রবিবার | জানুয়ারি ২৪, ২০২১ | ১১ মাঘ ১৪২৭

শেয়ারবাজার

তিন প্রান্তিকে ইবিএলের মুনাফা বেড়েছে ২৯%

নিজস্ব প্রতিবেদক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের (ইবিএল) কর-পরবর্তী মুনাফা চলতি ২০২০ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৯ শতাংশ বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে ব্যাংকটির মুনাফা হয়েছে ২৯৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ২২৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

সম্প্রতি প্রকাশিত ইবিএলের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিন প্রান্তিকে ব্যাংকটির সুদ আয় হয়েছে হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে সুদ আয় ছিল হাজার ৭৪০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির পরিচালন আয় দাঁড়িয়েছে হাজার ৬৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল হাজার ১১২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। সুদ পরিচালন আয় কমলেও সঞ্চিতি এবং আয়কর খাতের আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কম অর্থ ব্যয় হওয়ায় ব্যাংকটির কর-পরবর্তী মুনাফা বেড়েছে। চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে টাকা ৬৪ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল টাকা ৮৩ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৮৪ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য প্রথমে ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছিল ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। যদিও পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারে ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ চূড়ান্ত করে ব্যাংকটির পর্ষদ। সমাপ্ত হিসাব বছরে ইস্টার্ন ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস ছিল টাকা ৯২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস টাকা ৮৩ পয়সা।

এর আগে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয় ইস্টার্ন ব্যাংক। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

১৯৯৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হাজার ২০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৮১১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে হাজার ৭৮৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। ব্যাংকের মোট শেয়ার সংখ্যা ৮১ কোটি ১৭ লাখ ৯৯ হাজার ৫৪৮। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৩০ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪২ দশমিক ৬৬ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ২১ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ার সর্বশেষ ৩৫ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ২৮ টাকা ৪৩ টাকা ৫০ পয়সা।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন