বৃহস্পতিবার | জানুয়ারি ২১, ২০২১ | ৮ মাঘ ১৪২৭

পণ্যবাজার

অলিভ অয়েল

বাড়তি উৎপাদনে রেকর্ড রফতানির প্রত্যাশা পর্তুগালের

বণিক বার্তা ডেস্ক

ইউরোপের দেশ পর্তুগালে খুবই ভালো মানের জলপাই জন্মায়। থেকে বানানো অলিভ অয়েলের মানও ভালো। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে পর্তুগিজ অলিভ অয়েলের বেশ চাহিদা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পর্তুগালে অলিভ অয়েলের বাড়তি উৎপাদন হয়েছে। এর জের ধরে চলতি বছর দেশটি অলিভ অয়েল রফতানি করে রেকর্ড পরিমাণ আয়ের প্রত্যাশা করছে। খবর অলিভ অয়েল টাইমস।

পর্তুগালের মিনিস্ট্রি অব এগ্রিকালচার, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুমে পর্তুগালে রেকর্ড লাখ ৪০ হাজার টন অলিভ অয়েল উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ভালো মানের জলপাইয়ের বাম্পার ফলনের জের ধরে দেশটিতে অলিভ অয়েলের উৎপাদনও রেকর্ড ছুঁয়ে যায়। ২০২০-২১ মৌসুমে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন আগের মৌসুমের তুলনায় কমে আসতে পারে। এর পরও ২০২০-২১ মৌসুমে দেশটিতে দুই লাখ টনের বেশি অলিভ অয়েল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশটির সরকারি হিসাবে অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় পর্তুগালে অলিভ অয়েলের উৎপাদন ১৬০ শতাংশ বাড়তি থাকতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি অলিভ অয়েল রফতানির চেষ্টা করবে দেশটি। তা না হলে মজুদ বেড়ে অলিভ অয়েলের দরপতনের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

পরিস্থিতিতে বহুজাতিক বাণিজ্য তথ্যভাণ্ডার ট্রেন্ডইকোনমি বলছে, ২০২০ সালে অলিভ অয়েল রফতানি করে পর্তুগালের রফতানিকারকরা সব মিলিয়ে ৬০ কোটি ইউরো আয় করতে পারেন। গত বছর আয়ের পরিমাণ ছিল ৫১ কোটি ৮০ লাখ ইউরো। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে অলিভ অয়েল রফতানি বাবদ দেশটির আয় বাড়তে পারে কোটি ইউরোর বেশি। ২০০৮ সালে অলিভ অয়েল রফতানি করে দেশটি সাকল্যে ১৭ কোটি ৭০ লাখ ইউরো আয় করেছিল।

অলিভ অয়েলের উৎপাদন রফতানি খাতের সাম্প্রতিক চাঙ্গা ভাবের বিষয়ে পর্তুগালের কৃষিমন্ত্রী মারিয়া দো সিউ-আন্তোনেজ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের অলিভ অয়েল শিল্প খুবই ভালো করছে। নিজস্ব প্রয়োজনের তুলনায় বাড়তি উৎপাদন পণ্যটির রফতানিতে গতি এনে দিয়েছে, যা কারোনাকালে রফতানি আয় বাড়িয়ে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব রাখছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন