শুক্রবার | ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭

প্রথম পাতা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ফেব্রুয়ারির শুরুতে ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক —পররাষ্ট্র সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে চীনের মধ্যস্থতায় ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হবে সচিব পর্যায়ে প্রয়োজনে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। সব বৈঠকেই মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে থাকবে চীন। প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কেউ যুক্ত হতে চাইলে তাদের স্বাগত জানানো হবে। গতকাল রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বেলা ২টা থেকে দেড় ঘণ্টা ধরে সচিব পর্যায়ের বৈঠক চলে। চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী লুও জাওহুইয়ের সভাপতিত্বে বৈঠকে মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা উপমন্ত্রী হাউ দো সুয়ান এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মাসুদ বিন মোমেন।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব সাংবাদিকদের বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে আমাদের ওয়ার্কিং গ্রুপের মিটিং হবে এবং সেটার ব্যাপ্তি কিছুটা বাড়বে। আগে আমাদের মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের বৈঠকে চীন মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত থাকতেন। এটা আরেকটু বড় পর্যায়ে করা হবে। মিয়ানমারের নেপিদোতে যে ডিজি আছেন এবং বেইজিংয়ে ফরেন মিনিস্ট্রিতে যে ডিজি আছেন, তারাও সংযুক্ত হবেন।

দুই দেশের ডিজিদের মধ্যে একটা হটলাইন চালু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব এটা হবে। এতে যেকোনো ধরনের ছোটখাটো চ্যালেঞ্জ থাকলে, তারা নিজেরা কথা বলে ঠিক করে নিতে পারবে।

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর আশা প্রকাশ করে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, এখন অনেক ফ্যাক্টরস আছে, এসব ফ্যাক্টরস মাথায় রেখে, এর আগে যেহেতু দুবার ডেট দিয়ে আমরা সফল হতে পারিনি, এখন সেগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে কীভাবে সফল হওয়া যায়, সেই চেষ্টা থাকবে আমাদের। আমরা সিনসিয়ারলি অ্যাঙ্গেজড থাকবে। দ্বিপক্ষীয় যে চুক্তি আছে, তা যদি অক্ষরে অক্ষরে পালিত হয়, সেখানে ১০ লাখের বেশি মানুষকে নিয়ে যেতে বছরের পর বছর লেগে যাবে। গত তিন বছরে ৯০ হাজার নতুন বাচ্চাও জন্মগ্রহণ করেছে। সুতরাং এই টোটাল নম্বরটা বাড়তে থাকবে, অনেক জটিলতা আসতে থাকবে। তাই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার বিকল্প নেই।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন