মঙ্গলবার | জুন ২৮, ২০২২ | ১৪ আষাঢ় ১৪২৯  

প্রথম পাতা

বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ জ্বালানি সহযোগিতা অর্থনৈতিক নাকি ভূরাজনৈতিক

আবু তাহের

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে গত এক দশকে বাংলাদেশের সঙ্গে নানা আঙ্গিকে সহযোগিতা বেড়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারতের। বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, কয়লা সরবরাহের পাশাপাশি বাংলাদেশে সরাসরি বিদ্যুৎ রফতানিও করছে দেশটি। শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানিও। বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে ভারত-বাংলাদেশের সহযোগিতার সম্পর্কটিকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছেন বিশ্লেষকদের অনেকেই। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এতে রয়েছে ভূরাজনৈতিক কারণও।

বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশে ভারতের অর্থায়নে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। বাংলাদেশে এখন ভারতীয় সহযোগিতায় নির্মিতব্য চার হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। দু-তিন বছরের মধ্যে এসব প্রকল্প উৎপাদনে আসবে। এছাড়া বাংলাদেশের আমদানিনির্ভর জ্বালানি খাতে গুরুত্ব বাড়িয়েছে ভারত। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল রফতানির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। লাইনের মাধ্যমে বছরে অন্তত ১০ লাখ টন জ্বালানি তেল রফতানির পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির। এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ ছাড়া বিদ্যুৎ খাতের অবকাঠামো উন্নয়নে আগ্রহী হয়ে উঠেছে ভারত।

গত এক দশকে চীনের উত্থান, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে প্রভাব হ্রাস, দক্ষিণ এশিয়ায় প্রভাব বিস্তারে ভারতের প্রচেষ্টা, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি পররাষ্ট্রনীতির কারণে পরাশক্তিগুলোর কাছে বাংলাদেশের গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেকটাই বেড়েছে।

বৈশ্বিক পরাশক্তি হিসেবে উত্থানের পর থেকে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়িয়ে চলেছে চীন। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দেশটি বিনিয়োগ করেছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশকে ২৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় চীন। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ঋণ প্রতিশ্রুতি। এদিকে গত এক দশকে তিনটি লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় বাংলাদেশকে প্রায় বিলিয়ন ডলার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত।

বর্তমানে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট। ভারতীয় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে বিদ্যুৎ খাতে দেশটির অংশগ্রহণ দাঁড়াবে ১৬ দশমিক ৫১ শতাংশে। পাশাপাশি পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল আমদানি শুরু হলে জ্বালানি খাতে ভারতের অংশগ্রহণ ২০ শতাংশের ওপরে থাকবে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক . তামিম বণিক বার্তাকে বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে ভারতের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সুবিধাপ্রাপ্তির বিষয় যেমন রয়েছে, তেমনি এতে ভূরাজনীতিও ভূমিকা রাখছে। তবে বাণিজ্যের বিষয়টিকে এগিয়ে রাখতে হবে। কারণ খাতটি এখন সবচেয়ে বেশি টেকসই স্থায়ী। বিনিয়োগে সব দেশেরই কমবেশি স্বল্প দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চীনের বিনিয়োগও ভারতকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রভাবিত করতে পারে। কৌশলগত দিক থেকে ভারতের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে নানা ধরনের সহযোগিতা বিনিয়োগ বাড়িয়ে বাংলাদেশের আগ্রহে থাকতে চায় দেশটি।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে ভারতের সহযোগিতা বাড়ানোর সূচনা হয়েছিল মূলত ২০১০ সালে। দুই দেশের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল সে সময়। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নয়ন, জ্বালানি দক্ষতা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্রিড কানেক্টিভিটি নিয়ে দুই দেশের যৌথ একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়।

সমঝোতা চুক্তির আওতায় শুরুতে ভারত থেকে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। এরপর পর্যায়ক্রমে এটি বাড়তে থাকে। বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর বাংলাদেশের ভেড়ামারা দিয়ে এক হাজার মেগাওয়াট এবং ত্রিপুরা-কুমিল্লা দিয়ে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। গত বছর ত্রিপুরা-কুমিল্লা দিয়ে আরো ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি করে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পাশাপাশি ২০১০ সালের দিকে বাংলাদেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহী হয়ে ওঠে দেশটি। সুন্দরবনসংলগ্ন বাগেরহাটের রামপালে হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে সমালোচিত প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে। চলতি বছরের মার্চে প্রকল্পটির উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও কেন্দ্রটির জ্বালানি সংস্থানে প্রধান উৎস ইন্দোনেশিয়া কয়লা রফতানি বন্ধ ঘোষণা করলে জটিলতা তৈরি হয়। প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, উৎপাদনে আসতে আরো সময় লাগবে এটির।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করেছে ভারতীয় জায়ান্ট রিলায়েন্স পাওয়ার। ভারতীয় ধনকুবের অনিল আম্বানির বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে। রিলায়েন্স মেঘনাঘাট ৭৫০ মেগাওয়াট আইপিপি- নামে বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে বিপিডিবির সঙ্গে নির্মাণ ক্রয় চুক্তি হয়। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও নির্মাণকাজ এগোচ্ছে ধীরগতিতে।

ভারতীয় অর্থায়নে শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশেষ প্রাধান্য দিয়ে ভারতেই তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র। ভারতের ঝাড়খন্ডে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে আদানি পাওয়ার লিমিটেড। মূলত বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানির জন্যই কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। ২৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ রফতানি চুক্তি খাতে দীর্ঘমেয়াদে ভারতের কৌশলগত অবস্থানের অংশ হিসেবে দেখছেন অনেকে। চলতি মাসে প্রকল্পটি উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও কভিড মহামারীসহ প্রকল্পের বেশকিছু কাজে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় উৎপাদন বিলম্বিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সঞ্চালন লাইন, কয়লা আমদানির রেলওয়ে জেটিসহ অন্তত ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। বাংলাদেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর চেয়ে এটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় অনেক বেশি বলে আন্তর্জাতিক একটি গবেষণাপত্রে উঠে আসে।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রকল্প পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রকল্পের বেশকিছু অংশে কাজ করছে ভারত। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের বৃহৎ প্রকল্পে যুক্ত হয় প্রতিবেশী দেশটি। মূলত রাশিয়া প্রকল্পে ডিজাইন, চুল্লিপাত্র মূল যন্ত্রপাতি সরবরাহ করবে। আর ভারত প্রকল্পে কর্মীদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, অবকাঠামো নির্মাণে সহযোগিতা এবং প্রকল্পের ছোট ছোট যন্ত্রাংশ সরবরাহ করবে।

বিদ্যুৎ খাতের পাশাপাশি দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় অংশগ্রহণ করছে ভারত। বিশেষত বাংলাদেশে তেল রফতানির মাধ্যমে দেশের আমদানি তেলের বড় একটি অংশে ভূমিকা রাখতে চায় দেশটি। দেশের উত্তরাঞ্চলে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল রফতানি করে ওই অঞ্চলে চাহিদা পূরণ করতে চায় দেশটি। প্রকল্পে ৫২০ কোটি টাকার মধ্যে ভারত সরকারের অনুদান ৩০৩ কোটি রুপি এবং বাকি অর্থ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের ডিপোয় তেল মজুদ করা হবে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সরবরাহকারী সংস্থা মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (এমপিএল) ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, মোট ১৩১ কিলোমিটার পাইপলাইনের মধ্যে বাংলাদেশে ১২৬ কিলোমিটার নির্মাণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে পাইপলাইনের কাজ ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ ভারতের অংশে। অল্প কয়েক মাসের মধ্যে তা শেষ হবে।

প্রকল্প পরিচালক মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের উপমহাব্যবস্থাপক টিপু সুলতান বণিক বার্তাকে বলেন, প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। আগামী মার্চের শেষ নাগাদ আমরা তেল আমদানি শুরু করতে পারব। আমাদের যে বিদ্যমান অবকাঠামোগত সক্ষমতা রয়েছে তা দিয়েই আমরা তেল আনতে পারব। তেল আমদানি শুরু হলে উত্তরাঞ্চলে সেচ মৌসুমে জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি তেল পরিবহনে খরচও কমে আসবে।

গ্যাসের মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ায় ২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি শুরু করেছে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার ওমান থেকে গ্যাস আমদানির পাশাপাশি স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি করছে। খাতেও ভারতের বিনিয়োগের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে গ্যাস সম্প্রসারণে সরকার যেসব প্রকল্প গ্রহণ করেছে, সেখানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের স্থলবন্দর ভোমরা দিয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে এখানেও দেশটি বিনিয়োগ আগামীতে বাড়াবে। দেশের অভ্যন্তরে গ্যাস অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত বহুজাতিক কোনো কোম্পানি আগ্রহ দেখায়নি। তবে গত বছরের অক্টোবরে ভারতীয় কোম্পানি ওএনজিসি বিদেশ সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানে নেমেছে। সমুদ্র ব্লকের নম্বর সেক্টরে গ্যাস অনুসন্ধান করছে। এই প্রথম ভারতীয় কোনো কোম্পানি দেশের গভীর সমুদ্র এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ধাবিত হওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কাজ করছে। বাংলাদেশও মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উৎপাদনের কাজ করছে। বাংলাদেশের খাতে সহযোগিতার জন্য এরই মধ্যে চীন, মালয়েশিয়া, কোরিয়া বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশের খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভারত বিনিয়োগ শুরু করেছে। বর্তমানে উপকূলীয় এলাকায় বায়ুশক্তিতেও বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে ভারত। ফেনীর সোনাগাজীতে ৩০ মেগাওয়াট বায়ুভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রিজেন পাওয়ারটেক সিদ্ধান্ত উইন্ড এনার্জি লিমিটেড নামে ভারতের দুটি কোম্পানি বিনিয়োগ করেছে। এছাড়া খাতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়নে দেশটি কাজ করছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার যে ভিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে আগামীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বিদ্যুৎ জ্বালানি খাত। বাণিজ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত বিনিয়োগ বাড়ালেও ভূরাজনীতিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ খাতে অর্থনৈতিকভাবে বৃহৎ শক্তিশালী রাশিয়া চীনের বিনিয়োগ রয়েছে। তাই প্রভাব বিস্তারে ভারত বিনিয়োগ বাড়াবে, এটাই স্বাভাবিক।

কূটনৈতিক বিশ্লেষক সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বণিক বার্তাকে বলেন, বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে ভারতের সহযোগিতা যেমন অর্থনৈতিক তেমনি ভূরাজনৈতিকও। এক ভারত থেকে এখন আমরা বিদ্যুৎ আমদানি করি, ভারত তার প্রয়োজনে বিক্রি করে। এটা ব্যবসায়িক দিক থেকে হচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবে দেখলে বাংলাদেশের সোর্স বহুমুখীকরণ করতে হবে। নেপাল ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদ্যোগ রয়েছে। তবে এটি ত্বরান্বিত করতে হবে। এক্ষেত্রে ভারতের কাছ থেকে উদ্যোগী সহযোগিতা চাইতে পারে বাংলাদেশ।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন


×