বুধবার | জানুয়ারি ২৬, ২০২২ | ১২ মাঘ ১৪২৮

শেষ পাতা

যেখানে প্রয়োজন সেখানে আমরা তদবির চালাব —পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, যেখানে তদবির দরকার হয়, সেখানে তদবির আমরা চালাব। প্রত্যেক দেশই ধরনের কাজ করে। গতকাল রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিলিয়া) আয়োজিত এক আলোচনা শেষে মন্ত্রী      মন্তব্য করেন।

র্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে লবিস্ট নিয়োগ বিষয়ে প্রশ্ন করলে আব্দুল মোমেন বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্র্যাকটিস। আমাদের দেশে আমরা তদবির বলি। ওই দেশে ওরা বলে লবিস্ট। যেখানে তদবির দরকার, সেখানে আমরা তদবির চালাব। দেশেও তো কাজ করতে গেলে অনেক সময় তদবির লাগে।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে গত ১০ ডিসেম্বর র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এবং প্রতিষ্ঠানের সাবেক বর্তমান সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে বাংলাদেশ বিজিআর নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে লবিস্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সময় সময় আমাদের অনেক ধরনের দুর্যোগ আসে। আমরা সেগুলো সমাধান করি। এখনো হয়তো একটা অসুবিধা আসছে। কিন্তু আমরা এটা সমাধান করতে পারব। আমেরিকানরা খুব পরিপক্ব জাতি। তারা দেখবে। যদিও র্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে গত কয়েক বছরে সন্ত্রাস কমেছে, তারা স্বীকার করেছে। এটা তাদের নিরপেক্ষ সমীক্ষা। তারা সেগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে। পৃথিবীজুড়ে সন্ত্রাস দূর করা সন্ত্রাসীদের ধরা তাদের লক্ষ্য। মাদক মানব পাচার কমানো তাদের লক্ষ্য। র্যাব এগুলোই করছে এবং সফলভাবেই করছে। কারণেই র্যাব জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। আমার মনে হয় সবাই এটা বুঝবে। তখন হয়তো অবস্থার পরিবর্তন হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা আইনের দেশ। গণতান্ত্রিক কারণে দেশ সৃষ্টি হয়েছে। গণতন্ত্রে অনেক ধাক্কা আসে। সব গণতন্ত্রেই অপরিপূর্ণতা আছে। এটা একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমরা দিনে দিনে পরিপক্বতা অর্জন করেছি। আমেরিকা পরিপক্বতা অর্জন করার মধ্যেও ধাক্কা খায়। কোথাও দুর্বলতা থাকলে আমরা অবশ্যই তা দূর করার চেষ্টা করব। সুখের বিষয়, আমাদের দেশে গণতন্ত্র একদম তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। আমরা অনেক বছর ধরে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত করেছি।

তিনি বলেন, করোনার কারণে আমাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। কোনো নতুন আইন ছাড়া আদেশ দেয়া হচ্ছে মাস্ক পরাসহ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা নিয়ে। এতে মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতায় বাধা আসছে। পুরো দুনিয়ায় যে নতুন ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, সেটিকে কীভাবে আইনের মধ্যে আনা যায় মানুষের অধিকার কীভাবে রক্ষা করা যায়এসব বিষয়ে ভূমিকা রাখতে পারে বিলিয়া।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন