শুক্রবার | সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ | ৯ আশ্বিন ১৪২৮

শিল্প বাণিজ্য

ঠাকুরগাঁও বিসিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পনগরীর অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঠাকুরগাঁও বিসিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পনগরীর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) একনেক সভায় গতকাল প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এনইসি সম্মেলন কক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এতে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের আকচা মৌজায় ৫০ একর জায়গায় ৯৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এটি বাস্তবায়ন করবে।

বিসিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পনগরী, ঠাকুরগাঁও শীর্ষক প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিসিক চেয়ারম্যান মো. মোশতাক হাসান। তিনি বলেন, প্রকল্পটি গ্রহণের উদ্দেশ্য হলো খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য পরিবেশবান্ধব শিল্প কমপ্লায়েন্স-সমৃদ্ধ আধুনিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক স্থাপন করা; যার মাধ্যমে শিল্প প্লটের ব্যবস্থা করা, ঠাকুরগাঁও এর আশেপাশের অঞ্চলসহ অপরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠিত খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ইন্ডাস্ট্রিগুলো স্থানান্তরের জন্য পরিবেশবান্ধব, শিল্প কমপ্লায়েন্স-সমৃদ্ধ আধুনিক শিল্প প্লটের ব্যবস্থা করা, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান বৃদ্ধির মাধ্যমে সমৃদ্ধ দেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে এটি। 

জানা গেছে, প্রকল্পের মাধ্যমে ২৪৯টি শিল্প প্লট তৈরি করা হবে। ফলে প্রায় ২৩০টি শিল্প ইউনিট স্থাপনের ব্যবস্থা হবে। যেখানে ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। এছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১০ শতাংশ হিসেবে ২৫টি শিল্প প্লট সম্ভাবনাময় নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দ রাখা হবে। 

এর আগে ২০১৮ সালের মার্চে ঠাকুরগাঁও জেলা সফরকালে জেলায় খাদ্য প্রক্রিয়াজাত অঞ্চল স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে বিসিকে চিঠি পাঠানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৫০ একর জমিতে বিসিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পনগরী স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়।

পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। পরিকল্পনা কমিশন ওই ডিপিপি পরীক্ষা করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংশোধন সংযোজন করে ডিপিপি পুনর্গঠনের নির্দেশনা দেয়। এছাড়া ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর পঞ্চগড় জেলার খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের লিস্ট, উৎপাদিত কৃষিপণ্যের তথ্য এবং সংশোধিত সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের তালিকা ডিডিপিতে সংযুক্ত করা হয়। পরিকল্পনা কমিশনের অন্যান্য নির্দেশনাও বাস্তবায়ন করে ডিপিপি প্রণয়ন করে বিসিক।  

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন