বৃহস্পতিবার | ডিসেম্বর ০২, ২০২১ | ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

টেলিকম ও প্রযুক্তি

বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করছে এন-অ্যাবল

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য ডিজাইন কনসালট্যান্সি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস নিয়ে আসছে শ্রীলংকার শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সমাধান পরিষেবা প্রতিষ্ঠান এন-অ্যাবল (প্রাইভেট) লিমিটেড। এন-অ্যাবলের লক্ষ্য সম্ভাব্য গ্রাহকদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির মাধ্যমে ব্যবসায় পর্যাপ্ত সাফল্য এনে দেয়া এবং উন্নতি অর্জনে সক্ষম করে তোলা।

বাংলাদেশে যেসব প্রতিষ্ঠান সমাধান পরিষেবা দেয়, তাদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে এন-অ্যাবল। তাদের কাজ হবে অবকাঠামো প্রয়োগ-কেন্দ্রিক ডোমেইনের ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ (এন্ড-টু-এন্ড) সমাধান ব্যবস্থা প্রণয়ন বাস্তবায়ন।

প্রতিষ্ঠানটির নতুন সম্প্রসারণ নিয়ে এন-অ্যাবলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আসাঙ্কা বিমাল রাজাসিংঘে বলেন, বিভিন্ন ধরনের শিল্পে, নানা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সর্বাধুনিক সমাধান দেয়ার ব্যাপক অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবসার ক্ষেত্র বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে পেরে এন-অ্যাবল অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে নিজেদের আঞ্চলিক উপস্থিতি আরো জোরদার করতে আগ্রহী এবং বাংলাদেশে আমাদের বৈশ্বিক সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রাথমিক ধাপ চালু করায় আমরা রোমাঞ্চিত।

রাজাসিংঘে বলেন, আমরা ভাগ্যবান। কেননা বছরের পর বছর আমাদের ক্রেতারা এন-অ্যাবলকে তাদের প্রযুক্তি কৌশল ব্যবসায়িক পরিবর্তনে গৃহীত উদ্যোগের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখেছেন। এতে আমরা দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগের পাশাপাশি নতুন কিছু করার সাহস পেয়েছি। এখন আমরা নতুন অঞ্চলে নিজেদের সক্ষমতা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে উদগ্রীব।

এন-অ্যাবলের হেড অব অপারেশনস সামিরা ভিরাজ কোদিতুওয়াক্কু বৈশ্বিক সম্প্রসারণের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাংলাদেশে আমাদের আসন্ন কার্যক্রমের কথা ঘোষণা করতে পেরে আমরা খুবই গর্বিত। প্রযুক্তি সুবিধা ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক উন্নতি অর্জনে সাহায্য করা ইতিবাচক প্রভাব রাখাই আমাদের উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, ব্যবসায়িক বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ একটি দারুণ সম্ভাবনাময় বাজার। বাংলাদেশের বর্ধনশীল অর্থনীতির ফল হিসেবে ব্যবসায়িক প্রয়োজন বাড়ছে। প্রযুক্তি সমাধানের দিক থেকে প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশ্যে আমরা কাজ করব।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন