রবিবার | জুলাই ২৫, ২০২১ | ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

পণ্যবাজার

হিলিতে নিম্নমুখী পেঁয়াজের দাম

বণিক বার্তা প্রতিনিধি, হিলি

প্রতি বছর ঈদুল আজহার আগে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। তবে এবারের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। ঈদ ঘিরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি বাড়ায় মাত্র একদিনের ব্যবধানে পণ্যটির পাইকারি দাম কেজিতে টাকা করে কমেছে।

বন্দরসংশ্লিষ্টরা জানান, একদিন আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৮-৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে দাম কমে এসব পেঁয়াজ ২৮-২৯ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সম্প্রতি দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।

হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত আছে। তবে আগের তুলনায় আমদানির পরিমাণ বেড়েছে। বন্দর দিয়ে নাসিক ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ ২৮-২৯ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নাসিক জাতের পেঁয়াজ ৩১-৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। বর্তমানে জাতের পেঁয়াজের দাম কমে ২৯-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা কেন্দ্র করে দেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা বেশি। অন্যদিকে ঈদের ছুটিতে এক সপ্তাহ বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে। এসব বিষয় মাথায় রেখেই পেঁয়াজের আমদানি আগের তুলনায় বাড়িয়েছেন বন্দরের আমদানিকারকরা। বন্দর দিয়ে ইন্দোর নাসিক জাতের পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায় ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ। ফলে বাজারে নাসিকের তুলনায় ইন্দোর জাতের পেঁয়াজের চাহিদা একটু বেশি। তাই জাতের পেঁয়াজ বেশি পরিমাণে আমদানি হচ্ছে। যদিও কয়েক দিন ধরেই পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। অন্যদিকে নাসিক জাতের পেঁয়াজ মূলত রাজধানী ঢাকা চট্টগ্রাম এলাকায় চলে যায়। কিন্তু এলাকাগুলোয় এসব পেঁয়াজের চাহিদা কমে যাওয়ায় আগের মতো পেঁয়াজ যাচ্ছে না। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় জাতের পেঁয়াজের দাম কমেছে।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে ঈদ ঘিরে আমদানি বেড়েছে। আগে যেখানে বন্দর দিয়ে ৩০-৩৫ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হতো, বর্তমানে তা বেড়ে ৪৫-৫৫ ট্রাক করে আমদানি হচ্ছে। শনিবার একদিনেই বন্দর দিয়ে ৫৭টি ট্রাকে হাজার ৬০০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে ৪৭টি ট্রাকে হাজার ৩৪১ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। পেঁয়াজ কাঁচামাল হওয়ায় দ্রুত দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন