মঙ্গলবার | জুন ২৮, ২০২২ | ১৪ আষাঢ় ১৪২৯  

খেলা

মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক

কুয়াশা স্নাত ভোর ঠেলে বিজয়ের রঙিন সূর্য উদয় দেখলো বাংলাদেশ। এক নতুন সূর্যে ঘুম ভাঙলো কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর। আনন্দে দিশেহারা ক্রিকেটভক্তরা। কেটে গেল ২০ বছরের নিউজিল্যান্ডে জয়ের খরা। মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের শেষ দিন প্রয়োজন ছিল ভালো একটি লড়াই। আগের চার দিনের অনবদ্য বাংলাদেশ, শেষ পর্যন্ত সেই লড়াই করেই ছিনিয়ে নিয়েছে জয়ের মালা।

আজ বে ওভালে সিরিজের প্রথম টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে আট উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এ জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল মুমিনুল হকের দল। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মিশনে বাংলাদেশ পেল প্রথম জয়।

সেই ২০০১ সাল থেকে শুরু। দীর্ঘ ২০ বছরে তিন ফরম্যাটে নিউজিল্যান্ডে ৩২ ম্যাচ খেলেও কখনো জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। অবশেষে এসেছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শেষ পর্যন্ত জয় করা গেলো নিউজিল্যান্ড। 

এবাদত হোসেনের আগুনে বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৯ রানে থামিয়ে দেয় সফরকারীরা। এবাদত একাই নেন ছয়টি উইকেট। প্রথম ইনিংসে ১৩০ রানে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ জয়ের জন্য টার্গেট পায় মাত্র ৪০ রান। দুই উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।

সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে টিম সাউদি শুরুতে একটু কাঁপন ধরালেও সেটি একেবারেই গায়ে লাগেনি। সাদমান ইসলাম (৩) দ্রুত ফেরার পর জয়ের একেবারে কাছাকাছি গিয়ে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত। কাইল জেমিসনের বলে স্লিপে রস টেলরের হাতে ধরা পড়ার আগে শান্ত ৪১ বলে ৩ বাউন্ডারি করেন ১৭ রান। এরপর মুশফিকের বাউন্ডারিতে আসে ঐতিহাসিক জয়ের মুহূর্ত। ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। আর মুমিনুল ১৩ রান করে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলা আগের ৯ টেস্টের সবগুলো হেরেছিল বাংলাদেশ। ২০২২ সালের প্রথম দিন শুরু হওয়া মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট দিয়ে সেই আক্ষেপ দূর করলো মুমিনুলরা। একই সঙ্গে ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে নতুন বছরে নতুন সূচনায় বাংলাদেশের ক্রিকেট।

এর আগে জয়ের ভিতটা গড়ে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। আরো স্পষ্ট করে বললে এবাদত হোসেন। দ্বিতীয় ইনিংসে তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে মাত্র ১৬৯ রানে অলআউট করে অতিথিরা। চতুর্থ দিন কিউইদের সংগ্রহ ছিল পাঁচ উইকেটে ১৪৭ রান। আজ মাত্র ২২ রান যোগ করতেই গুটিয়ে যায় কিউইরা। আগের দিন শেষ বিকালে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে দিয়েছিলেন এবাদত। আজ টেস্টের শেষ দিনের শুরুতেও সেই পারফরম্যান্স ধরে রাখেন ডানহাতি পেসার। দিনের শুরুতেই বোল্ড করে ফেরান অভিজ্ঞ রস টেলরকে। ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট সিরিজ খেলতে নামা টেলর ১০৪ বলে ২ বাউন্ডারিতে করেন ৪০ রান। এখানেই থামলেন না, খানিক পর আউট করেন কাইল জেমিসনকে। এরপর শুরু তাসকিন আহমেদের দাপট।

আগের দিনের চার উইকেট নিয়ে পঞ্চম দিন শুরু করে দ্বিতীয় বলেই পাঁচ উইকেট পূরণ করেন এই পেসার। অভিজ্ঞ টেলরকে বোল্ড করে ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেটের দেখা পান তিনি। যা ২০০৩ সালের পর প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে এই অর্জনের খাতায় নাম তোলেন এবাদত। 

বল হাতে দুর্দান্ত এবাদত ২১ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে পেয়েছেন ছয় উইকেট। এমন বোলিংয়ের সুবাদে ম্যাচসেরাও হন তিনি। তাসকিন ১৪ ওভারে ৩৬ রান খরচায় নেন তিন উইকেট। আর মিরাজ ২২.৪ ওভারে ৪৩ রানে পেয়েছেন ১ উইকেট।

টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩২৮ রান করেছিল নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশ করেছিল ৪৫৮ রান। তাতে অতিথিরা লিড পায় ১৩০ রানের। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে কিউইদের ১৬৯ রানে গুঁড়িয়ে দিলে, স্বাগতিকরা পুঁজি পায় ৩৯ রানের। ৯ জানুয়ারি থেকে ক্রাইস্টচার্চে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি শুরু হবে।নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলা আগের ৯ টেস্টের সবগুলো হেরেছিল বাংলাদেশ। ২০২২ সালের প্রথম দিন শুরু হওয়া মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট দিয়ে সেই আক্ষেপ দূর করলো মুমিনুলরা। একই সঙ্গে ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে নতুন বছরে নতুন সূচনায় বাংলাদেশের ক্রিকেট।

এর আগে জয়ের ভিতটা গড়ে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। আরো স্পষ্ট করে বললে এবাদত হোসেন। দ্বিতীয় ইনিংসে তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে মাত্র ১৬৯ রানে অলআউট করে অতিথিরা। চতুর্থ দিন কিউইদের সংগ্রহ ছিল পাঁচ উইকেটে ১৪৭ রান। আজ মাত্র ২২ রান যোগ করতেই গুটিয়ে যায় কিউইরা। আগের দিন শেষ বিকালে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে দিয়েছিলেন এবাদত। আজ টেস্টের শেষ দিনের শুরুতেও সেই পারফরম্যান্স ধরে রাখেন ডানহাতি পেসার। দিনের শুরুতেই বোল্ড করে ফেরান অভিজ্ঞ রস টেলরকে। ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট সিরিজ খেলতে নামা টেলর ১০৪ বলে ২ বাউন্ডারিতে করেন ৪০ রান। এখানেই থামলেন না, খানিক পর আউট করেন কাইল জেমিসনকে। এরপর শুরু তাসকিন আহমেদের দাপট।

আগের দিনের চার উইকেট নিয়ে পঞ্চম দিন শুরু করে দ্বিতীয় বলেই পাঁচ উইকেট পূরণ করেন এই পেসার। অভিজ্ঞ টেলরকে বোল্ড করে ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেটের দেখা পান তিনি। যা ২০০৩ সালের পর প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে এই অর্জনের খাতায় নাম তোলেন এবাদত। 

বল হাতে দুর্দান্ত এবাদত ২১ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে পেয়েছেন ছয় উইকেট। এমন বোলিংয়ের পর ম্যাচসেরার পুরস্কার তার হাতেই মানায়। তাসকিন ১৪ ওভারে ৩৬ রান খরচায় নেন তিন উইকেট। আর মিরাজ ২২.৪ ওভারে ৪৩ রানে পেয়েছেন ১ উইকেট।

টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩২৮ রান করেছিল নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশ করেছিল ৪৫৮ রান। তাতে অতিথিরা লিড পায় ১৩০ রানের। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে কিউইদের ১৬৯ রানে গুঁড়িয়ে দিলে, স্বাগতিকরা পুঁজি পায় ৩৯ রানের। ৯ জানুয়ারি থেকে ক্রাইস্টচার্চে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি শুরু হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন


×