মঙ্গলবার | এপ্রিল ২০, ২০২১ | ৬ বৈশাখ ১৪২৮

শিল্প বাণিজ্য

এনবিআরের প্রাক-বাজেট আলোচনা শুরু হচ্ছে আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাক-বাজেট আলোচনা আজ সোমবার শুরু হচ্ছে। মোট ৩০টি খাত-উপখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের শুল্ক, ভ্যাট করসংক্রান্ত বিষয়ে মতবিনিময় করবে এনবিআর। এটি চলবে আগামী এপ্রিল পর্যন্ত। এনবিআরের আয়োজনে মাসব্যাপী আলোচনায় খাতভিত্তিক প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বোর্ডের পক্ষ থেকে গতকাল -সংক্রান্ত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রথম দিন মার্চ শিল্প খাতের সংগঠন বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সভা শুরু হবে। সভাটি সেগুনবাগিচায় এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে ওইদিন বেলা সাড়ে ৩টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে। সব বিভাগীয় শহরেও একটি করে মতবিনিময় সভা হবে। সব বৈঠকেই এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আর আগামী এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিভাগীয় চেম্বারের মধ্যে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং রাজশাহী বিভাগের সব জেলা চেম্বারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আলোচনা কার্যক্রম শেষ হবে। এরপর অর্থমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এফবিসিসিআইয়ের পরামর্শক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে এরই মধ্যে বাজেট প্রস্তুতির সহায়তার লক্ষ্যে বিভিন্ন চেম্বার অ্যাসোসিয়েশনকে তাদের নিজ নিজ বাজেট প্রস্তাব ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) কাছে লিখিতভাবে মার্চের মধ্যে পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছে রাজস্ব বোর্ড। একই সঙ্গে প্রস্তাবের আরেকটি সফটকপি -মেইলের মাধ্যমে এনবিআরের প্রধান বাজেট সমন্বয়কারী প্রথম সচিব (কর আপিল অব্যাহতি) মো. গোলাম কবীর বরাবর পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

করোনার মধ্যেই চলতি অর্থবছরে লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দেন অর্থমন্ত্রী, যা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন। বৈশ্বিক করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যেই দ্বিতীয়বারের মতো ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়নে কাজ শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, আগামী বাজেটেও করোনা মোকাবেলায় থাকছে একগুচ্ছ অগ্রাধিকার খাত। পাশাপাশি বাজেটে টাকার পরিমাণ ২৪ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা বাড়িয়ে আকার নির্ধারণ করা হচ্ছে লাখ ৯২ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে ঘাটতি ধরা হচ্ছে জিডিপির দশমিক শতাংশ। আগামী অর্থবছরে ডিজিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হচ্ছে দশমিক শতাংশ। মূল্যস্ফীতির হার দশমিক শতাংশ রাখতে চায় সরকার।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন