মঙ্গলবার | অক্টোবর ২০, ২০২০ | ৪ কার্তিক ১৪২৭

খবর

মহামারী প্রতিরোধে আতঙ্ক নয়, সচেতনতাই প্রধান: ডিএসসিসি মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক

আতঙ্ক নয়, সচেতনতাই কভিড-১৯ মহামারী প্রতিরোধে মুখ্য ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। 

আজ বৃহস্পতিবার নগর ভবনের মেয়র হানিফ অডিটোরিয়ামে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২০ উপলক্ষে ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আয়োজিত কেন্দ্রীয় অবহিতকরণ, পরিকল্পনা ও সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন’ সভায় ডিএসসিসি মেয়র এ মন্তব্য করেন।

মেয়র বলেন, আমাদের শিশুদের মধ্যে এখনো অনেকেরই শারীরিক প্রয়োজনীয়তা অনুসারে পুষ্টি গ্রহণের হার সন্তোষজনক নয়। এটা শুধু তাদের খাবারের ঘাটতির জন্য নয়, এর মূল কারণ হলো খাবারে সুষম পুষ্টি গ্রহণের ব্যাপারে আমাদের প্রয়োজনীয় সচেতনতার অভাব। সেজন্যই জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের গুরুত্ব অনেক বেশি। 

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের সময় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে বেশি সর্তকতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে মেয়র বলেন, ক্যাম্পেইনকালীন কেন্দ্রে আগত বাচ্চাদের সরাসরি স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে ক্যাপসুল খাওয়ানোর বদলে শিশুর সঙ্গে আসা মা বা অভিভাবককে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝিয়ে এই ক্যাপসুল খাওয়াতে পারলে অধিকতর সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শরীফ আহমেদ এসময় ক্যাম্পেইনের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী। 

জাতীয় পুষ্টি সেবার লাইন ডাইরেক্টর, ঢাকার সিভিল সার্জন, কর্পোরেশনের সচিব আকরামুজ্জামান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, ইউপিএইচসিএসডিপি ও এনএইচএসডিপি প্রতিনিধি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসআইএমওরা ওরিয়েন্টশন সভায় উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত পক্ষকালব্যাপী এই ক্যাম্পেইন চলবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৫২ হাজার ১৭৬ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ৪ হাজার ৪৬০ শিশুকে একটি করে লাল রঙের ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন