বুধবার | নভেম্বর ২৫, ২০২০ | ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

খবর

আন্তর্জাতিক মেয়েশিশু দিবস নিয়ে দূতাবাসগুলোর যৌথ বিবৃতি

লিঙ্গবৈষম্য আরো বাড়িয়েছে করোনা মহামারী

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

করোনাভাইরাস মহামারী লিঙ্গবৈষম্য আরো বাড়িয়ে তুলেছে। গতকাল ঢাকাস্থ কানাডার হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক যৌথ সংবাদ বিবৃতিতে তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয় গতকাল সারা বাংলাদেশ থেকে এমনই বেশ কয়েকজন মেয়ে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন, কানাডার হাইকমিশন, ফ্রান্সের দূতাবাস, জার্মানি দূতাবাস, নেদারল্যান্ডসের দূতাবাস, নরওয়ের দূতাবাস, সুইজারল্যান্ডের দূতাবাস, যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে একদিনের জন্য রাষ্ট্রদূত এবং হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পেয়েছিল। স্বাধীনভাবে তাদের নিজ ভবিষ্যৎ গড়ার অধিকার প্রয়োগ করতে, সামাজিক পরিবর্তনকে ত্বরান্বিতকারী এক প্রজন্মের নেতৃত্ব দিতে এবং সম্ভাবনাময় জীবন যথাযথভাবে যাপনের অধিকারী হতে কৈশোর বয়সী মেয়ে রাষ্ট্রদূতরা চেইঞ্জমেকার হিসেবে তাদের দৃঢ়তা দেখিয়েছেন এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ক্ষতিকারক আচরণ থেকে মুক্ত থাকার দাবি জানিয়েছে।

১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক মেয়েশিশু দিবস হিসেবে মেয়েদের দাবি তাদের ক্ষমতার উদযাপন, বিশ্বব্যাপী তাদের অধিকার রক্ষা এবং শুধু মেয়ে হওয়ার কারণে তারা যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয় তা ভেবে দেখার জন্য উৎসর্গীকৃত একটি দিন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, অনেক মেয়েরই শিক্ষার সুযোগ সীমিত বা একেবারেই নেই, যা তাদের সমাজে সম্পূর্ণরূপে অংশগ্রহণের সম্ভাবনাকে খর্ব করে। তারা অনলাইনে, ক্লাসরুমে, এমনকি নিজ বাড়িতে সমাজে সহিংসতার মারাত্মক ঝুঁকিতে। বিশ্বব্যাপী ১৫-১৯ বছর বয়সী প্রতি ২০ জন মেয়ের মধ্যে একজন তাদের জীবনকালে ধর্ষণের শিকার হয়েছে, সংখ্যায় যা প্রায় কোটি ৩০ লাখ। করোনা মহামারী মেয়েদের এসব চ্যালেঞ্জকে অনেক গুণ বৃদ্ধি করেছে, যা লিঙ্গবৈষম্যকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে।

শিক্ষা, পুষ্টি এবং শিশু মাতৃমৃত্যুতে অভূতপূর্ব উন্নতি সত্ত্বেও বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশও নেতিবাচক প্রবণতাটির অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। আন্তর্জাতিক মেয়েশিশু দিবস অসমতাগুলো দূর করতে পুনরায় অঙ্গীকার বদ্ধ হওয়ার একটি সুযোগ। কারণ বিশ্বের অর্ধেক জনসংখ্যাকে পেছনে ফেলে রেখে আমরা সাফল্য অর্জন করতে পারি না। লিঙ্গ সমতার প্রতি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিশ্রুতি সত্যিই প্রশংসনীয়। লিঙ্গীয় সাম্যতা এবং মেয়েদের অধিকারকে এগিয়ে নিতে তৃণমূল পর্যায়ে দুর্দান্ত কাজের জন্য আমরা নাগরিক সমাজ, বেসরকারি সংস্থা কমিউনিটিগুলোর প্রশংসা করি।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন