বৃহস্পতিবার | অক্টোবর ২৮, ২০২১ | ১২ কার্তিক ১৪২৮

পণ্যবাজার

প্রথমার্ধে পেরুর তামা উৎপাদন বেড়েছে

বণিক বার্তা ডেস্ক

বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ তামা উৎপাদনকারী দেশ পেরু। দেশটির প্রধান রফতানি পণ্যও তামা। চলতি বছরের প্রথমার্ধে দেশটির তামা উৎপাদন ১৪ শতাংশ বেড়েছে। পেরুর জ্বালানি খনিজ সম্পদবিষয়ক মন্ত্রণালয় (মিনেম) এক প্রতিবেদনে তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পেরুর তামা উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর উৎপাদন দশমিক শতাংশ থেকে ৬৪ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করেছে। পেরুর তৃতীয় বৃহৎ তামা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সাউদার্ন পেরু কপার করপোরেশন (এসপিসিসি) মোট দেশীয় উৎপাদন বাড়লেও প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন দশমিক শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে পেরুর দশম শীর্ষ তামা উৎপাদক প্রতিষ্ঠান গোল্ড ফিল্ড লা কিমার উৎপাদন কমেছে শতাংশ।

এসপিসিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, প্রতিষ্ঠানটির টোকপালা কুহন খনিতে আকরিক গ্রেডের স্বল্পতা উৎপাদন হ্রাসে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি গত বছর করোনা মহামারীর প্রভাবে উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার পুনরায় খনিগুলো চালু করতে বিলম্ব হয়েছে। এটিও উৎপাদন হ্রাসে ভূমিকা রেখেছে।

মিনেমের দেয়া তথ্যমতে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে পেরুতে উৎপাদিত তামার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার টনে। উৎপাদন বৃদ্ধিতে জ্বালানি জুগিয়েছে অ্যান্টামিনা খনি। খনিতে উৎপাদিত হয়েছে লাখ ২৬ হাজার ৭৫৫ টন তামা, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ দশমিক শতাংশ বেশি। দেশের মোট উৎপাদিত তামার ২০ শতাংশই এসেছে খনি থেকে। গত বছরের একই সময়ে মোট উৎপাদনে ১৭ শতাংশ ভূমিকা রেখেছিল খনিটি।

পেরুর দ্বিতীয় বৃহৎ তামা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ক্যারো ভার্দে। প্রতিষ্ঠানটির তামা উৎপাদন ১০ দশমিক শতাংশ বেড়ে লাখ ৯৯ হাজার ৭৯৯ টনে পৌঁছেছে। চতুর্থ বৃহৎ প্রতিষ্ঠান লাস ব্যাম্বাস উৎপাদন করেছে লাখ ৪৪ হাজার ৬৫১ টন তামা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন দশমিক শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে পঞ্চম শীর্ষ তামা উৎপাদক মাইনেরা চিনালকো পেরু বছরের প্রথমার্ধে উৎপাদন করেছে এক লাখ টন তামা। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন বেড়েছে ২২ দশমিক শতাংশ।

তবে উৎপাদন বাড়লেও তা ২০১৯ সালের প্রথমার্ধের প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরে যেতে সক্ষম হয়নি। ওই বছরের প্রথমার্ধে পেরুতে ১১ লাখ ৯০ হাজার টন তামা উৎপাদিত হয়েছিল। মহামারী-পূর্ব প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরতে এখনো কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে জানায় মিনেম। পেরুর সাবেক খনিজ সম্পদমন্ত্রী জেইমি গ্যালভেজ বলেন, চলতি বছর ২৫ লাখ টন তামা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে পেরুর।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন