সোমবার | মার্চ ০১, ২০২১ | ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭

পণ্যবাজার

সাড়ে তিন মাসে ভারতে চিনি উৎপাদনে ৩১% প্রবৃদ্ধি

বণিক বার্তা ডেস্ক

ভারতে প্রতি বছর অক্টোবর চিনির নতুন উৎপাদন বিপণন মৌসুম শুরু হয়। সেই হিসাবে দেশটিতে এখন পণ্যটির ২০২০-২১ মৌসুম চলছে। মৌসুমের প্রথম সাড়ে তিন মাসে (২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত) ভারতে চিনি উৎপাদনে ৩১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির দেখা মিলেছে। ইন্ডিয়ান সুগার মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (আইএসএমএ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়েছে। ধারাবাহিকতায় এবারের মৌসুমে ভারতে চিনি উৎপাদন প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বাড়তে পারে। খবর বিজনেস রেকর্ডার বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

চিনি উৎপাদনকারী দেশগুলোর বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় ব্রাজিলের পর দ্বিতীয় স্থানে ভারতের অবস্থান। চিনি রফতানিকারক দেশগুলোর বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় দেশটি তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। আইএসএমএর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের ১৫ জানুয়ারি সময়ে ভারতে সব মিলিয়ে কোটি ৪২ লাখ ৭০ হাজার টন চিনি উৎপাদন হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে ৩১ শতাংশ।

একই সময়ে মহারাষ্ট্রের ১৮১টি চিনিকলে সব মিলিয়ে ৫১ লাখ ৬০ হাজার টন চিনি উৎপাদনের তথ্য দিয়েছে আইএসএমএ। আগের মৌসুমের একই সময়ে রাজ্যে ২৫ লাখ ৫০ হাজার টন চিনি উৎপাদন হয়েছিল। সক্রিয় ছিল ১৩৯টি চিনিকল। সময় উত্তর প্রদেশে সক্রিয় ১১৯টি চিনিকলে সব মিলিয়ে উৎপাদন হয়েছিল ৪৩ লাখ ৮০ হাজার টন চিনি। এবারের মৌসুমের প্রথম সাড়ে তিন মাসে রাজ্যে ১২০টি চিনিকল উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। তবে পণ্যটির উৎপাদন কিছুটা কমে ৪৩ লাখ টনে নেমে এসেছে।

মৌসুমের প্রথম সাড়ে তিন মাসে চিনি উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির পেছনে দুটো কারণ চিহ্নিত করেছে আইএসএমএ। প্রথমত, এবারের মৌসুমে ভারতে আগাম আখ মাড়াই শুরু হয়েছে। দ্বিতীয়ত, আখের পর্যাপ্ত উৎপাদন হয়েছে ভারতে। মূলত দুই কারণে ভারতের চিনিকলগুলোয় পণ্যটির উৎপাদন বাড়তির পথে রয়েছে।

আইএসএমএর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আখের পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় থাকায় চলতি ২০২০-২১ মৌসুমের প্রথম সাড়ে তিন মাসে ভারতজুড়ে ৪৮৭টি চিনিকল পূর্ণোদ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। আগের মৌসুমের একই সময়ে দেশটিতে মোট ৪৪০টি চিনিকলে কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।

এদিকে এক পূর্বাভাসে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, চলতি ২০২০-২১ মৌসুমে ভারতে সব মিলিয়ে কোটি ৫৫ লাখ টন চিনি উৎপাদন হতে পারে। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন বাড়তে পারে প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বা ১৯ দশমিক শতাংশ।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন