বুধবার | অক্টোবর ২১, ২০২০ | ৬ কার্তিক ১৪২৭

শিল্প বাণিজ্য

করোনাকালে ব্যাংকিং কার্যক্রম

ব্যতিক্রমী কর্মপরিকল্পনায় এগিয়ে যাচ্ছে প্রিমিয়ার ব্যাংক

ব্যাংকিং খাতে কাজের ভালো পরিবেশ, ঈর্ষণীয় বেতন কাঠামো, ইনসেনটিভ, নিয়মমাফিক ইনক্রিমেন্ট, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটিসহ হাউজ লোন, কার লোন ইত্যাদির জন্য আজকের তরুণদের অন্যতম পছন্দের একটি পেশা হচ্ছে ব্যাংকে চাকরি। সবকিছুর জন্যই সমাজের সবার বিদ্যমান ধারণা-ব্যাংকারদের সামাজিক মর্যাদার পাশাপাশি চাকরির নিরাপত্তা পেনশনের ব্যবস্থা অন্য সব কাজের তুলনায় ভালো। সর্বোপরি, ব্যাংকের চাকরি মানেই তার অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত।

আকর্ষণীয় এই খাতে রাষ্ট্রায়ত্ত, বিশেষায়িত বেসরকারি ব্যাংকগুলো প্রতি বছর প্রচুর জনবল নিয়োগ দিয়ে থাকে এবং নিয়োগগুলোর অপেক্ষায় সারা বছর চাকরিপ্রত্যাশীরা নিজেদের প্রস্তুত করেন। তবে বর্তমানে নভেল করোনাভাইরাসের কারণে ব্যাংকিং সেক্টরের চিত্র ভিন্ন। গত মার্চ থেকেই একে একে স্থগিত হয়েছে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা। সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোয় নতুন কোনো চাকরির বিজ্ঞপ্তি নেই বললেই চলে। অনেক প্রতিষ্ঠানই নতুন নিয়োগ তো দিচ্ছেই না, বরং লোকবল কমাচ্ছে কিংবা বেতন কমাচ্ছে। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুযোগটা যেমন কঠিন হয়ে যাচ্ছে, ঠিক তেমনি চাকরিরত ব্যক্তিরা সবসময় চাকরি হারানোর ভয় নিয়ে কাজ করছেন, যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ছে পেশাগত জীবনে।

নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ আগের চেয়ে কমছে এবং পরিস্থিতির উন্নতি না হলে চাকরিপ্রার্থীরা চরম হতাশায় ভুগবেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা। রকম পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনায় এগিয়ে যাচ্ছে প্রিমিয়ার ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটি ধারার বিপরীতে গিয়ে সম্প্রতি ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার (এমটিও), ট্রেইনি জুনিয়র অফিসার (সাধারণ) পদসহ অভিজ্ঞ পদে বিপুলসংখ্যক জনবল নিয়োগ করছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানে লোকবল কমানো কিংবা কর্মকর্তাদের বেতন কমানো হয়নি, বরং নিয়মমাফিক ইনক্রিমেন্ট দেয়া হচ্ছে।

বিষয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ডিএমডি জনসম্পদ বিভাগের প্রধান মো. নাজিমউদ্দৌলা বলেন, করোনার কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা হতে আমরা শুরু থেকেই ব্যতিক্রম। আমাদের পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. এইচবিএম ইকবালের সুদক্ষ নেতৃত্বে এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দূরদর্শিতায় আমরা আমাদের করণীয় ঠিক করে অগ্রসর হচ্ছি এবং এরই ধারাবাহিকতায় যখন যেখানে জনবল প্রয়োজন হচ্ছে, সেখানে আমরা নিয়োগ দিচ্ছি; নিয়মমাফিক সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট প্রদানসহ সব প্রকার সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত রয়েছে। করোনাসৃষ্ট মন্দা কাটাতে এবং রাষ্ট্রীয় ঋণ প্রণোদনাসহ অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশীয় অর্থনীতিতে কার্যকর অবদান রাখতে আমরা সচেষ্ট রয়েছি। বিজ্ঞপ্তি

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন