সোমবার | মার্চ ০৮, ২০২১ | ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭

পণ্যবাজার

করোনায় নীলগিরিতে চা উৎপাদন কমল ৪%

বণিক বার্তা ডেস্ক

নভেল করোনাভাইরাসের মহামারী লকডাউনের ধাক্কায় দক্ষিণ ভারতের নীলগিরিতে চা উৎপাদনে রীতিমতো ধস নেমেছে। বিদায়ী বছরে জেলায় পানীয় পণ্যটির উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় প্রায় শতাংশ কমে এসেছে। টি বোর্ড অব ইন্ডিয়ার সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে তথ্য জানানো হয়েছে। খবর বিজনেস লাইন।

দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের পাহাড়ি জেলা নীলগিরি। চা উৎপাদন বিপণনের জন্য জেলার খ্যাতি রয়েছে। দক্ষিণ ভারতের জেলাগুলোর মধ্যে এখানেই সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে নীলিগিরিতে সব মিলিয়ে কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে জেলায় পানীয় পণ্যটির উৎপাদন কমেছে দশমিক ৭৫ শতাংশ।

২০১৯ সালে নীলিগিরিতে সব মিলিয়ে কোটি ৩৫ লাখ ৯০ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছিল। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাহাড়ি জেলায় পানীয় পণ্যটির উৎপাদন কমেছে লাখ ১০ হাজার কেজি।

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছরের মার্চে করোনা মহামারীর কারণে ভারতজুড়ে লকডাউন শুরু হলে গভীর সংকটে পড়ে নীলগিরির চা বাগান কারখানাগুলো। শ্রমিক সংকটে কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে উৎপাদন। তবে বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে উৎপাদনে ফিরতে শুরু করে নীলগিরির চা শিল্প।

২০২০ সালের শেষ ভাগে এসে করোনার ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ায় নীলিগিরির চা উৎপাদন। ধারাবাহিকতায় গত ডিসেম্বরে জেলায় সব মিলিয়ে ১০ লাখ ৪০ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছে বলে জানিয়েছে টি বোর্ড অব ইন্ডিয়া, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ৩৩ শতাংশ বেশি।

২০১৯ সালের একই মাসে নীলগিরিতে সব মিলিয়ে লাখ ৬০ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছিল। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে জেলায় পানীয় পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে ৮০ হাজার কেজি।

বছরের শেষভাগে এসে উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি ফিরে এলেও লকডাউনের সময়ের উৎপাদন হ্রাসের ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি নীলগিরির চা শিল্প। মূলত কারণে বিদায়ী বছরজুড়ে দক্ষিণ ভারতের পাহাড়ি উৎপাদন কেন্দ্রে বার্ষিক চা উৎপাদন প্রায় শতাংশ কমে গেছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি বছর নীলগিরিতে চা উৎপাদনের অনুকূলে চমত্কার আবহাওয়া বিরাজ করবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর। করোনাকালের শ্রমিক সংকটও এখন আর নেই বললে চলে। ফলে বাড়তি কোনো ঝামেলা না হলে চলতি বছর শেষে প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরে আসতে পারে নীলগিরির চা উৎপাদন।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন