শনিবার | জানুয়ারি ২৯, ২০২২ | ১৬ মাঘ ১৪২৮

আন্তর্জাতিক ব্যবসা

বৃহৎ পরিসরে হাইড্রোজেন উৎপাদনের পরিকল্পনা রিলায়েন্সের

বণিক বার্তা ডেস্ক

নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছেন বিশ্বের বড় বড় বিনিয়োগকারী। নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ তাদের এমন পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করছে। অবস্থায় পিছিয়ে নেই ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন রিলায়েন্স গ্রুপও। এবার জামনগরে রিলায়েন্স মালিকানাধীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় জ্বালানি তেল পরিশোধনাগারটির গ্যাসীভবন ইউনিট কেবল হাইড্রোজেন উৎপাদনে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

দ্য ন্যাশনালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ব্যবসা বিস্তৃত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবেই প্রতিষ্ঠানটি জামনগরে স্বতন্ত্র ইউনিট তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

জামনগরের গ্যাসীভবন প্রকল্প তৈরি করা হয়েছিল সিনথেটিক গ্যাস উৎপাদনের জন্য। এর মাধ্যমে রিলায়েন্সের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগারে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করা হতো। এখন সেটিরই পরিসর বাড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটির নতুন বিদ্যুতের ব্যবসায় কাজে লাগানো হচ্ছে।

রিলায়েন্সের এক মুখপাত্র বলেন, গ্যাসীভবন ইউনিটটি এখন আর কেবল পরিশোধনাগারে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজ করবে না। এর সক্ষমতা পরিসর আরো অনেক বেড়ে যাচ্ছে।

এর আগে পরিশোধনাগার থেকে যে উপজাত থাকত তা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তবে এখন আর সেটি করা হবে না। তাদের পরিকল্পনা হলো, সিনথেটিক গ্যাস দিয়ে উচ্চমাত্রার রাসায়নিক হাইড্রোজেন উৎপাদন করা। যেহেতু বিশ্বজুড়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষ করে হাইড্রোজেনের ব্যবহার বাড়ছে, তাই রিলায়েন্সও এর উৎপাদন বাড়াতে চায়।

এক বিবৃতিতে রিলায়েন্স বলছে, হাইড্রোজেন উৎপাদনের সময় যে কার্বন ডাই-অক্সাইড উত্পন্ন হয় তা অত্যন্ত ঘনীভূত অবস্থায় থাকে, ফলে সেটি আলাদা করা সহজ হয়। কারণে এসব কার্বন ডাই-অক্সাইড ক্যাপচার করে তা বাতাসে মিশে যাওয়া রোধ করা সহজ স্বল্প ব্যয়সাপেক্ষ হয়। পদক্ষেপের মাধ্যমে গোটা জামনগর কারখানা থেকেই কার্বন নিঃসরণ দ্রুত কমিয়ে ফেলা সম্ভব হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন