মঙ্গলবার | জানুয়ারি ১৯, ২০২১ | ৬ মাঘ ১৪২৭

খবর

‘গোল্ডেন মনিরের’ ১১ বছর ও তার স্ত্রীর ৪ বছরের সম্পদের হিসাব চায় দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

মনির হোসেন ওরফে ‘গোল্ডেন মনির’ ও তার স্ত্রী রওশন আক্তারের সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের পাঠানো নোটিশে মনিরের ২০০৯ সালের ১৮ জুনের পর থেকে অর্জিত সম্পদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে আর তার স্ত্রীর ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবরের পর থেকে সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দিতে বলা হয়েছে। 

নোটিশ প্রাপ্তির ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের সম্পদের যাবতীয় হিসাব কমিশনে দাখিল করতে দুদকের পরিচালক আকতার হোসেন আজাদ তাদের নোটিশ দিয়েছেন। দুদকের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য বণিক বার্তাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারায় তাদের সম্পদ বিবরণী নোটিশ ইস্যু করেছে দুদক। নোটিশে বলা হয়েছে, তাদের নিজের  এবং তাদের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্ব-নামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উত্স ও উহা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী আদেশ প্রাপ্তির ২১ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনে দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।  

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে মনিরের নামে ৬ শত ১০ কোটি এবং তার স্ত্রীর নামে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পাওয়ার কথা জানা গেছে। দুদকের অনুসন্ধান সুত্র জানিয়েছে, মনির হোসেনের স্ত্রী রওশন আক্তার একজন গৃহিনী। কিন্তু তার এসব সম্পদ অর্জনের কোনো বৈধ উত্স পাওয়া যায়নি। 

এর আগে ২০১২ সালে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলাও করেছিল দুদক। সেই মামলায় এক কোটি ৬১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। আদালতে রিটসহ বিভিন্ন জটিলতায় মামলাটির তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। কয়েক জন কর্মকর্তা বদলের পর বর্তমানে দুদকের উপপরিচালক মোশাররফ হোসেন মৃধা এ মামলার তদন্ত করছেন।

গত ২১ নভেম্বর শনিবার নিজ বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কারসহ মনির হোসেনকে গ্রেফতার করার কথা জানায় র‌্যাব। পরে দুদক তার অবৈধ সম্পদের উৎস খুঁজতে মাঠে নামে। 

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন