সোমবার | নভেম্বর ২৯, ২০২১ | ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

সম্পাদকীয়

আলোকপাত

কৃষকের স্বার্থ রক্ষা ও কৃষি বিপণন ব্যবস্থার উন্নতিতে বাধা কোথায়?

ড. আর এম দেবনাথ

কিছুদিন আগে দৈনিক বণিক বার্তায় কৃষি বিপণনের ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তাতে কৃষিপণ্য বিপণনে কী করে কৃষক উৎপাদক বঞ্চিত হচ্ছেন, তার একটা মর্মস্পর্শী বর্ণনা আছে। প্রতিবেদনটি পড়তে পড়তে আমি ভাবছিলাম যেন বহু পুরনো সমস্যা। ধীরে ধীরে তা আরো প্রকট হচ্ছে। মনে পড়ে স্কুলজীবনে পাটের ওপর রচনা কত মুখস্থ করেছি। পরীক্ষায় সম্ভাব্য প্রশ্ন বলে। আবার সত্তরের দশকে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে মার্কেটিং পড়তে গিয়ে কত টিউটোরিয়াল লিখে জমা দিয়েছি। ক্লাসে শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের কাছে কৃষকদের বঞ্চনার কথা শুনেছি। অদক্ষ মার্কেটিং (বিপণন) ব্যবস্থা কীভাবে কৃষককে দিন দিন নিঃস্ব করছে তার বিশ্লেষণ স্যারদের মুখে শুনেছি। শুনেছি আর মনে করেছিতাই তো, কৃষকরা তাদের অবদান রাখছেন, অথচ তারা শোষিত বঞ্চিত। স্কুলজীবনে গুরুজনদের সঙ্গে গ্রামের বড় বাজারে যেতাম। বাজার বসত বৃহস্পতিবার দুুপুরের পর এবং তা চলত মধ্যরাত পর্যন্ত। আশপাশের -১০ মাইল দূরত্বের লোকও বাজারে আসত সওদা করতে। অনেক বাজারের মধ্যে কৃষিপণ্যের বাজার, পাটের বাজার ছিল খুবই বড় বাজার। ওসব বাজারে দেখেছি কৃষকদের পাটের বোঝা মাথায় নিয়ে মহাজনের আড়তে আড়তে ঘুরতে। ক্রেতা নেই। বাজার মন্দা, দাম কম। কম দামে বিক্রি করলেও মূল্য পাওয়া যাবে পরে। এর কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। নারায়ণগঞ্জের জুট বেইলাররা পাট কিনতে না এলে কৃষকরা পাটের দাম পাবেন না। পাট কিনবে পাটকলগুলোও। কিন্তু মূল্যপ্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তা। কৃষকরা তখন মহাজনদের কাকুতি-মিনতি করতেন কিছু ক্যাশ দেয়ার জন্য। কারণ কিছু বাজার করতে হবে। দেনা-পাওনা পরিশোধ করতে হবে। ছেলেমেয়েদের স্কুলের বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে হবে। বাজার যেখানে নেই তখন পাট মাথায় নিয়ে তা আবার বাড়িতে ফেরত নেয়া এক বিড়ম্বনা। মাথায় করে, গরুর গাড়ি করে, ঘোড়ায় করে কৃষকরা পাট-ধান নিয়ে আসতেন বাজারে। তখন রাস্তাঘাট পাকা ছিল না। কাঁচা রাস্তা দিয়ে আর অন্য কোনোভাবে তা বাজারে আনা সম্ভব ছিল না। অতএব, চিরায়িত মাধ্যমে পাট বাজারে আনা ছিল শ্রমসাধ্য, ব্যয়সাপেক্ষও। এই শ্রমসাধ্য ব্যয়সাপেক্ষ কাজেই কৃষককে ব্যস্ত থাকতে দেখেছি দিনের পর দিন। কত কৃষককে কেরোসিন তেলের বোতল খালি নিয়ে বাড়ি ফিরতে দেখেছি। শুধু পাট নয়, অন্যান্য কৃষিপণ্যের বেলায়ও দেখেছি এমনই অবস্থা। কৃষকরা বেগুন, টমেটো, মুলা, আলু ইত্যাদি বাজারে নিয়ে এসেছেন। খুচরা পাইকারি বিক্রি করার জন্য। অথচ এসবের বাজার নেই, ক্রেতা কম, দাম নেই। পচনশীল এসব কৃষিপণ্য আবার বাড়িতে নিয়ে যাবেন এটা একটা বড় রকমের বিড়ম্বনা। রাস্তায় এসব পণ্য ফেলে রেখে চলে যেতে দেখেছি। এগুলো পচেছে, গরু-ছাগলে খেয়েছে, রাস্তাঘাট দুর্গন্ধময় হয়েছে। কৃষক শূন্য হাতে বাড়িতে ফিরেছেন। পড়েছেন সুদখোর মহাজনদের খপ্পরে। শত হোক পেট তো আর মানে না। অনেক খরচ বাকিতে হয়ে গেছে। দাম পরিশোধ কীভাবে হবেএই হচ্ছে দুশ্চিন্তা। প্রতি ১০০ টাকায় প্রতি সপ্তাহে সুদ গুনতে হতো অনেক। বাজার না পাওয়া, পণ্য অবিক্রীত থাকা, সুদে টাকা ধার করা ছিল নিত্য ঘটনা। টিউটোরিয়ালে এসব লিখেছি, নম্বর পেয়েছি।

কিন্তু কৃষকের কোনো ফায়দা হয়নি। এসব দেখে রাজনৈতিক নেতারা প্রতিবাদ করতেন। তখনকার দাবিও ছিল পাটের ন্যায্যমূল্য দিতে হবে, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য দিতে হবে। ছাত্রজীবনে এসব স্লোগান দিনের পর দিন দিয়েছি। বস্তুত সত্তরের দশকে এসব স্লোগান ছিল সব বাঙালির। প্রতিপক্ষ পশ্চিম পাকিস্তানিরা। আমাদের ধারণা ছিল তারাই আমাদের দুর্দশা, কৃষকের দুর্দশার জন্য দায়ী।

আজ বাংলাদেশ স্বাধীন। বাঙালিরাই রাষ্ট্র চালায়। সিদ্ধান্ত তাদেরই। এখন লাখ বা কোটিতে কোনো হিসাব হয় না। বিলিয়নে (শত কোটি) হচ্ছে না। ট্রিলিয়ন (লাখ কোটি) ব্যবহার করছি। কিন্তু কৃষি বিপণনের অবস্থা কী? কৃষি উৎপাদনে যত জোর দেয়া হচ্ছে, তার ছটাকও কি কৃষিপণ্য বিপণনে দেয়া হচ্ছে? উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে সরকার সার, ডিজেল, কীটনাশক, বিদ্যুৎ, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদিতে ভর্তুকি দিচ্ছে। কৃষিঋণ সস্তায় দেয়া হচ্ছে। একে সহজলভ্য করা হয়েছে। এর প্রতিদান কৃষক যথারীতি দিয়ে যাচ্ছেন। ধান উৎপাদন, পাট উৎপাদন, শাকসবজি উৎপাদন, ফল উৎপাদন, মাছ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে কৃষকরা অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন। কভিড-১৯-এর কারণে সারা বিশ্বে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বিঘ্নিত হয়েছে। আমাদের কৃষকরা তা হতে দেননি। এই করোনার মধ্যেও তারা রেকর্ড পরিমাণ কৃষিপণ্য উৎপাদন করেছেন। কৃষক উৎপাদন বৃদ্ধির সরকারি আবেদনে শতভাগ সাড়া দিচ্ছেন, তাদের সন্তানরা বিদেশে রোজগার করে বিলিয়ন, বিলিয়ন ডলার পাঠাচ্ছে। কিন্তু তারা কি আমাদের কাছ থেকে সুবিচার পাচ্ছেন? তারা কি ন্যায্যমূল্যে তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারছেন? তারা কি ফড়িয়া, পাইকার খুচরা ব্যবসায়ীদের হাত থেকে, শোষণ থেকে মুক্তি পেয়েছেন? এসব প্রশ্নের উত্তর যে নেতিবাচক তা বলার কোনো অপেক্ষা রাখে না। প্রায় নিয়মিত কৃষকদের বিপণন সমস্যা উৎপাদন পর্যায়ের সমস্যার ওপর খবর প্রকাশ হচ্ছে। কিন্তু যথা পূর্বং, তথা পরং অবস্থা। উৎপাদন ক্ষেত্রে যত পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে, কৃষিতে বিনিয়োগ, কৃষিপণ্যের বিপণন ক্ষেত্রে তার উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। বিপণনের মধ্যে পড়ে পণ্য ব্যবসা, অর্থায়ন, বীমা, গুদামজাত, পরিবহন ইত্যাদি। এসব ক্ষেত্রে পদক্ষেপ কোথায়, যা কৃষকদের ন্যায্যমূল্য পেতে সহায়তা করবে? ফড়িয়া, পাইকার খুচরা ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমবে, কৃষকদের লাভ বেশি হবেএক্ষেত্রে পদক্ষেপ কোথায়?

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার্থে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। বড় পদক্ষেপ ছিল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর গ্রামে যাত্রা। গ্রামে গ্রামে ব্যাংকগুলো পল্লী উন্নয়ন, কৃষি উন্নয়নে অর্থ জোগান করার কথা। স্বাধীনতার পরপরই তিন-চার হাজার ব্যাংক শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে কৃষকদের অর্থ সমস্যা কিছুটা লাঘব হওয়ার কথা ছিল। সুদখোর-মহাজনদের দৌরাত্ম্য কমার কথা ছিল। সবচেয়ে বড় ক্যাশ ক্রপ পাট কেনার জন্য তিনি বাংলাদেশ জুট ট্রেডিং করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পাট রফতানির জন্য তৈরি করেছিলেন বাংলাদেশ জুট ট্রেডিং করপোরেশন। উদ্দেশ্য উদ্বৃত্ত পাট রফতানি করা, যাতে পাটের বাজারে মন্দা দেখা না দেয়। তিনি পাটকলগুলোকে উদারভাবে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছে, ১৯৭৫ সালে তার শাহাদত বরণের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। অনেক দিন চলে অনিশ্চয়তা। চলে সামরিক-আধা সামরিক শাসন। সরকার কোন পথে যাবে তার কোনো ঠিক ছিল না। কৃষি, কৃষি বিপণন তখন কোনো গুরুত্ব পায়নি। আমি পুরনো বাজেট ঘেঁটে দেখেছি উৎপাদন বাড়ানোর কিছু কথা আছে। কিন্তু পাশাপাশি কৃষিপণ্যের কথা খুবই কম। উৎপাদন ক্ষেত্রেও সমস্যা হয়। প্রয়াত সাইফুর রহমান অর্থমন্ত্রী থাকাকালে বলে ছিলেন, আমাদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের প্রয়োজন নেই। কারণ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলে বিদেশী সাহায্য বন্ধ হয়ে যাবে, কমে যাবে। কী দারুণ যুক্তি। সাহায্য দরকার বেশি বেশি। অতএব, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির দরকার নেই। এর অর্থ উৎপাদন বৃদ্ধির দরকার নেই। অতএব, কৃষিপণ্য বিপণনের জন্যও কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই। তিনি পরিকল্পনার কাজও বন্ধ করে দিয়েছিলে। কারণ পরিকল্পনার দরকার নেই। অবস্থা থেকে বহুদিন পর আমরা মুক্তি পাই বর্তমান সরকারের আমলে। বাজেট বক্তৃতা ঘাঁটলে আমরা দেখতে পাই সরকার যেমন উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে, তেমনি জোর দিয়েছে বিপণন ক্ষেত্রেও। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাংকের হুমকি উপেক্ষা করে সারে কৃষককে ভর্তুকি প্রবর্তন করলেন। কত সমালোচনা দেশে বিদেশে। ভয় বিশ্বব্যাংক ঋণ প্রদান কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী আশঙ্কা সত্ত্বেও সার এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণে ভর্তুকির নীতি অব্যাহত রেখেছেন। এমনকি তিনি পদ্মা সেতুও করেছেন নিজেদের অর্থে। বিশ্বব্যাংক এখন হতবাক। কী করে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হচ্ছে, কী করে নিজের অর্থে এত টাকার সেতু বানাতে পারছে এবং কী করে আজ নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হলো বাংলাদেশ!

বাজেট বক্তৃতায় দেখতে পাচ্ছি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকার ২০১২-১৩ অর্থবছরে বিপণন ক্ষেত্রেও বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে আছে কৃষি বিপণন দল গঠন, কৃষক ক্লাব গঠন, গ্রোয়ার্স মার্কেট প্রতিষ্ঠা, পাইকারি বাজার প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি। দেখা যাচ্ছে তখনকার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তার এসব পদক্ষেপের অগ্রগতি সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা দিচ্ছেন। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তিনি উল্লেখ করছেন এসেম্বল সেন্টার-এর কথা। পাশাপাশি আমরা দেখতে পাচ্ছি যাতায়াত পরিবহন ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। বাংলাদেশে বস্তুত এমন কোনো অঞ্চল বা জায়গা নেই, যেখানে নতুন রাস্তা তৈরি করা দরকার। এখন দরকার মেরামত কাজ। গুদামজাত কার্যক্রমও যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। উপজেলা শহরে সরকারি বেসরকারি খাতের একাধিক ব্যাংক আছে, যারা কৃষিতে ঋণ দিচ্ছে। শত শত এনজিওর মাধ্যমে পিকেএসএফ নিঃস্ব লোকেদের অর্থায়ন করে যাচ্ছে। আছে গ্রামীণ ব্যাংক, যারা গ্রামে গ্রামে ভূমিহীনদের অর্থায়ন করছে। অনেক বীমা কোম্পানি এখন গ্রামে কর্মরত। এদিকে স্টোরেজের কাজ অনেক সহজ হয়েছে ফ্রিজের কারণে। প্রায় মধ্যবিত্তের বাড়িতেই এখন ফ্রিজ আছে। ফলে কৃষিপণ্য এখন নষ্ট হয় কম। ভোক্তা পর্যায়ে শাকসবজি ইত্যাদি সংরক্ষিত হয়। সংরক্ষণের অভাবে আগের দিনে কৃষকদের কৃষিপণ্যের দাম মিলত না। কৃষিতে বাণিজ্যিকীকরণও এখন হয়নি। যাতায়াত ব্যবস্থা দুর্বল, পণ্যের বাজার নেই। অতএব, গ্রামে গ্রামে কৃষিপণ্য, ফলমূল বলা যায় বিনা মূল্যেই বিতরণ হতো। আম-কাঁঠাল-জাম ইত্যাদি ফল ছেলেরা খেয়ে ফেললেও কৃষক পরিবার কোনো আপত্তি করত না। শাকসবজি কৃষকরা পাড়া-প্রতিবেশীর মধ্যে বিতরণ করতেন অবলীলাক্রমে। ক্ষেত থেকে হাসি-ঠাট্টার মধ্যে টমেটো তুলে নিয়ে ছেলেরা খেয়ে ফেললে কেউ খড়্গহস্ত হতো না। মুলা, শিম, আলু ইত্যাদির একই অবস্থা ছিল। বাজারের অভাবে মার্কেটিংয়ের অভাবে এসব ঘটত। আজ আর সেই অবস্থা নেই। এখন বাজার ব্যবস্থা বেশ উন্নত হয়েছে। কেনাবেচার সুবিধা, বীমার সুবিধা, সংরক্ষণের সুবিধা, অর্থায়নের সুবিধা এবং পরিবহনের সুবিধা অনেক বেড়েছে। মোবাইলের বদৌলতে কোন পণ্যের দাম কোথায় কেমন তা জানা যাচ্ছে মুহূর্তে মুহূর্তে। এসব সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ফল কৃষকদের বেশি বেশি পাওয়ার কথা। সরকার যেসব ব্যবস্থা নিয়েছে, তার সুবিধা কৃষকদের পাওয়ার কথা। কিন্তু দৈনিক বণিক বার্তার খবর থেকে মনে হয়েছে, খুব বেশি সুবিধা কৃষকরা পাননি। খবরটির শিরোনাম: কৃষিপণ্যের মুনাফার ৮০ শতাংশই ভোগ করে ফড়িয়া, পাইকারি খুচরা ব্যবসায়ী। খবরটিতে বেগুন, আলু টমেটোর একটি হিসাব দেয়া হয়েছে। খবরটি থেকে বোঝা যায় কৃষি বিপণন ব্যবস্থায় সবিশেষ কোনো উন্নতি হয়নি, বিশেষ করে কৃষকদের স্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে। সরকার কি তাদের পদক্ষেপগুলোর কার্যকারিতা একটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে?

 

. আর এম দেবনাথ: অর্থনীতি বিশ্লেষক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন

×