সোমবার | এপ্রিল ১৯, ২০২১ | ৫ বৈশাখ ১৪২৮

খবর

লকডাউনের চতুর্থ দিন

নিত্যপণ্যের বাজারে ক্রেতা কম

নিজস্ব প্রতিবেদক

সপ্তাহব্যাপী লকডাউনের গতকাল চতুর্থ দিন রাজধানীর নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার ছিল তুলনামূলক ফাঁকা। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, লকডাউনের আগের দিন অনেকে রোজার বাজারসহ ১০-১৫ দিনের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য একসঙ্গে ক্রয় করে ফেলেন। ফলে গত দুদিন বাজারে ভিড় কম ছিল। এখনো যারা রোজার বাজার করেননি, আজ কাল ছুটির দিনে বাজারে তাদের সমাগম বাড়বে।

ক্রেতা কম থাকলেও রাজধানীর শ্যামবাজার, কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ী, পলাশী, হাতিরপুল, জুরাইন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নিত্য পণ্যের দাম আকাশ ছোঁয়া। ক্রেতারা জানিয়েছেন, রোজা লকডাউন ইস্যুতে সব পণ্যের দাম তাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। তবুও জীবন বাঁচানোর তাগিদে উচ্চমূল্যেই কিনতে হচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি পাইজাম চালের দর ছিল ৫০-৫২ টাকা, আটাশ চাল ৫৩-৫৫ টাকা, মিনিকেট ৬০-৬৪ টাকা এবং নাজিরশাইল ৬৫ টাকা। খোলা সুপার সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১২৫-১৩০ টাকা, পাম তেল ১১০-১১৫ টাকা বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি পাঁচ লিটার ৬২৫-৬৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি হালি ফার্মের মুরগির ডিম ২৮-৩০ টাকা হাঁসের ডিম ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

বাজারে হাতে ভাজা, মেশিনে ভাজা প্যাকেটজাত তিন ধরনের মুড়ি পাওয়া যায়। মেশিনে ভাজা খোলা মুড়ির দাম ছিল সবচেয়ে কম। প্রতি কেজি ৭০ টাকা। হাতে ভাজা খোলা মুড়ি ৮০ টাকা এবং প্যাকেটজাত মুড়ি ১০০-১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হয়েছে ৬৮ টাকায়। প্যাকেটজাত চিনি ৭৫ লাল চিনি ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া কেজি প্রতি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৬৫-৬৮ টাকায়, ডাবলি ৪৫, বুটের ডাল ৭৫, মুগডাল ১১০-১৪০ টাকা এবং খেসারির ডাল ৭৫-৮০ টাকা। প্রতি কেজি খোলা বেসনের মূল্য ছিল ৫৫-৬০ টাকা এবং প্যাকেটজাত বেসন বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকায়।

কাঁচাবাজারেও ক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস। অধিকাংশ সবজির মূল্য ছিল ৪০-৫০ টাকার উপরে। প্রতি কেজি মুলার দর ছিল ৪০ টাকা, করলা ৬০, শিম ৫০, কাঁচা আম ৭০, বেগুন ৪০, শসা ৪০, চিচিঙ্গা ৩৫, টমেটো ৩০, মরিচ ২০, পেঁপে ২০, আলু ২০ টাকা এবং মাঝারি সাইজের লাউ প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ ৪০, চীনা পেঁয়াজ ৩৫, দেশী রসুন ৮০, চীনা রসুন ১০০, দেশী আদা ১৫০ ভারতীয় আদা ১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

ব্রয়লার মুরগি ১৪০-১৫০ সোনালি বা পাকিস্তানি কক মুরগি ২৩০-২৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন