শনিবার | অক্টোবর ২৩, ২০২১ | ৭ কার্তিক ১৪২৮

খবর

ওয়েবিনারে বক্তারা

কিশোরীদের গর্ভধারণ ও বাল্যবিবাহ উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাল্যবিবাহ কিশোরীদের গর্ভধারণ সমাজের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। অপরিকল্পিত গর্ভধারণের ফলে প্রসূতি কিশোরী মায়েদের শারীরিক নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এসব

বিষয় নির্মূল করতে না পারলে দেশের উন্নয়ন স্থায়ী হবে না। গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগ নেদারল্যান্ডসের উন্নয়ন সংস্থা এসএনভির আয়োজনে সেক্সচুয়াল অ্যান্ড রিপ্রডাকটিভ হেলথ অ্যান্ড রাইটস শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনায় এসব কথা বলেন বক্তারা। এতে গণমাধ্যম সহযোগী ছিল বণিক বার্তা।

অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক . আবু জামিল ফয়সাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক . মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের শিক্ষক . নাজনীন আক্তার। অনুষ্ঠানে তিন আলোচক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন।

. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, প্রজনন সক্ষমতার সমস্যা ছেলে বা মেয়ে যে কারোরই হতে পারে। আমাদের সমাজের পুরুষের ধারণা, সমস্যা শুধু নারীদের ক্ষেত্রে হয়। আমরা যৌন কোনো সমস্যা, প্রজনন সমস্যা হলে কবিরাজের কাছে যাই। তবে এসব বিষয়ে কবিরাজের বিজ্ঞানভিত্তিক কোনো চিকিৎসা নেই। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে গেলে উপযুক্ত চিকিৎসা পাওয়া যায়। যৌনাঙ্গে কোনো সমস্যা হলে আলোচনা করা যাবে নাএমন চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে যথাযথ নিরীক্ষা করতে হবে। এতে সমস্যা ধরা পড়বে। এসব সমস্যার মধ্যে অনেক বিষয়ই আছে, যেগুলো উপযুক্ত কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে সমাধান দরকার। অনেক ক্ষেত্রে কিছু কিছু মনস্তাত্ত্বিক সমস্যারও সৃষ্টি হয়। অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণের ক্ষেত্রে সমস্যার বিষয়গুলোকে তুলে ধরেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে খুব সহজেই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ পাওয়া যায়। এটি একটি বড় সমস্যা। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায় নাএমনটি বলা হলেও বাস্তবতার সঙ্গে এসবের মিল নেই। অপ্রত্যাশিক গর্ভধারণের কারণে এসব অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করেন নারীরা। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধ গ্রহণে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।

চাইল্ড ম্যারেজ অ্যান্ড টিনএজ প্রেগন্যান্সি ইন বাংলাদেশ শীর্ষক প্রবন্ধে বাংলাদেশে কিশোরীদের গর্ভধারণ বাল্যবিবাহের বিষয়ে তথ্যগত পরিসংখ্যান তুলে ধরেন অধ্যাপক . মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাল্যবিবাহ এবং কিশোরীদের গর্ভধারণ শূন্যে নামিয়ে আনতে হলে আমাদের আরো প্রচেষ্টা দরকার।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন