মঙ্গলবার | জানুয়ারি ১৯, ২০২১ | ৬ মাঘ ১৪২৭

শিল্প বাণিজ্য

পিপিপি-র মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহী কানাডা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি-বেসরকারি অংশিদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের আগ্রহ দেখিয়েছে কানাডা। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের সচিব এবং পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা আফরোজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহ দেখান বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাই কমিশনার বেনোইত প্রেফোতেইন। এ সময় কানাডিয়ান হাই-কমিশনের কন্স্যুলার ও সিনিয়র ট্রেড কমিশনার করিনে পেট্রিসর এবং কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশী হাই-কমিশনার ড. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতে পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী সুলতানা আফরোজ বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে উষ্ণ সম্পর্কের বিষয় উল্লেখ করে বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় সব সময় কানাডার পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রশংসা করেন। সেসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন- কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশী হাই কমিশনার বাংলাদেশের স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করবে এবং পিপিপি কর্মসূচিতে দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করবে।

বৈঠকে কানাডিয়ান হাই কমিশনার বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক অংশিদারিত্বের ক্ষেত্র প্রসারিত করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। সেসঙ্গে তিনি কানাডার বেসরকারি খাত এবং উভয় দেশের জন্য উপকারী প্রকল্প গ্রহণের জন্য উত্তোলন সংস্থাগুলোকে সরকারী বেসরকারি অংশিদারিত্বের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন।

আলোচনায় ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের উন্নয়নের গতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে পিপিপি’র গুরুত্ব তুলে ধরে একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোতে আলোকপাত করেছেন। এ বৈঠকে পিপিপিএ-র ভূমিকা, দায়িত্ব ও কৃতিত্বের রূপরেখার উপর একটি বিশেষ প্রেজেনটেশন উপস্থাপন করা হয়। উল্লেখ্য, পিপিপিএ কর্তৃক বাংলাদেশে ৭৯টি প্রকল্প চালু রয়েছে যার মধ্যে ৬টি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। খাদ্য, পরিবহন, কৃষি, পরিবেশ, পর্যটন, স্বাস্থ্য, আবাসনসহ বেশ কিছু সেক্টরে চালু রয়েছে পিপিপিএ প্রকল্প।

উল্লেখ্য, কানাডিয়ান হাই কমিশনার বেনোইত প্রেফোতেইন পিপিপি প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিটুজি (গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট) মডেলে একত্রে কাজ করার বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন