রবিবার | মার্চ ০৭, ২০২১ | ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭

আন্তর্জাতিক ব্যবসা

সি-ফুড রফতানিকারকদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে ব্রিটেন

বণিক বার্তা ডেস্ক

ব্রেক্সিটে অতিরিক্ত বিধিবিধান দেরির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জেলে সি-ফুড রফতানিকারকরা ক্ষতিপূরণের জন্য লাখ পাউন্ড দাবি করতে পারবেন বলে জানিয়েছে ব্রিটেন সরকার। দেশটির পরিবেশ, খাদ্য পল্লী বিষয়ক বিভাগ (ডেফরা) নিশ্চিত করেছে, তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নে মাছ শামুক রফতানি করা সংস্থাগুলোর জন্য কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ তৈরি করেছে। তবে এক্ষেত্রে যাদের সত্যিকার অর্থেই লোকসান হয়েছে, কেবল তারাই ক্ষতিপূরণের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। খবর গার্ডিয়ান।

ইইউর বাজারগুলোতে প্রবেশ করতে নানাবিধ সমস্যার মুখে পড়ায় বরিস জনসনের ব্রেক্সিট বাণিজ্য চুক্তির শর্তের প্রতিবাদ করতে সোমবার ওয়েস্টমিনস্টারে নেমে এসেছিলেন ব্যবসায়ীরা। এর পরই মূলত সরকার ক্ষতিপূরণের বিষয়টি প্রকাশ করে।

৩১ ডিসেম্বর ব্রেক্সিট কার্যকরের পর থেকে নতুন প্রতিবন্ধকতা কাগজপত্রের কারণে তাজা মাছ সি-ফুড রফতানিতে ব্যাপক বাধার সৃষ্টি হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকার কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় রফতানিকারকরা হতাশার মধ্যে ছিলেন। ডেফরা জানিয়েছে, ছোট মাঝারি অপারেটরদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।

ক্ষতিপূরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতার মানদণ্ড করতে সরকার যুক্তরাজ্যজুড়ে শিল্পে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পরামর্শ করবে। পাশাপাশি তারা বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনগুলোর সঙ্গেও কাজ করবে।

ন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফিশারম্যান্স অর্গানাইজেশনসের প্রধান ব্যারি ডিয়াস সরকারের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তিনি একই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মাছ ধরার জাহাজগুলোকে জরুরি সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন।

সি-ফুড স্কটল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী ডনা ফোর্ডিসও স্বল্পমেয়াদি সহায়তার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তবে তিনি বলেন, খাতকে সহায়তার জন্য সরকারের আরো কিছু করা দরকার। গত কয়েক সপ্তাহের লোকসানগুলো কাটিয়ে উঠতে অর্থ সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখবে। তবে এক লোকসান পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে খাতে দীর্ঘকালীন সহায়তা প্রয়োজন।

ফিশিং সংস্থাগুলো জানিয়েছে, তারা ইইউ আমদানিকারকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করতে না পারায় মাছ নষ্ট অর্ডার বাতিল হয়ে তাদের এরই মধ্যে কয়েক লাখ পাউন্ড লোকসান হয়েছে।

পরিবেশ বিষয়ক সচিব জর্জ ইউস্টিস বলেন, কোটি ৩০ লাখ পাউন্ডে প্যাকেজটি জেলে সি-ফুড রফতানিকারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দেবে। যুক্তরাজ্য ইউরোপের রেস্তোরাঁ শিল্প থেকে মাছের চাহিদা কমে যাওয়া সরবরাহে দেরির কারণে মূলত তাদের লোকসান গুনতে হয়েছে। ফিশিং খাত নিয়ে আমরা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন