করতে হবে। কভিড থেকে সেরে উঠেছে মাত্র এবং খুব বেশি ক্রিকেট কিন্তু খেলেনি। সাকিব অবশ্যই আমাদের জন্য বড় খেলোয়াড়। সে দলের ভারসাম্য নিয়ে আসে। তাকে আগামীকাল (আজ) আমরা দেখব। হঠাৎ করে এসে পাঁচদিনের টেস্ট ম্যাচ খেলা কঠিন এবং পারিপার্শ্বিক অনেক কিছু চিন্তা করতে হবে। আমরা তাকে আগামীকাল পরীক্ষা করে দেখব।

সর্বশেষ ২০২১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছেন সাকিব। এরপর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নিউজিল্যান্ড সফরে যাননি, আর পরিবারে একাধিক মানুষ অসুস্থ থাকায় তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট সিরিজ খেলেননি। এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ক্রিকেটে ফেরার পর বাংলাদেশের ১১ টেস্টের মধ্যে সাকিব খেলেছেন মাত্র তিনটি।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন