বুধবার | জানুয়ারি ২৬, ২০২২ | ১২ মাঘ ১৪২৮

টকিজ

শিল্পকলায় চলছে মাসব্যাপী পঞ্চম জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনী

ফিচার প্রতিবেদক

শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার গ্যালারিতে চলছে পঞ্চম জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনী। সোমবার বিকালে একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ। ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদর্শনী প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে।

এবারের প্রদর্শনীতে সারা দেশ থেকে ২১ বা তদূর্ধ্ব বয়সী ১৩৫ জন শিল্পীর মোট ২৫৪টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য জমা পড়ে। নির্বাচকমণ্ডলীর বাছাই শেষে ১০৭ জন শিল্পীর মোট ১১৪টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়া ১৭ জন আমন্ত্রিত এবং প্রয়াত পাঁচজন পথিকৃৎ ভাস্করের একটি করে ভাস্কর্যও প্রদর্শনীতে রয়েছে।

জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে আগে পাঁচজন শিল্পীকে পুরস্কার দেয়া হলেও বছর ১৩ জন শিল্পীকে পুরস্কৃত করা হবে। এর মধ্যে পঞ্চম জাতীয় ভাস্কর্য পুরস্কার-২০২১ হিসেবে লাখ টাকা মূল্যমানের একটি শ্রেষ্ঠ পুরস্কার দেয়া হবে। সেই সঙ্গে দেড় লাখ টাকা মূল্যমানের দ্বিতীয় পুরস্কার এবং লাখ টাকা মূল্যমানের তৃতীয় পুরস্কার দেয়া হবে। এছাড়া ৫০ হাজার টাকা মূল্যমানের ১০টি সম্মানসূচক পুরস্কার দেয়া হবে। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে একটি ক্রেস্ট একটি সনদ দেয়া হবে।

পঞ্চম জাতীয় ভাস্কর্য পুরস্কার-২০২১-এর শ্রেষ্ঠ পুরস্কারজয়ী হয়েছেন শিল্পী বিজন হালদার, দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন আসমাউল হুসনা মারিয়া, তৃদীয় দিনার সুলতানা পুতুল। ১০টি সম্মানসূচক পুরস্কার পেয়েছেন শিল্পী লাকী ওসমান, সাগর দে, মোর্শেদ জাহাঙ্গীর, সিগমা হক অঙ্কন, সুমন বর্মন, সৈয়দ তারেক রহমান, জয়তু চাকমা, মোহাম্মদ সামিউল আলম, ইসরাত জাহান তন্নী ইউসুফ স্বাধীন।

ধারাবাহিকভাবে ভাস্কর্যচর্চায় উৎসাহ, বিকাশমান চর্চার সুরক্ষা বিস্তারে সহায়তায় শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ১৯৭৬ সালে প্রথম এবং ১৯৮৩ সালে দ্বিতীয় জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ৩১ বছর বিরতির পর ২০১৪ সালে তৃতীয় এবং ২০১৮ সালে চতুর্থ ভাস্কর্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। বছর পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রদর্শনী।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন