বুধবার | জানুয়ারি ২৬, ২০২২ | ১২ মাঘ ১৪২৮

খেলা

ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জয়ের ধারা অক্ষুণ্ন রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা

ক্রীড়া ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে কখনো টেস্ট সিরিজ জিততে পারেনি ভারত। এই ধারাবাহিকতা ছেড়ে বেরোতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। ২০১৭-১৮ সালে জোহানেসবার্গে দারুণ এক জয়ে সিরিজে এগিয়ে যায় ভারত। পরে টানা দুই টেস্টে হেরে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খুইয়ে বাড়ি ফেরে অতিথিরা। এবারো তার পুনরাবৃত্তি ঘটল। তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সেঞ্চুরিয়নে প্রথমটিতে ১১৩ রানের অসাধারণ জয়ে এগিয়ে যায় ভারত। কিন্তু পরের দুই টেস্ট হেরে সিরিজ নিশ্চিত করে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা।

কেপটাউনে সিরিজের শেষ টেস্টে আজ ভারতকে সাত উইকেটে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। ভারতের দেয়া ২১২ রানের লক্ষ্যে একদিন হাতে রেখেই পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এতে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নিলো টেম্বা বাভুমার দল। অক্ষুণ্ন থাকলো প্রোটিয়াদের জয়ের রেকর্ড।

তৃতীয় দিন দুই উইকেটে ১০১ রান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বাকি দুই দিনে তাদের করতে হতো ১১১ রান। হাতে ছিল আট উইকেট। কিগান পিটারসেনের ৮২, ডিন এলগারের ৩০, রাসি ভ্যান ডার ডুসেনের ৪১ ও টেম্বা বাভুমার অপরাজিত ৩২ রানে ভর করে, তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এ পর্যন্ত ২২ টেস্টে মুখোমুখি হয়ে মাত্র চারটিতে জিতেছে ভারত। বাকি ১২ ম্যাচে জয় পায় স্বাগতিকরা। ছয়টি টেস্ট ড্র হয়। আটটি সিরিজে সাতটিতেই হেরেছে ভারত। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ২০১০-১১ সালে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-১ এ ড্র করতে পেরেছিল ভারত।

এদিকে টেস্টের তৃতীয় দিন অশ্বিনের বলে এলগারকে মাঠের আম্পায়ার এলবিডব্লিউ আউট দিলেও, রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান। ওই সময় ডিআরএস নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলিসহ অন্য ক্রিকেটাররা। এ নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। স্টাম্প মাইকে গিয়ে তারা বিভিন্ন অভিযোগ জনান।

ভারত অধিনায়ক বলেন, দারুণ ডিআরএস, খুব ভাল খেললে। লোকেশ রাহুল বলেন, গোটা দেশ খেলছে ১১ জনের বিরুদ্ধে। কোহলি ফের বলেন, শুধু বিপক্ষ নয়, নিজের দলের দিকেও দেখো, সব সময় লোককে ধরতে চাইছে। এক দিকের স্টাম্পে যখন এই ধরনের কথা উঠে আসছে, সেই সময় উল্টো দিকের উইকেটে কথা বলতে শোনা যায় অশ্বিনকে। তার অভিযোগের তীর দক্ষিণ আফ্রিকার সমপ্রচারকারী সংস্থার (সুপারস্পোর্ট) বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, অন্যভাবে জেতার পথ খোঁজা উচিত সুপারস্পোর্টের। বিষয়টি কী এখানেই শেষ , নাকি কেহালিদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরো কিছুটা সময়।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন