বৃহস্পতিবার | জানুয়ারি ২৭, ২০২২ | ১৪ মাঘ ১৪২৮

খবর

পুরোদমে ক্লাস শুরুতে অপেক্ষা আগামী মার্চ পর্যন্ত —শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পুরোদমে ক্লাস শুরুর জন্য আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করবে সরকার। মার্চে নভেল করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কেমন থাকে তার ওপর নির্ভর করবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুরোপুরি ক্লাস শুরুর বিষয়টি। গতকাল সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি একথা জানিয়েছেন। ঢাকার মাতুয়াইলের মৌসুমী প্রেসে নতুন বছরের পাঠ্যপুস্তক ছাপানোর কাজ পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

দীপু মনি বলেন, ওমিক্রন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু বলার সময় আসেনি। ইউরোপের দেশগুলো, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে নভেল করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন। তাই আমাদের আরো কিছুদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা ভালো আছি, কিন্তু আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, দেখা গেছে যে আমাদের দেশে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ে মার্চে। কাজেই ২০২২ সালের মার্চ না আসা পর্যন্ত আমরা বলতে পারব না যে নিরাপদ অবস্থায় আছি কিনা।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, আমরা স্কুলগুলোকে এটা বলতে পারি না যে শিক্ষার্থী সংখ্যা অর্ধেক বাড়িয়ে দাও। তবে মার্চে যদি সংক্রমণ না বাড়ে, তাহলে আমরা বলতে পারি যে পুরো সময় ধরে বিদ্যালয় চলবে।

নতুন বছরের পাঠ্যপুস্তক বিতরণের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯৫ শতাংশের বেশি বিনামূল্যের পাঠ্যবই পৌঁছে যাবে। বাকি বই আগামী জানুয়ারির মধ্যে পৌঁছবে। শিক্ষার্থীরা সময়মতো বই হাতে পেয়ে যাবে।

১৭ কোটির বেশি বই বাঁধাই হয়ে গেছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, আগামী তিন-চারদিনের মধ্যে সব বই বাঁধাই হয়ে যাবে। তার পরও স্বল্পসংখ্যক বাদ থাকতে পারে। সেটাও আমরা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে শিশুদের হাতে দিতে পারব।

করোনার মধ্যে বই বিতরণে বাড়তি সতর্কতার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অতিমারীর কারণে বছরও বই উৎসব করার মতো পরিস্থিতি আমাদের নেই। সব স্কুলেই ক্লাস ধরে ধরে বই বিতরণ করা হবে। যখন শিক্ষার্থীর বই পাওয়ার কথা সে সময় শিক্ষার্থীরা বই পাবে। এতে কোনো রকম সমস্যা হবে না।

নতুন বছরের পাঠ্যপুস্তক তদারকির বিষয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, বই ছাপার কাজ শেষ হয়েছে। এনসিটিবির পক্ষ থেকে সপ্তাহে দুইদিন প্রেস পরিদর্শনে আসে। ২০০টি প্রেসে কাজ চলছে। ১৫৮টি মাধ্যমিকের আর ৪২টিতে প্রাথমিকের বই ছাপছে। সময় মন্ত্রী নিম্নমানের বই দিলে সরবরাহকারী মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন