মঙ্গলবার | নভেম্বর ২৪, ২০২০ | ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

সম্পাদকীয়

তৃতীয় লিঙ্গ

প্রয়োজন প্রশিক্ষণ, কর্মনিয়োজন ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন

রুহিনা ফেরদৌস

অনন্যা, রানী, আনোরী কিংবা শাম্মীর প্রয়োজন ছিল সমান সুযোগ, প্রাপ্য সম্মান আর খানিকটা সহযোগিতা। পরিবারের পক্ষ থেকে অনেকেরই কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল না। কিন্তু সমাজ! আর  সেখানে বাসবাসরত মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি! এগুলোর পরিবর্তন কে করবে? কে বলে দেবে হিজড়া বা ট্রান্সজেন্ডার হয়ে জন্মানোটা দোষের কিছু নয়! অন্য সাধারণ মানুষের মতো তাদেরও স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে নিজ যোগ্যতা-মেধা দিয়ে শোভন-সফল একটি জীবন যাপন করার কোনো বাধা নেই। 

২০১৩ সালের নভেম্বরে সরকার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে হিজড়া জনগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দিতে তাদের জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা প্রণয়ন করে। সে ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি হিজড়া সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে গেজেটে এ জনগোষ্ঠীকে ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এর মাধ্যমে তারা লিঙ্গ পরিচয়ের ক্ষেত্রে নারী বা পুরুষের বাইরে নিজেদের ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বা ‘হিজড়া’ লেখার সুযোগ পায়। তাদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। দূর হয় নাগরিকত্বের সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট করার বাধাগুলোও। এরপর কল্যাণ ও পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের সমাজসেবা দপ্তরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ২০১৪ সালে। স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পাস করা তৃতীয় লিঙ্গের ৪০ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয় ২০ জনকে। এরপর ঢাকার ১২ জন ও চট্টগ্রামের দুজনকে চূড়ান্ত প্রার্থী  হিসেবে মনোনীত করা হয়। কিন্তু বিপত্তিটা বাধে ডাক্তারি পরীক্ষায়। ‘পূর্ণাঙ্গ পুরুষ’ প্রমাণিত হওয়ায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের চাকরির জন্য মনোনীত হওয়া ১২ জনের নিয়োগ স্থগিত করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ১২ জন ‘পূর্ণাঙ্গ পুরুষ বলে প্রতীয়মান হয়েছে।’ 

প্রশ্ন রয়ে গেছে সেদিনের ওই পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে। কেননা শুধু শারীরিক পরীক্ষাই বলে দেয় না হিজড়া বা ট্রান্সজেন্ডার কে। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পাশাপাশি মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও  মনোবিজ্ঞানীর উপস্থিতি থাকাটা জরুরি। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, বাংলাদেশ সরকারের কোনো নির্ধারিত নীতিমালা নেই, যেখানে একজন ব্যক্তিকে আইনগতভাবে ‘পুরুষ’ থেকে ‘হিজড়া’ লিঙ্গে পরিণত করার জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং কাদের হিজড়া হিসেবে গণ্য করা হবে, সে বিষয়েও কোনো সুস্পষ্ট ধারণা নেই। তাই সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে সরকারি কর্মকর্তারা ওই কর্মসূচি বাস্তবায়নে হিজড়া সম্পর্কে তাদের নিজেদের পূর্বধারণার সাহায্য নিয়েছেন। ২০১৪ সালে প্রাথমিক সাক্ষাত্কারের সময়ে তারা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভ্রান্ত ধারণার কারণে অপমানিত বোধ করেছেন। অনেকেই বলেছেন যে তারা হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং তাদের লিঙ্গ পরিচয় ও যৌনতা সম্পর্কে অবান্তর প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। হাসপাতালের কর্মী, কিছু ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ ও ট্রান্সজেন্ডার নারীদের অতিরিক্ত পরীক্ষা করার জন্য একাধিকবার আসার নির্দেশও দেন তাদের, অতিরিক্ত পরীক্ষা করার কাজটি আরো কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে।

হাসপাতালে লাঞ্ছনার অভিজ্ঞতার পর ওই ১২ জন ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ ও নারীর ছবি অনলাইন এবং বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে বলা হয়, সরকারি চাকরি পাওয়ার জন্য প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন তারা। হিজড়া/টান্সজেন্ডারদের নিয়ে কাজ করে এমন সংগঠনের দাবি, কোনো ধরনের ক্রস চেক না করে মিডিয়ার এমন সংবাদ প্রকাশের পর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ওই ১২ জনের জীবনে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে তারা জানিয়েছেন, ছবি প্রকাশ করার পর তাদের প্রতি হয়রানির মাত্রা আরো বেড়ে গেছে। তারা আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। এমনকি তারা তাদের পূর্ববর্তী কর্মসংস্থানও হারিয়েছেন। 

এ ঘটনার পর সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায় না। ট্রাফিক পুলিশ হিসেবে নিয়োগের কথা থাকলেও বাস্তবায়ন চোখে পড়ে না। এদিকে কভিড পরিস্থিতিতে কেমন আছে টান্সজেন্ডার নারী ও পুরুষরা? যারা ছোট পরিসরে বিউটি পার্লার বা অন্য কোনো ব্যবসা করে তৃণমূল হিজড়া থেকে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন, করোনার ধাক্কায় তারা প্রায় সব খুইয়েছেন। দেশে সব মিলে ট্রান্সজেন্ডারদের পরিচালিত বিউটি পার্লার আছে সাতটি। ঢাকা শহরের মধ্যে দুটি। একটি করে আছে আশুলিয়া, সাভার ও ধামরাইয়ে। আর ঢাকার বাইরে রাজবাড়ীতে ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি। সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষুদ্র-মাঝারি ও বড় শিল্পগুলোকে প্রণোদনা দেয়া হলেও তালিকায় নেই হিজড়া সম্প্রদায়ের মানুষ। অবশ্য দেশে হিজড়া জনগোষ্ঠীর সংখ্যা নিয়ে সঠিক কোনো পরিসংখ্যানও মেলে না। ২০১২ সালের সরকারি হিসাবে তাদের সংখ্যা ছিল ১২ হাজারের মতো। শিক্ষিতের হার মাত্র ২ শতাংশ। এরপর আর কোনো হিসাব নেই। তবে এবার আদমশুমারিতে তাদের অন্তর্ভুক্তির কথা শোনা যাচ্ছে। 

এ পর্যায়ে বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর দিকে তাকানো যাক। ইতিবাচক উদাহরণের ক্ষেত্রে নাম আসে ভারতের কেরালার। বছর তিন আগে এখানে ‘সহজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। যেখানে শৈশবে লেখাপড়ার সুযোগ পাননি এমন তৃতীয় লিঙ্গের বয়স্ক মানুষেরা লেখাপড়া শিখছেন। পাশাপাশি তাদের কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। ট্রান্সজেন্ডার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড আছে কলকাতায়। কলকাতা নগর পুলিশের স্বেচ্ছাসেবক ফোর্সে নিয়োগ দেয়ার আদেশও রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য বোর্ড গঠন করে চালু করা হয়েছে হেল্প লাইন। তাছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা সরকারি চাকরিতে এ তৃতীয় লিঙ্গভুক্তদের আলাদা কোটারও ব্যবস্থা করতে নির্দেশনা রয়েছে ভারতের শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে। বাদ যায় না পাকিস্তানও। হিজড়া বা ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা বোর্ড আছে সেখানেও। সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে পুলিশ, সেনাবাহিনী, আইনজীবী হিসেবে কাজও করেন তারা। 

ভারত, পাকিস্তান পারলে বাংলাদেশ কেন পারছে না? দেশে নাগরিক হিসেবে সংবিধান স্বীকৃত কিছু আইনি অধিকার পেলেও এখনো যেমন সম্পত্তিতে হিজড়াদের উত্তরাধিকারের বিধান নেই, তেমনি কর্মসংস্থান কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ নামমাত্রই রয়ে গেছে। যৌন নির্যাতনের মতো ঘটনায় আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগও নেই। কারণ প্রচলিত আইনে নারী ও শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন, ধর্ষণ এবং ধর্ষণ চেষ্টার ক্ষেত্রে বিচারের ব্যবস্থা থাকলেও হিজড়াদের ওপর যৌন নির্যাতনের বিচারের ব্যবস্থা নেই।

এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি সমাজের প্রভাবশালী সংগঠন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। ট্রান্সজেন্ডার নারী-পুরুষের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি, তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য কাজের সুযোগ, দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ প্রদান ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিকল্প নেই। কিছুটা আন্তরিক হলে আর দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এনে কাজটি করা যায়। যেমনটা করেছে চট্টগ্রামের তৈরি পোশাক কারখানা ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেড। এখানে বর্তমানে সাত থেকে আটজন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ কাজ করছেন। কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজ উদ্দিন মনে করেন, ‘ওরাই সবচেয়ে ভালো পারফরমার।’ দুই বছরের ওপরে তারা সেখানে কাজ করছেন। কিন্তু সাধারণের ওই যে দৃষ্টিভঙ্গি! তাই প্রথমে অন্য কর্মীরা তৃতীয় লিঙ্গের এ কর্মীদের ইতিবাচকভাবে নিতে চাননি। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির অফিস ম্যানেজমেন্টের অবস্থান ছিল কঠোর। সাধারণ কর্মীরা যদি তাদের উত্ত্যক্ত বা বিরক্ত করে তাহলে চাকরি হারাতে হবে—কর্তৃপক্ষের এমন আদেশ উপেক্ষার সাহস পাননি বাকিরা। পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের কর্মীদের মনোবল অটুট রাখতে কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থাও করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে। কর্মী হিসেবে কাজে লাগানোর আগে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এভাবে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের কর্মী হিসেবে ব্যবহারের কালচারটা তৈরি করেছে এ পোশাক কারখানাটি।  

শুধু কাগজে-কলমে আর নীতিতে রাখা নয়, ট্রান্সজেন্ডার নারী ও পুরুষদের কর্মক্ষেত্রে নিয়োগ দেয়ার সংস্কৃতিটা তৈরি করা জরুরি। আশেপাশে কিছু উদাহরণও আছে। গণস্বাস্থ্য কিংবা আইসিডিডিআর,বি। এক্ষেত্রে প্রয়োজন মানুষ হিসেবে সমান সুযোগ প্রদান। শিক্ষিত যোগ্য হলে তারা কেন সমাজের সাধারণ আর পাঁচজনের মতো কাজ করতে পারবেন না! তাদের কাজের সুযোগের পাশাপাশি কর্মপরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে। যারা তৃণমূল পর্যায়ে আছেন, তাদের কর্মনিয়োজনের আগে প্রয়োজন প্রশিক্ষণ ও কাউন্সিলিং। কেননা শৈশব থেকে প্রাপ্ত বয়সে আসতে যে মানুষটিকে সমাজের উপেক্ষা, হাসি, বিদ্রুপ, কটাক্ষর মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, তাকে হঠাৎ করে কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মী বা বিপণিবিতানের সেলস পার্সন হিসেবে নিয়োগ দিলে নতুন ওই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে ওঠাটা তার জন্য খানিকটা মুশকিলই। তাই তাদের কাউন্সিলিংয়ের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ দিতে হবে। কর্মক্ষেত্রে তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা তা দেখতে হবে। মনোবল ধরে রাখতে তাদের উৎসাহিত করতে হবে। এর সঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠানের সাধারণ কর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন আনতে হবে।

টান্সজেন্ডার নারী বা পুরুষের আসল লড়াইটা শুরু হয় কৈশর থেকে। তাই স্কুল-কলেজ পর্যায়ে তারা যেন বুলিংয়ের শিকার না হন, সেজন্য সচেতনমূলক প্রচারণার পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রতিও তাদের আলাদা যত্ন নেয়ার দিকনির্দেনা দেয়া জরুরি। সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে ট্রান্সজেন্ডার বোর্ড গঠন করা যেতে পারে, যেখানে অধিদপ্তরের সদস্যদের পাশাপাশি ট্রান্সডেন্ডার নারী ও পুরুষ সদস্যরা থাকবেন নীতি ও কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরির জন্য। কারণ তাদের জন্য কী করণীয়, তাদের সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতাগুলো কী, কী ধরনের সুযোগ-সুবিধার প্রয়োজন, তা একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী বা পুরুষের মতো অন্যরা উপলব্ধি করতে সমর্থ না-ও হতে পারেন। তাই নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের উপস্থিতি থাকা জরুরি। দক্ষতা উন্নয়ন করে আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচির সঙ্গে কর্মক্ষম এ জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে সঠিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলে অর্থনীতিতে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে। হোচিমিন ইসলাম, জয়া শিকদাররা সব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে নিজেদের ট্রান্সডেন্ডার পরিচয়টি ধারণ করার পাশাপাশি কাজ করছেন স্কয়ার হাসপাতাল বা আইসিডিডিআরবি,র মতো প্রতিষ্ঠানে। অক্লান্ত মানসিক দৃঢ়তা, মনোবল আর পরিশ্রম দিয়ে তারা স্বপরিচয়ে স্বীকৃত আজ। তাদের অর্জনের সে গল্প হবে অন্যদিন। 

[লেখাটি তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন হোচিমিন ইসলাম (ট্রান্স ফেমিনিস্ট, জেন্ডার অ্যান্ড সেক্সচুয়াল রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট), জয়া শিকদার (ট্রান্সজেন্ডার অ্যাক্টিভিস্ট, সভাপতি, সম্পর্কের নয়া সেতু) ও তানহা তানজিন (প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী, ট্রান্সএন্ড)]


রুহিনা ফেরদৌস: সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন