মঙ্গলবার | নভেম্বর ২৪, ২০২০ | ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

শিল্প বাণিজ্য

রফিক-উল হকের মৃত্যুতে সালমান এফ রহমানের শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, সামরিক বাহিনী-সমর্থিত তথাকথিত ‘১/১১ সরকার’-এর সময় রফিক-উল হক অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে গণতান্ত্রিক শক্তির পক্ষে লড়াই করেছিলেন। যা ছিল এ দেশের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতি তার অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ব্যারিস্টার হক ওই কঠিন রাজনৈতিক সংকটের সময় দেশের দুটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের প্রধান, দুই কারাবন্দী নেত্রীর আইনি পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, সেই সময় অসংখ্য রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীর সঙ্গে আমিও কারান্তরীন ছিলাম। শান্ত তবে বলিষ্ঠ কণ্ঠে জনাব হক সেই সময় বিচারিক প্রক্রিয়ার পরিহাস তুলে ধরেছিলেন। যেই সময় খুব কম মানুষেরই কথা বলার সাহস ছিল, সেই সময় ব্যারিস্টার রফিক-উল হক অপশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। এটিই ছিল তার জীবনের সেরা মুহূর্ত।

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক একজন পেশাদার ও নির্দলীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বিরল বৈশিষ্ট্য তিনি মৃত্যুর আগ অবদি ধরে রেখেছিলেন। তার কনিষ্ঠ হিসেবে তার চ্যাম্বারে কাজ করা অসংখ্য আইনজীবী বেঞ্চ ও বারে স্বীকৃতি পেয়েছেন, বিশেষ মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ছিলেন তাদের মেন্টর। তাদের সাফল্য তারই পেশাদারিত্ব ও পারদর্শিতার স্বীকৃতি।

ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের সঙ্গে দীর্ঘদিনে পরিচয়ের কথা তুলে ধরে সালমান এফ রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতারও আগ থেকে শুরু করে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আমাদের আইনি উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি আমাদের পরিবারেরই একজন সদস্য ছিলেন। আমার কাছে ছিলেন বড় ভাইয়ের মতো। সবসময় পাশে ছিলেন। সুখ-দুঃখের মুহূর্তগুলো আমাদের সাথেই ভাগাভাগি করেছেন।

রফিক-উল হকের মৃত্যুতে এই দেশ সত্যিকার অর্থেই একজন উঁচুমাপের আইন বিশেষজ্ঞকে হারালো বলে মনে করেন দেশের অন্যতম এই শীর্ষ ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, তাঁর মৃত্যু দেশ হারালো অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে অঙ্গীকারাবদ্ধ একজন যোদ্ধাকে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন