বৃহস্পতিবার | জুন ১৭, ২০২১ | ৩ আষাঢ় ১৪২৮

সম্পাদকীয়

অভিজ্ঞতা বিনিময়

স্বাস্থ্য সমতা নিয়ে কিছু কথা

ড. আহমদ মোশতাক রাজা চৌধুরী

[গতকালের পর]

পরের দিন পূর্বাহ্নে সবাই বসলাম। ইকুইটি প্রকল্পের শেষ কিছু আলোচনা কর্মসভার সমাপ্তি। সুন্দর করে সাজানো টেবিলের চারপাশে বসলাম। দেখলাম, সবার সামনে ছোট ছোট গ্লাসে পানীয় রাখা। দেখতে অনেকটা বিয়ারের মতো। জানি মদ্যপানে চীনাদের আসক্তি অন্য অনেক জাতির চেয়ে বেশি কিন্তু এই সাতসকালে বিয়ার কেন? বন্ধু ফারুকের সেই রহস্য বের করতে একটুও কষ্ট হলো না। আসলে এটি ছিল চা। চীনারা প্রচুর চা পান করে, পানির বদলেও চা। দেখলাম, একটু পর পরই এসে গ্লাস আবার ভর্তি করে দিচ্ছে। প্রথমবারের চীন ভ্রমণে তাই অনেক কিছুই আবিষ্কার করলাম। 

চংচিংয়ের নৈশভোজের কথা আগেই উল্লেখ করেছি। সেখানে প্রচুর পরিমাণে পানীয়ের ব্যবস্থা ছিল। নানা ধরনের পানীয়। চীনের সবচেয়ে নামকরা পানীয় হলো মাওতাই  ধরনের ভোজে মাওতাই অত্যাবশ্যকীয়। অনেকেই সহজে মাতাল হয়ে যায়। মাওতাই পানের গ্লাসও একটু আলাদা। অনেকটা টিউলিপ আকৃতির। ধরনের চীনা পার্টিতে আরেকটি কৌতূহলোদ্দীপক সংস্কৃতি বা রীতি চোখে পড়ল। নিমন্ত্রণকারী বা হোস্ট কোনো কোনো অতিথির নাম উচ্চারণ করে জোরে ঘোষণা দিয়ে বলবে গামবে এবং সেই সঙ্গে পূর্ণ গ্লাস মাওতাই তার হাতে তুলে দেবে। গামবের এর অর্থ হলো ড্রাই আপ, অর্থাৎ অতিথিকে পুরো গ্লাসটাই এক নিঃশ্বাসে খালি করে ফেলতে হবে। যারা অভ্যস্ত তারাও এক বা দুই গ্লাসের বেশি মাওতাই পান করতে পারে না।

উহানে ইকুইটি প্রকল্পের সভা শেষ হলে সবাই নিজ নিজ গন্তব্যে চলে গেল। তবে রয়ে গেল এক বিরাট দায়িত্ব। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সমতা অর্জনের যে আন্দোলনের সূচনা হলো, তাকে এগিয়ে নেব কীভাবে? গ্লোবাল হেলথ ইকুইটি ইনিশিয়েটিভ থেকে কিছু নতুন প্রকল্প শুরু হয়েছিল। বাংলাদেশে ব্র্যাক আইসিডিডিআর,বি একসঙ্গে শুরু করল বাংলাদেশ হেলথ ইকুইটি ওয়াচ নামে একটি উদ্যোগ, যার প্রধান কাজ ছিল দেশে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সমতার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে গবেষণাভিত্তিক অ্যাডভোকেসি করা। পরবর্তী সময়ে উদ্যোগ বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের সঙ্গে একীভূত হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গ্লোবাল ইকুইটি গ্যাজ অ্যলায়েন্স বা গেগা আত্মপ্রকাশ করে, যার নির্বাহী বোর্ডে আমাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গেগার সচিবালয় স্থাপিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে। ২০০২ সালে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেয়ার পরে আমি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় হেলথ ইকুইটি ধারণা প্রবর্তনে বিশেষ উদ্যোগী হই। লক্ষ্যে আমি গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমুনাইজেশন বা এধার-এর কার্যনির্বাহী পরিষদে যোগ দিই। প্রধান নির্বাহী টোরে গোডালের সঙ্গে কাজ করে এধার-তে হেলথ ইকুইটি একটি এজেন্ডা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যার ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের জুনে ওয়াশিংটনে একটি আন্তর্জাতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। আমেরিকান রেড ক্রসের সহায়তায় অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন দেশের সরকারি, এনজিও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা যোগ দেন। এখানে প্রতিটি ক্ষেত্রে হেলথ ইকুইটিকে প্রাধান্য দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

উহান ছেড়ে আমরা তিনজন বিমানে চেপে বেইজিং গেলাম। তখনও আমাদের আরেকটি কাজ বাকি ছিল। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য সায়েন্টিফিক স্টাডি অব পপুলেশন বা আইইউএসএসপি হলো জনসংখ্যাবিদদের এক শীর্ষ সংগঠন। প্রতি চার বছর অন্তর এর বিশ্ব সম্মেলন হয়। সেবার হয়েছিল বেইজিংয়ে। আমাদের একটি প্রবন্ধ সেখানে উপস্থাপন করার জন্য নির্বাচিত হয়েছিল। বিশ্বের সব নাম করা ডেমোগ্রাফার সেখানে উপস্থিত। বাংলাদেশ থেকে যোগ দেয়া কয়েকজনের মধ্যে বরকত--খুদার সঙ্গে দেখা হলো। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সন্ধ্যার পরে আমাদের সেশন। নির্ধারিত সময়ের একটু আগেই আমরা নির্দিষ্ট ভেনুতে উপস্থিত হলাম। ধরনের বড় সম্মেলনে একসঙ্গে অনেক সেশন চলে, যাকে বলা হয় সমান্তরাল সেশন আমাদেরটাও তাই। প্যানেলে আমরা তিনজনই বক্তা। কিন্তু আগে বুঝতে পারিনি আমাদের সেশনের এমন পরিণতি হবে। দেখা গেল বক্তা-শ্রোতা মিলে রুমে উপস্থিত মাত্র তিনজন, শুধু আমরাই! এমন অবস্থা আরেকবার হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের জুনে নিউইয়র্কে প্রথম গ্লোবাল মাইক্রোক্রেডিট সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। একশরও বেশি দেশ থেকে আসা ডেলিগেটের সংখ্যা ছিল এক হাজারের বেশি। সেখানে সহকর্মী আতিকুন নবী ব্র্যাকের হয়ে একটি সেশনের আয়োজন করে। এটাও একটা সমান্তরাল সেশন। সময় দেয়া হয়েছে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা। আমরা দুজন ছাড়া তৃতীয় বক্তা সহকর্মী ফারজানা চৌধুরী (বর্তমানে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী) দেখা গেল আমরা আমরাই, আর কেউ আসেনি। কেন এমন হলো, তার দুটো কারণ আমরা খুঁজে পেয়েছিলাম। একটা হলো সময়। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন, কাজেই অনেক ডেলিগেট সম্ভবত রাতের নিউইয়র্ক দেখতে বেরিয়ে গেছেন। তারও চেয়ে বেশি মনে হয়েছিল রুমের অবস্থান। রুমটি ছিল অনেক ভেতরে, যেটা খুঁজে পাওয়া অত সহজ ছিল না। কিন্তু তার উল্টোটাও দেখেছি অনেকবার। নিউইয়র্কের সেই একই সম্মেলনে ফিরে যাই। প্রথম দিবসের সন্ধেবেলার প্ল্যানারি সেশনে আমি একজন বক্তা। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও উপস্থিত। সেখানে আমার বক্তব্যের বিষয় ছিল ক্ষুদ্রঋণের আর্থসামাজিক প্রভাব। অডিটোরিয়াম পরিপূর্ণ। অনেক বাহবা কুড়িয়েছিলাম। নিজেকে ভীষণ ধন্য মনে হয়েছিল। ভালো-খারাপ, সাফল্য-ব্যর্থতা মিলিয়েই তো জীবন, সেটা ব্যক্তিগত জীবনই হোক বা পেশাগত জীবন। দুটোকে সহজভাবে মেনে নেয়াতেই রয়েছে জীবনের সার্থকতা।

চীনে অনেকবার যাওয়া হয়েছে। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে ইউনিসেফের আমন্ত্রণে তাদের একটি প্রকল্পের মূল্যায়নের দায়িত্ব নিই। ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের নিমিত্তে ইউনিসেফ চীনের দরিদ্রতম ১২টি প্রদেশে একটি পরীক্ষা চালায়। প্রায় ছয় মাস ধরে চলা মূল্যায়ন কাজে আমি পাঁচবার চীন সফর করি। কাজে আমাকে সহায়তা করেন ইউনিসেফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অশোক নিগাম। আমরা দেখতে পেলাম যে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের অনেক ক্ষমতায়ন হয়েছিল ঠিকই কিন্তু ঋণের পরিমাণ স্বল্প হওয়ার কারণে আয়-ব্যয়ের ওপর এর তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। কাজে জড়িত হয়ে আমি চীনের অনেক প্রত্যন্ত এলাকা দেখার এবং তাদের জীবনযাত্রা অবলোকন করার দুর্লভ সুযোগ পেয়েছিলাম।

জনস্বাস্থ্য বা পাবলিক হেলথ এবং চিকিৎসাবিজ্ঞান বা ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব সবসময়ই বিদ্যমান ছিল। একে কেউ কেউ নাম দিয়েছিলেন স্কিজম (schism) বা বিভাজন। এদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আশির দশকের প্রথম দিকে রকফেলার ফাউন্ডেশন একটি প্রকল্প হাতে নেয়। এর ফলে ইন্টারন্যাশনাল ক্লিনিক্যাল এপিডেমিওলজি নেটওয়ার্ক বা ইনক্ল্যানের আবির্ভাব ঘটে। নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বল্প বেশি আয়ভুক্ত কয়েকটি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনক্ল্যানের শাখা স্থাপিত হয়। উদ্দেশ্য হলো, পাবলিক হেলথ ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের মধ্যে একযোগে কাজ করার উপযোগিতা উপলব্ধি করানো এবং সেই লক্ষ্যে সম্মিলিত গবেষণাকাজের উন্মেষ ঘটানো। প্রায় দুই দশক ধরে চলে ইনক্ল্যান, যেখানে রকফেলার ফাউন্ডেশন প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে। ১৯৯৯ সালে এর একটি মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আমাকে একজন সদস্য নিয়োগ করা হয়। পাঁচজনের একটি টিম, যার মধ্যে ছিলেন প্যাট্রিক ভোন (লন্ডন স্কুলের অধ্যাপক), হাফডান মাহলার (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ইমেরিটাস), বেলগিন টেকচে (তুরস্কের বসফোরাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক), হরখে হিমেনেজ (সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, চিলি) এবং আমি। মূল্যায়নের জন্য একটা ছক তৈরি হয়, যার প্রধান অংশ ছিল মাঠ পরিদর্শন। আমরা পাঁচজন মিলে ঠিক করে নিই কে কোন দেশে যাব। আমার ভাগে পড়ে দুটি দেশভারত চীন, সাথী হলেন হাফডান মাহলার। ১০ দিন করে ভারত চীনে গিয়ে সেসব দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় দেখার এক দুর্লভ সুযোগ হয়েছিল। তার চেয়েও বেশি ছিল মাহলারের সান্নিধ্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার -যাবত্কালের সবচেয়ে কার্যকরী মহাপরিচালক ছিলেন মাহলার, যার সময়ে ১৯৭৮ সালের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা বা পিএইচসি সনদ গৃহীত হয়। সনদটি আলমা-আতা ঘোষণা নামে সমধিক পরিচিত।

চীনে আমরা দুজনে মিলে ১০ দিনে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় যথা সাংহাই, চেংদু বেইজিং সফর করি। শুরু হয় সাংহাই দিয়ে। স্থানীয় ইনক্ল্যান শাখায় সব সদস্যের সঙ্গে দেখা করে তাদের কাজ সম্পর্কে জানা গেল। মাহলার তার প্রথম জীবনের বিশেষ একটি সময় চীনে কাটিয়েছিলেন। কাজেই চীনের অনেক কিছু এবং স্বাস্থ্য খাতে যারা কাজ করেন, তাদের অনেকেই ছিলেন মাহলারের পরিচিত। স্থানীয় ইনক্ল্যান নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে অনেক কিছুই জানা গেল। মনে হলো, ইনক্ল্যানের ফলে পাবলিক হেলথ ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের মধ্যে একযোগে কাজ করার কিছুটা হলেও মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। রাতে নৈশভোজ। তাতে সাংহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টরও যোগ দিলেন। অফিশিয়াল চাইনিজ ডিনার মানে অন্তত ২০ কোর্স খাবার থাকবে। একটার পর একটা ডিশ আসছে আর আমরা আলোচনায় ব্যস্ত। সাংহাই থেকে চেংদু। একই নিয়মে সেখানেও ইনক্ল্যান সম্পর্কে অনেক কিছু জানা গেল। তারপর বেইজিং। চীনে ইনক্ল্যানের সফলতা সম্পর্কে বেশ ধারণা হয়ে গেল, যেটা আমাদের মূল্যায়নের মূল প্রতিবেদন তৈরিতে বিশেষ সহায়ক হয়েছিল। আগেই বলেছি, চীন সফরের একটি বিশেষ হাই পয়েন্ট ছিল মাহলারের সঙ্গে সময় কাটানো। তার বর্ণাঢ্য জীবনের অনেক কিছুই নতুন করে আবিষ্কার করেছিলাম। পিএইচসি সনদ ছিল সাধারণ, বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মুক্তির সনদ। তবে কাজের অনেক বিরোধিতাও ছিল। সনদ তৈরি করার সময়ে উদ্যোক্তাদের নানা ধরনের কূটনৈতিক তত্পরতা আলোচনা-পরামর্শ চালাতে হয়েছিল। গৃহীত হওয়ার পরেও সনদটির বিপদ কাটেনি। পশ্চিমা দেশগুলো থেকে চলে এল সমান্তরাল আরেক প্রস্তাবনা, যার নাম দেয়া হলো সিলেকটিভ পিএইচসি ফলে আলমা-আতার চেতনা অনেকটা ম্লান হয়ে গিয়েছিল। সিলেকটিভ পিএইচসির প্রধান প্রতিপাদ্য ছিল, আর্থিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেক উন্নয়নশীল দেশ পুরো পিএইচসি বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তার বিপরীতে কিছু অধিক কার্যকর ইন্টারভেনশন, যেমন খাওয়ার স্যালাইন, টিকা, মাতৃদুগ্ধের ব্যবহার, পরিবার-পরিকল্পনা ইত্যাদি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রচলন করা উচিত। মাহলারের দুঃখ এই যে এর পেছনে ইউনিসেফের মতো অনেক সংস্থাও জড়িয়ে গেল। বিকল্প প্রস্তাবনায় চলে এল গবি-এফএফএফ, যা দাতা সংস্থাগুলোর কাছে অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছিল। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, আলমা-আতা এখনো প্রাসঙ্গিক এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ম্যাগনা কার্টা হিসেবে স্বীকৃত।

মাহলারের সঙ্গে চীনে কয়েক দিন এবং পরে ভারত সফরে একসঙ্গে কাটানোর পরে টের পেয়েছিলাম তিনি কত বড় মাপের বিনয়ী মানুষ! ডেনমার্কে জন্ম নেয়া মাহলার মজা করে বলতেন, তার প্রথম নাম হাফডান—‘হাফ ডান বা অর্ধেক ড্যানিশ, বাকিটা জার্মান। ২০০০ সালে মাহলার শেষবার ঢাকায় এসেছিলেন পিপলস হেলথ মুভমেন্ট বা পিএইচএমের প্রথম সম্মেলনে যোগ দিতে। সে সময় তিনি উত্তরার বাসায় এসে আমাদের কৃতার্থ করেছিলেন।

এই মহামতির জন্য রইল আন্তরিক অকৃত্রিম শ্রদ্ধা আর প্রাণঢালা ভালোবাসা। [শেষ]

 

. আহমদ মোশতাক রাজা চৌধুরী: ব্র্যাকের সাবেক ভাইস চেয়ারপারসন, জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের প্রতিষ্ঠাতা ডিন, বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের আহ্বায়ক

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন