রবিবার | জুন ২০, ২০২১ | ৬ আষাঢ় ১৪২৮

পণ্যবাজার

এফএও ফুড প্রাইস ইনডেক্স

খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে ৭ বছরের সর্বোচ্চে

বণিক বার্তা ডেস্ক

করোনা মহামারীতে সৃষ্ট সংকটের কারণে চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও উৎপাদন সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়ে গত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বছরের এপ্রিলে টানা ১১ মাসের মতো বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য কৃষি সংস্থা। মূল্যবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধান প্রভাবকের ভূমিকা পালন করেছে চিনি। এছাড়া সময় খাদ্যশস্যের বাজারদরেও ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত ছিল। বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ে খাদ্য কৃষি সংস্থার (এফএও) ফুড প্রাইস ইনডেক্স (এফএফপিআই) শীর্ষক প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে জাতিসংঘের খাদ্য কৃষি সংস্থার খাদ্যপণ্যের মূল্যসূচক দাঁড়িয়েছে ১২০ দশমিক শতাংশ। এটি চলতি বছরের মার্চের তুলনায় দশমিক শতাংশ বেশি এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০ দশমিক শতাংশ বেশি। মূল্যসূচক ২০১৪ সালের মে মাস থেকে বছরের একই সময়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে খাদ্য কৃষি সংস্থার চিনির মূল্যসূচক দশমিক শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি গত বছরের একই মাসের তুলনায় ৬০ শতাংশ বেশি। বিশ্বের শীর্ষ চিনি উৎপাদনকারী দেশ ব্রাজিল। দেশটিতে উৎপাদনে মন্থরগতি এবং ফ্রান্সে তুষারপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে চিনির বৈশ্বিক সরবরাহ কমে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় কমতে থাকে পণ্যটির দাম।

এদিকে খাদ্য কৃষি সংস্থার ভোজ্যতেলের মূল্যসূচক গত মাসে দশমিক শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনা মহামারীর প্রকোপ বৃদ্ধির কারণে বিশ্বের শীর্ষ পাম ওয়েল আমদানিকারক দেশগুলোতে প্রত্যাশার তুলনায় উৎপাদন কম হয়েছে। ফলে ভোজ্যতেলের মূল্যসূচকও মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে। সয়াবিন সরিষার তেলের মূল্যও ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তবে সূর্যমুখী তেলের মূল্য কিছুটা কমে গেছে বলে জানানো হয় এফএও ফুড প্রাইস ইনডেক্সে।

রোমভিত্তিক এফএও জানায়, মাংসের মূল্যসূচক বছরের মার্চের তুলনায় গত মাসে দশমিক শতাংশ বেড়েছে। পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় গরু, ভেড়া শূকরের মাংসের দাম সময় বাড়তে থাকে। তবে বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতিতে ভারসাম্য বজায় থাকায় হাঁস-মুরগির মাংসের দাম কিছুটা অপরিবর্তনশীল ছিল।

গত মাসে দানাদার খাদ্যশস্যের মূল্যসূচক দশমিক শতাংশ বেড়েছে। প্রবৃদ্ধির পরিমাণ মার্চের তুলনায় কিছুটা বেশি। গত বছরের এপ্রিলের তুলনায় খাদ্যশস্যের মূল্যসূচক ২৬ শতাংশ বেড়েছে। ভুট্টার মূল্যসূচক গত বছরের তুলনায় শতাংশ বেড়ে ৬৬ দশমিক শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে বৈশ্বিক গমের মূল্যসূচক স্থিতিশীল রয়েছে। চাল যবের মূল্য কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে আছে।

এদিকে দুগ্ধ্যজাত পণ্যের মূল্যসূচক বছরের মার্চের তুলনায় এপ্রিলে দশমিক শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে এশিয়া অঞ্চলে মাখন, পনির ননিযুক্ত গুঁড়ো দুধের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এসব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন