বৃহস্পতিবার | অক্টোবর ২৮, ২০২১ | ১২ কার্তিক ১৪২৮

পণ্যবাজার

মালয়েশিয়ান পাম অয়েল

মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় রফতানি বাড়ছে

বণিক বার্তা ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্য উত্তর আফ্রিকায় (মেনা) আগামী পাঁচ বছরে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলভিত্তিক তেল চর্বির জাহাজীকরণের পরিমাণ অঞ্চলটির মোট পণ্য আমদানির ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমানে অঞ্চলটিতে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল আমদানির পরিমাণ মোট পণ্য আমদানির ৬৪ শতাংশ স্থান দখল করে আছে। অঞ্চলটিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি খাদ্য এবং অন্যান্য শিল্প পাম অয়েলের ক্রমবর্ধমান চাহিদার ফলে এমনটা দেখা যাবে। খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ ডটকম।

আলমি কমোডিটিস এসডিএন বিএইচডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ আলামি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান অন্যান্য পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে মেনা অঞ্চলে পর্যাপ্ত তেলবীজ উত্পন্ন হয় না। অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদিত আমদানীকৃত তেলবীজের মাধ্যমে তারা তাদের মোট চাহিদার মাত্র ৩৬ শতাংশ পূরণ করতে পারে। ফলে অবশিষ্ট চাহিদা জোগানের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে তাদের শস্যজাতীয় তেল আমদানির প্রয়োজন হয়।

আহমেদ আলামি বলেন, অঞ্চলটিতে আমাদের প্রায় ৭০ কোটি ভোক্তা রয়েছেন। সৌদি আরবে আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ রয়েছে। মালয়েশিয়ান পাম অয়েল কাউন্সিলের ওয়েবিনার সিরিজ মালয়েশিয়ান পাম অয়েল ইন মিডল ইস্টার্ন মার্কেটস, ট্রেন্ডস অ্যান্ড পটেনশিয়াল- এমন মত ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, সৌদি আরবের মোট আমদানীকৃত পাম অয়েলের ৯০ শতাংশই সরবরাহ করে মালয়েশিয়া ইন্দোনেশিয়া। একই সময়ে মিসর, ওমান সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে চাহিদার বাকি পাম অয়েল আমদানি করে থাকে দেশটি। ওমান সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে যেসব পাম অয়েল আমদানি করে থাকে তার মূল উৎসও মালয়েশিয়া ইন্দোনেশিয়া। দেশ দুটি মালয়েশিয়া ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানির পর তারা পণ্যটি সৌদি আরবে পুনরায় রফতানি করে থাকে। রসদ সরবরাহে উন্নত ব্যবস্থা উপসাগরীয় বাণিজ্যিক নীতি অনুসারে এসব রফতানি করে থাকে ওমান আরব আমিরাত।

তিনি উল্লেখ করেন, ইন্দোনেশিয়ার রফতানি নীতিতে ঘন ঘন পরিবর্তনের ফলে মালয়েশিয়ার আমদানি ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে না। উদাহরণ হিসেবে আহমেদ বলেন, যদি ইন্দোনেশিয়া তার কর বৃদ্ধি করে তাহলে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল আরো প্রতিযোগিতাপূর্ণ অবস্থানে চলে যায়।

আহমেদ আলামি বলেন, ভোক্তাদের কাছে স্থায়িত্ব গুণগত মানের কারণে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের গ্রহণযোগ্যতা বজায় রয়েছে। এর গুণগত মানই পণ্যটির রফতানি প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে সাহায্য করছে।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত আরব আমিরাত কর্তৃক মালয়েশিয়ান পাম অয়েল আমদানির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫ হাজার ৯৬৮ টন। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৪৯ হাজার ৭৩ টন।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন