সোমবার | মে ২৩, ২০২২ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ 

শেয়ারবাজার

বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারের আইপিও আবেদনের তারিখ নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসার প্রক্রিয়ায় থাকা বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেডের আইপিও আবেদনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির আইপিও আবেদন আগামী ১৩ জুন থেকে শুরু হবে, চলবে ১৭ জুন পর্যন্ত।

বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারের প্রান্তসীমা মূল্য (কাট-অফ প্রাইস) ৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি বছরের ২২-২৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নিলামে মূল্য নির্ধারণ হয়। নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা সর্বোচ্চ দর প্রস্তাব করেছেন ৩২ টাকা। আর সর্বনিম্ন দর প্রস্তাব করা হয়েছে ১৩ টাকা।

নিয়ম অনুসারে, নিলামে অংশ নেয়া যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে নিজ নিজ প্রস্তাবকৃত দরে শেয়ার ইস্যু করা হবে। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার পাবেন প্রান্তসীমা মূল্যের ১০ শতাংশ বাট্টায় অর্থাৎ ২৮ টাকা ৮০ পয়সায়।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭৫৫তম কমিশন সভায় বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারকে বিডিংয়ের অনুমোদন দেয়া হয়। আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২২৫ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করে তারা সাবসিডিয়ারি কোম্পানি কর্ণফুলী পাওয়ার বারাকা শিকলবাহা পাওয়ারে বিনিয়োগের পাশাপাশি আংশিক দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পরিশোধ আইপিও প্রক্রিয়ার ব্যয় নির্বাহে খরচ করবে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী অনুসারে, পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) সম্মিলিতভাবে ২৩ টাকা আর এককভাবে ২০ টাকা ৯৮ পয়সা। একই সময়ে কোম্পানিটির সম্মিলিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে টাকা ৩৭ পয়সা, এককভাবে যা টাকা ৮৪ পয়সা।

বিগত পাঁচ বছরের আর্থিক বিবরণী অনুসারে, কর-পরবর্তী নিট মুনাফার ভারিত গড় হারে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস দাঁড়িয়েছে টাকা ৩০ পয়সা, এককভাবে যা টাকা ৮২ পয়সা।

কোম্পানিটির বিডিং অনুমোদনের সময় কমিশন থেকে দুটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কমিশন কর্তৃক সম্মতিপত্র ইস্যুর তারিখ থেকে আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত কোম্পানিটি বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন বাড়াতে পারবে না এবং সব সময় সাবসিডিয়ারি কোম্পানির ন্যূনতম ৫১ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন