শনিবার | মে ২১, ২০২২ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ 

সম্পাদকীয়

অভিমত

বর্ণবাদ প্রসঙ্গে

আবু এনএম ওয়াহিদ

এ দুয়ের মাঝখানে আমেরিকার বিখ্যাত কৃষ্ণাঙ্গ নেতা Malcolm X-ও ‘নিগ্রো’ (Negro) শব্দের ব্যাপারে বড় রকমের আপত্তি তোলেন। তার মতে, শব্দটি কালোদের দীর্ঘ দাসত্ব, বিযুক্তকরণ, বৈষম্য, শোষণ ও বঞ্চনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। তাই কালোদের মান-সম্মানের খাতিরে এটা আর ব্যবহার করা চলে না। তিনিও একটি বিকল্প নাম দিয়েছিলেন আফ্রো-আমেরিকান (Afro-American)। কিন্তু এ নাম জনপ্রিয়তা পায়নি, তাই টেকেওনি।

ঠিক কোন সময় থেকে আমেরিকার লিখিত ভাষায় নিগ্রো শব্দটি একদম হারাম হয়ে গেল। তা নির্দিষ্ট করে বলা খুবই মুশকিল। এ দেশের একটি অন্যতম আফ্রো-আমেরিকান-বিষয়ক প্রকাশক Ebony ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে নিগ্রোর বদলে ‘ব্ল্যাক’ (Black) লিখতে শুরু করে। তার পরও ১৯৬৮ সালে সাপ্তাহিক নিউজ উইক ম্যাগাজিনের এক জরিপে দেখা যায়, দুই-তৃতীয়াংশ কৃষ্ণকায় মানুষ তখনো তাদের পরিচয় হিসেবে নিগ্রোই পছন্দ করেছিলেন। ছয় বছর পর একই রকম আরেক জরিপে অধিকাংশ কালো নিগ্রোর পরিবর্তে ব্ল্যাক বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে বলে জানিয়েছিলেন। তার একটু আগে ১৯৭০ সালে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও দ্য নিউইয়র্ক টাইমস নিগ্রো শব্দ না লেখার স্থায়ী সিদ্ধান্ত নিল। ১৯৮০ দশকের মাঝামাঝিতে এসে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টও এ শব্দকে তার লিখিত ও কথ্য ভাষা থেকে পুরোপুরিভাবে খারিজ করে দেন।

তবে গত শতাব্দীতেই যে নিগ্রো শব্দটি আমেরিকান জীবন থেকে সম্পূর্ণরূপে বিতাড়িত হয়েছিল, একথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। কারণ ২০১০ সালের আমেরিকার আদমশুমারি ফরমে জাতিগোষ্ঠী পরিচয়ের জন্য একটি পছন্দ হিসেবে নিগ্রো শব্দটিও বহাল ছিল। এজন্য অনেক সমালোচনাও হয়েছিল। ‘সেন্সাস’ কর্তৃপক্ষ আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেছিল, ২০০০ সালের ফরমে ৫৬ হাজার কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ নিগ্রো শব্দটি নিজ নিজ হাতে লিখে তাদের জাতিগোষ্ঠীর ঘোষণা দিয়েছিল। এতে বোঝা যায় তখনো আমেরিকায় যথেষ্ট কালো মানুষ ছিল, যারা নিগ্রোকে গালি মনে করত না এবং এ নামে আপন আপন পরিচয় দিতে তাদের কোনো লজ্জাবোধও ছিল না।

এরপর সাম্প্রতিক ইতিহাসে আমেরিকায় আরেকটি ঘটনা ঘটে যায়। ২০০৮ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় নেভাদা অঙ্গরাজ্যের তত্কালীন সিনেটর হ্যারি রিড বারাক ওবামাকে নিয়ে একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। Barack Obama could win in part, because he was a ‘light skinned’ African-American with ‘no Negro dialect’. ওবামাকে উদ্দেশ করে নিগ্রো শব্দটি এস্তেমাল করার জন্য হ্যারি রিড কড়া সমালোচনার মুখে পড়েন। এ প্রতিবাদ সে সময়ের জাতীয় রাজনীতির অঙ্গনে এত শক্তিশালী ঝড় তুলেছিল যে অবশেষে সিনেটর মহোদয় ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছিলেন।

এখানে বলে রাখা ভালো, নিগ্রো শব্দটি এখনো লিখিত ভাষায় জায়েজ আছে, তবে কেবল গবেষণা কাজে এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে, অন্য কোনো উদ্দেশে নয়। এছাড়া কোনো সামাজিক সংগঠন অথবা সংস্থার নামের মধ্যে যদি শব্দটি এখনো থেকে থাকে, যেমন United Negro College Fund ইত্যাদি,  তাহলে সেটাও লিখতে কোনো বাধা নেই। 

আমি আমার আজকের লেখাটি শেষ করব আমেরিকার কোনো এক হাইস্কুলের দশম শ্রেণীর একটি বালকের চিঠি ও সেই চিঠির উত্তর দিয়ে। চিঠিটি যে লিখেছে তার নাম Ronald A. Burton. রোনাল্ড তার মর্মস্পর্শী পত্রখানা যার কাছে লিখেছিল, তার নাম-ঠিকানা আমি অনেক কষ্ট করেও ইন্টারনেট থেকে উদ্ধার করতে পারিনি। পত্রের বিষয়বস্তু থেকে বোঝা যায়, এটি কমপক্ষে ১৯৫০-৬০ সালের আগে লেখা। চিঠি ও তার জবাবের ভাষা থেকে এও প্রতীয়মান হয়, পত্রলেখক ও তার প্রাপক দুজনই ছিলেন কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের দুই প্রজন্মের দুই সূর্যসন্তান। নিঃসন্দেহে তারা দুজনই ছিলেন সামাজিকভাবে অত্যন্ত সচেতন ও সংবেদনশীল ব্যক্তিত্ব। রোনাল্ডের চিঠি ও তার উত্তর আমি ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছি। তবে আমার এ অনুবাদ হুবহু নয়, লেখকদের মূল বক্তব্যের অনুসরণে আমি আমার মতো করে আমার ভাষায় আপনাদের সামনে দুটো বয়ানই এখানে আলাদাভাবে বিবৃত করছি।

রোনাল্ড লিখেছেন—

প্রিয় স্যার,

আমি একটি হাইস্কুলের দশম শ্রেণীর একজন বালক। কলেজপড়ুয়াদের মতো বিদ্যাবুদ্ধি আমার নেই। আপনি কি অনুগ্রহ করে আমাকে বুঝিয়ে বলবেন, কেন National Association for the Advancement of Colored People (NAACP)—যে কিনা আমাদের সমঅধিকারের জন্য নিয়ত সংগ্রাম করে যাচ্ছে, সে কেন সমাজের কাছে আমাদের আমেরিকান হিসেবে উপস্থাপন না করে নিগ্রো হিসেবে তুলে ধরছে। এ শব্দটি তো শ্বেতাঙ্গরা ব্যবহার করে আমাদের নিকৃষ্ট হিসেবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে। আমি কি আজ প্রত্যাশা করতে পারি, যখন আমি একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ হিসেবে কর্মক্ষেত্রে ঢুকব তখন নিগ্রো শব্দটি আমাদের সবার জীবন থেকে চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে?

ইতি

রোনাল্ড এ বার্টন

পত্রের উত্তর:

আমার প্রিয় রোনাল্ড,
আমি তোমাকে বিনীত অনুরোধ করছি তোমার চিন্তাভাবনায়, নামের সঙ্গে কর্মকে গুলিয়ে ফেলো না। এই ভুলটি বুঝে না-বুঝে অনেকেই করেন। নাম দিয়ে আমরা বস্তু, ব্যক্তি কিংবা একটি গোষ্ঠীকে কেবল শনাক্তই করি, এর বেশি কিছু নয়। নাম বদলে দিলে কোনো বাস্তব সত্তার কিংবা তার বৈশিষ্ট্যের কোনো হেরফের হয় না। গোলাপকে যে নামেই ডাকো না কেন সে সুবাস ছড়াবেই। পচা নর্দমার নাম রাজপথ দিলেও দুর্গন্ধ একটুও কমবে না, বরং যেমন আছে তেমনই থাকবে। নাম হলো গতানুগতিকভাবে একটি প্রতীকী চিহ্ন, এটা দেখা যায় না, ছোঁয়া যায় না, এর কোনো অবয়বও নেই। এটা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কোনো প্রয়োজনও মেটায় না। ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা তাদের কর্মের বাস্তব অস্তিত্ব আছে। মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে তাদের উপযোগিতা আছে। তাদের গুণাগুণ ভালো হলে সমাজের উপকার হতে পারে, খারাপ হলে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।

কোনো গোষ্ঠী যদি মূর্খ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয় এবং হীনম্মন্যতায় ভোগে, তাহলে শুধু নতুন নামে ডেকে তাকে কোনো ফায়দা দেয়া যাবে না, তার সামাজিক মর্যাদায় সামান্যতম উত্তরণও ঘটানো সম্ভব নয়। কেউ যদি নিগ্রোকে অবজ্ঞা করে, ঘৃণা করে এবং নিগ্রোর নাম পরিবর্তন করে দেয় কালারড অথবা আফ্রো-আমেরিকান, তাহলে শুধু এই নাম বদলের জন্য কারো কাছেই নিগ্রোর মর্যাদা কণা পরিমাণও বাড়বে না।

উপরন্তু, তুমি কারো নাম ইচ্ছা করলেই পাল্টাতেও পারো না। নাম কোনো বস্তু নয়, চিন্তা নয়, যুক্তিও নয়। এটা একান্তই মানবমনের একটা ক্রমবিকাশমান ধারণা এবং অভ্যাসের পুনঃ পুনঃ চর্চার বিষয়। অধিকাংশ মানুষ নিগ্রো বলতে যদি ‘গাঢ় কালো’ কিংবা ‘হালকা কালো’-কে বোঝায় তাহলে কেবল অনুরাগ, বিরাগ, কান্নাকাটি, অশ্রুজল ইত্যাদি দিয়ে এ ধারণায় পরিবর্তনও আনা যাবে না। যতদিন নিগ্রোদের চরিত্র ও অভ্যাস উন্নত না হবে, অন্তর আলোকিত না হবে, দৃষ্টি প্রসারিত না হবে ততদিন এই সামাজিক সমস্যার কোনো সুরাহা হওয়ার নয়।

ব্যুত্পত্তিগত ও উচ্চারণগত দিক থেকে নিগ্রো একটি ভালো শব্দ। এটা নিগ্রো, আফ্রো-আমেরিকান অথবা অন্য যেকোনো বিশেষণের চেয়ে উত্তম। তবে ঐতিহাসিকভাবে এটা সঠিক নয়। তাতে কী, একইভাবেও তো ‘ইংলিশ’ ‘ফ্রেঞ্চ,’  ‘জার্মান,’ ‘হোয়াইট’,  ‘জিউ’  ‘নরডিক’, ‘অ্যাংলো-স্যাকশন’ও সঠিক নয়। শুরুতে এগুলো ছিল উপনাম, ভুল নাম কিংবা বিকৃত নাম। যুগ যুগ ধরে ডাকতে ডাকতে মানুষ এমনভাবে অভ্যস্ত হয়ে গেছে, এখন সেসব নাম আর শুনতেও খারাপ শোনায় না এবং এগুলোকে মানুষ আর ভুলও মনে করে না। যা ভুল ছিল, তাই এখন সহি হয়ে গেছে। নিগ্রো নামটি অন্য যেকোনো মর্যাদাবান জাতি কিংবা জাতি-গোষ্ঠীর মতো শুদ্ধ, খানদানি ও সুস্পষ্ট। এ নামের ভার বইতে গিয়ে লজ্জা পাওয়ার মতো আমি কোনো কারণ দেখি না।

ধরো, কাল সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি দেখো তোমাকে কেউ আর নিগ্রো বলে ডাকে না, তোমার নতুন নাম হয়ে গেছে ‘Cheiropolidi,’ তাতে কী হবে? রাতারাতি তোমার জীবনে কি কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসবে? তোমার ক্লাসের শ্বেতাঙ্গ বন্ধুরা নিজেদের কি তোমার চেয়ে কম উত্কৃষ্ট অথবা কম শ্রেষ্ঠ ভাববে? তোমার মনের দুঃখ কি হঠাত্ করে দূর হয়ে যাবে? না, এসবের কিছুই হবে না।

তুমি যে কৃষ্ণাঙ্গ পিতা-মাতার সন্তান, একথা বলতে কি তোমার সংকোচ বোধ হয়, নাকি তুমি গৌরবান্বিত মনে করো? হীনম্মন্যতাবোধ তো তোমার মাঝে, তোমার মনের মাঝে; তোমার নিগ্রো পরিচিতির মাঝে নয়। তোমাকে যদি কেউ শ্বেতাঙ্গ বলে ডাকে, তুমি কি খুশি হবে? বরং তোমার তো আরো বিব্রত বোধ করার কথা, বিরক্ত হওয়ার কথা, কারণ তুমি ভালো করেই জানো, তুমি তা নও।

মনে করো, আমরা আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য সব ভুলে গিয়ে হঠাত্ একদিন আমাদের আমেরিকান বলে জাহির করতে শুরু করলাম। এ অবস্থায় আমরা যখন ‘কালো’ ক্রীতদাসদের এবং তাদের সেইসব বংশধরের কথা বলব, যারা এখনো আমেরিকার নাগরিকত্ব পায়নি, সমাজের মূলধারায় মিশতে পারেনি, রাষ্ট্রীয় সব সুযোগ-সুবিধা এখনো যাদের নাগালের বাইরে, তাদের কী নামে ডাকব? তুমি যদি এদের কোনো নাম দেয়া জরুরি মনে না করো তাহলে ওই নামহীন মানুষগুলোর অস্তিত্ব কি বিলুপ্ত হয়ে যাবে? আমরা কি চাই তারা দুনিয়া থেকে চিরতরে হারিয়ে যাক? না, কখনো না। তারা আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই নয় কি?

ঐতিহাসিকভাবে নিগ্রো নামে তোমার তীব্র না-পছন্দের একটি সহজ ব্যাখ্যা আমার কাছে আছে। তোমার পিতা-প্রপিতামহের কাছে নিগ্রো মানে কৃষ্ণাঙ্গ লোক, কালারড মানে মা-বাবার একজন কৃষ্ণাঙ্গ, একজন শ্বেতাঙ্গ। কালারডরাও নিগ্রোদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, ঘৃণা করে আবার তাদের নিজেদের কেউ নিগ্রো বললে অপমানিত বোধও করে। কিন্তু আমি তা করি না, বরং আমি আমার নিগ্রো ঐতিহ্যে গর্ববোধ করি। যাদের ধমনিতে নিগ্রো রক্ত প্রবাহিত তাদের কেউ কেউ আমাকে পাত্তা দেয় না। এ বাস্তবতা আমাকে ভীষণ কষ্ট দেয়। তারা কেন এমন করে, আমি নিজেই বুঝি না, তোমাকে বোঝাই কী করে। তুমি কি জানো, আমাদের মধ্যে এমনও সংকীর্ণ মনের মানুষ আছে, যারা লেখাপড়া শিখে, শ্বেতাঙ্গ নারী বিয়ে করে শ্বেতাঙ্গ পাড়ায় বসবাস করে এবং নিজেকে নিগ্রো বলে পরিচয় দিতে চায় না, মনে মনে ভাবে শ্বেতাঙ্গ হয়ে গেছে। এরাও আমার মনোবেদনার একটি বড় কারণ।

অমার প্রিয় রোনাল্ড, মনে রেখো, তোমার আসল সমস্যা কিন্তু নামে নয়। তোমার নাম যা আছে তা বদলানোর নয়, হারানোর নয়, ভুলে যাওয়ারও নয়—এ তুমি ভালো করেই জানো। নাম কিছুই নয়, এ হলো একটি পথনির্দেশিকা মাত্র। পথনির্দেশিকা তোমার চলার পথকে সংক্ষেপ করে না, সুগমও করে না। শুধু বলে দেয় কোথায় জিরিয়ে নিতে হয় এবং কোথায় ডানে-বাঁয়ে বাঁকবদল করতে হয়।

নিগ্রো হিসেবে আজ আমাদের বাঁকবদলের সময় এসেছে। নামের যন্ত্রণা ভুলে গিয়ে এ মুহূর্তে তোমার দুটি কাজ:

১. নিগ্রোদের মাঝে যা কিছু ভালো, যা কিছু সুন্দর এবং যা কিছু কল্যাণকর, তা সারা পৃথিবীকে জানিয়ে দাও।

২. নিজের দিকে দৃষ্টি ফেলো, ভেবে দেখো তোমার রক্তে লজ্জিত কিংবা অপমানিত বোধ করার মতো কোনো উপাদান নেই।

প্রিয় রোনাল্ড, নিগ্রো শব্দটি তোমার হূদয়কে যতই ছিন্নভিন্ন করুক না কেন, এর সঙ্গে তোমাকে একটা বোঝাপড়ায় আসতেই হবে। তোমাকে ভাবতে হবে একজন নিগ্রো, নিগ্রো নামে যতটা কালো, অন্য যেকোনো নামেও সে ততটাই কালো। ঠিক তেমনি একজন শ্বেতাঙ্গ, শ্বেতাঙ্গ নামে যতটা সফেদ, অন্য যেকোনো নামেও ততটাই। তার চেয়ে একটুও বেশি কিংবা কম নয়। একজন নিগ্রো, নিগ্রো নামে ততটাই অপমানিত বোধ করে, যতটা সে মাথা পেতে নেয়। নামে কিছুই যায় আসে না, কর্মই আসল ধর্ম। ভুলে যাও, তোমাকে কে কী নামে ডাকে। এসো কাজ করি, নিজেদের বদলাই, দুনিয়া আপনাআপনি বদলে যাবে, আমাদের দুঃখও দূর হবে।

ইতি

নামহীন জনৈক লেখক

আবু এন এম ওয়াহিদ: অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র; এডিটর, জার্নাল অব ডেভেলপিং এরিয়াজ

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন